যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় মেরিন কর্পসের ঘাঁটিতে একটি অত্যাধুনিক এফ-৩৫বি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিধ্বস্ত হওয়ার পর যুদ্ধবিমানটিতে আগুন ধরে যায়। এর ফলে আকাশে ধোঁয়া উড়তে থাকে যা বহু মাইল দূর থেকেও দেখা যায়।
দুর্ঘটনার পর বিমানের পাইলট নিরাপদে বের হয়ে আসতে সক্ষম হন। মেরিন এয়ারক্রাফট উইং এক বিবৃতিতে জানায়, পাইলট বিমান থেকে বের হয়ে আসার পর তাকে স্থানীয় একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে নেয়া হয়। তার অবস্থা স্থিতিশীল এবং তার আঘাত প্রাণঘাতী নয়।
বিমানবন্দরের অগ্নিনির্বাপণকর্মীরা দুর্ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে ধ্বংসাবশেষে ফায়ারফাইটিং ফোম ছিটিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। একই সঙ্গে দুর্ঘটনাস্থলের আশপাশে ছড়িয়ে পড়া ঘাসের আগুনও নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হয়।
লাইভএটিসি ডটনেটের রেকর্ড করা অডিওতে মিরামার বিমানঘাঁটির এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল টাওয়ারের একজন কর্মকর্তাকে অগ্নিনির্বাপণকর্মীদের উদ্দেশে বলতে শোনা যায়, ‘এফ-৩৫ বিমানটি রানওয়ের কিছুটা আগেই বিধ্বস্ত হয়েছে। মনে হচ্ছে প্যারাসুটটি খুলে গিয়েছে এবং একজন পাইলট বেরিয়ে এসেছেন।’
বিমানটি কেন বিধ্বস্ত হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি। সামরিক বিমানের দুর্ঘটনার তদন্ত সাধারণত সংশ্লিষ্ট সামরিক কর্তৃপক্ষই করে থাকে। এর বিপরীতে বেসামরিক বিমানের দুর্ঘটনা তদন্ত করে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড।
এফ-৩৫বি-কে ‘বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত যুদ্ধবিমান’ হিসেবে বর্ণনা করে বিমানটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। এটি একটি স্টেলথ যুদ্ধবিমান, যা রাডারে শনাক্ত করা কঠিন। বিমানটি প্রচলিত যুদ্ধবিমানের মতো রানওয়েতে অবতরণ করতে পারে। আবার হেলিকপ্টারের মতো উল্লম্বভাবেও অবতরণ করতে সক্ষম।
৫০ ফুটেরও বেশি দীর্ঘ এই যুদ্ধবিমানটি যুক্তরাষ্ট্রের মেরিন বাহিনী ছাড়াও যুক্তরাজ্য ও ইতালির বিমানবাহিনী ব্যবহার করে থাকে। নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি এফ-৩৫বি যুদ্ধবিমানের দাম প্রায় ১০ কোটি ২০ লাখ ডলার।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
দুর্ঘটনার পর বিমানের পাইলট নিরাপদে বের হয়ে আসতে সক্ষম হন। মেরিন এয়ারক্রাফট উইং এক বিবৃতিতে জানায়, পাইলট বিমান থেকে বের হয়ে আসার পর তাকে স্থানীয় একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে নেয়া হয়। তার অবস্থা স্থিতিশীল এবং তার আঘাত প্রাণঘাতী নয়।
বিমানবন্দরের অগ্নিনির্বাপণকর্মীরা দুর্ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে ধ্বংসাবশেষে ফায়ারফাইটিং ফোম ছিটিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। একই সঙ্গে দুর্ঘটনাস্থলের আশপাশে ছড়িয়ে পড়া ঘাসের আগুনও নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হয়।
লাইভএটিসি ডটনেটের রেকর্ড করা অডিওতে মিরামার বিমানঘাঁটির এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল টাওয়ারের একজন কর্মকর্তাকে অগ্নিনির্বাপণকর্মীদের উদ্দেশে বলতে শোনা যায়, ‘এফ-৩৫ বিমানটি রানওয়ের কিছুটা আগেই বিধ্বস্ত হয়েছে। মনে হচ্ছে প্যারাসুটটি খুলে গিয়েছে এবং একজন পাইলট বেরিয়ে এসেছেন।’
বিমানটি কেন বিধ্বস্ত হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি। সামরিক বিমানের দুর্ঘটনার তদন্ত সাধারণত সংশ্লিষ্ট সামরিক কর্তৃপক্ষই করে থাকে। এর বিপরীতে বেসামরিক বিমানের দুর্ঘটনা তদন্ত করে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড।
এফ-৩৫বি-কে ‘বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত যুদ্ধবিমান’ হিসেবে বর্ণনা করে বিমানটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। এটি একটি স্টেলথ যুদ্ধবিমান, যা রাডারে শনাক্ত করা কঠিন। বিমানটি প্রচলিত যুদ্ধবিমানের মতো রানওয়েতে অবতরণ করতে পারে। আবার হেলিকপ্টারের মতো উল্লম্বভাবেও অবতরণ করতে সক্ষম।
৫০ ফুটেরও বেশি দীর্ঘ এই যুদ্ধবিমানটি যুক্তরাষ্ট্রের মেরিন বাহিনী ছাড়াও যুক্তরাজ্য ও ইতালির বিমানবাহিনী ব্যবহার করে থাকে। নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি এফ-৩৫বি যুদ্ধবিমানের দাম প্রায় ১০ কোটি ২০ লাখ ডলার।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন