মরক্কো থেকে উত্তর আফ্রিকায় অবস্থিত স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল সিউটায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৯ হাজারের বেশি অভিবাসী প্রবেশ করেছেন। নজিরবিহীন এই অনুপ্রবেশের ঘটনায় পরিস্থিতি সামাল দিতে সীমান্তে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে স্পেন। এ ঘটনায় অন্তত ১৮ জনের মৃত্যুর খবরও পাওয়া গেছে।
স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বিপুলসংখ্যক মানুষ মরক্কো থেকে সীমান্ত অতিক্রম করে সিউটায় প্রবেশ করেছেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে এটিকে সবচেয়ে বড় সীমান্ত অনুপ্রবেশের ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, এত বিপুলসংখ্যক অভিবাসীর আকস্মিক আগমনে স্থানীয় প্রশাসনের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে জায়গার সংকট দেখা দিয়েছে এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, স্পেনে প্রবেশের চেষ্টা করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের বেশিরভাগই সীমান্তের বাধা অতিক্রম করতে সাঁতরে যাওয়ার সময় ডুবে মারা গেছেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সীমান্তে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে স্পেন। একই সঙ্গে সীমান্তে শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।
এ ঘটনার পর অভিবাসন, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং মরক্কোর সঙ্গে স্পেনের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। পাশাপাশি ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও এ নিয়ে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
ইতালি ইউরোপের বহিঃসীমান্ত সুরক্ষায় ‘অসাধারণ ব্যবস্থা’ নেওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে। অন্যদিকে স্পেনের কর্মকর্তাদের অভিযোগ, ইউরোপের কিছু রাজনীতিক এই অভিবাসন সংকটকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করার চেষ্টা করছেন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বিপুলসংখ্যক মানুষ মরক্কো থেকে সীমান্ত অতিক্রম করে সিউটায় প্রবেশ করেছেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে এটিকে সবচেয়ে বড় সীমান্ত অনুপ্রবেশের ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, এত বিপুলসংখ্যক অভিবাসীর আকস্মিক আগমনে স্থানীয় প্রশাসনের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে জায়গার সংকট দেখা দিয়েছে এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, স্পেনে প্রবেশের চেষ্টা করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের বেশিরভাগই সীমান্তের বাধা অতিক্রম করতে সাঁতরে যাওয়ার সময় ডুবে মারা গেছেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সীমান্তে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে স্পেন। একই সঙ্গে সীমান্তে শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।
এ ঘটনার পর অভিবাসন, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং মরক্কোর সঙ্গে স্পেনের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। পাশাপাশি ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও এ নিয়ে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
ইতালি ইউরোপের বহিঃসীমান্ত সুরক্ষায় ‘অসাধারণ ব্যবস্থা’ নেওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে। অন্যদিকে স্পেনের কর্মকর্তাদের অভিযোগ, ইউরোপের কিছু রাজনীতিক এই অভিবাসন সংকটকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করার চেষ্টা করছেন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে