তেলেগু সিনেমার ‘আইকন স্টার’ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করার অনেক আগে, আল্লু অর্জুন ছিলেন স্কুলের এক সাধারণ শিক্ষার্থী, যার হৃদয়জুড়ে রাজত্ব করতেন রুপালি পর্দার কিংবদন্তি অভিনেত্রী শ্রীদেবী। ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী ১৯৯৬ সালের ২ জুন যখন চলচ্চিত্র প্রযোজক বনি কাপুরকে বিয়ে করেন, তখন সেই খবর শুনে গভীর বেদনায় দিনভর কেঁদে কেটেছিলেন কিশোর আল্লু অর্জুন।
শৈশবের সেই তীব্র আবেগ ও একতরফা ভালোবাসার এক স্মৃতিকথায় এ তথ্য নিজেই প্রকাশ করেছিলেন এই দক্ষিণী তারকা। নিজের এই ভালোবাসাকে সাধারণ কোনো তারকা-মুগ্ধতা হিসেবে দেখতে নারাজ আল্লু অর্জুন।
পুরোনো এক সাক্ষাৎকারে শ্রীদেবীর প্রতি তার এই গভীর শ্রদ্ধাবোধ ও অনুরাগের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, শ্রীদেবীর প্রতি আমার প্রচণ্ড ক্রাশ ছিল। আমি তাকে এতটাই ভালোবাসতাম যে তার জায়গায় অন্য কাউকেই কল্পনা করতে পারতাম না। যখন জানতে পারলাম তিনি বনি কাপুরকে বিয়ে করেছেন, সেদিন সারা দিন আমি অঝোরে কেঁদেছিলাম। খবরটা কোনোভাবেই বিশ্বাস করতে পারছিলাম না।
পর্দায় শ্রীদেবীর উপস্থিতি তার কাছে অনন্য ও অতুলনীয় ছিল বলেই তিনি উল্লেখ করেন। ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখলে দেখা যায়, ১৯৯৬ সালের ২ জুন মহারাষ্ট্রের শিরডিতে অত্যন্ত গোপনীয়ভাবে বনি কাপুর ও শ্রীদেবীর বিবাহ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছিল। কেবল নিকটাত্মীয়দের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই বিয়ের খবরটি দীর্ঘ কয়েক মাস গোপন রাখা হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালের জানুয়ারি মাসে, যখন শ্রীদেবী তার প্রথম কন্যা জাহ্নবী কাপুরকে গর্ভে ধারণ করেন, তখনই আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
বনি কাপুরের প্রথম স্ত্রী মোনা শৌরি কাপুরের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক থাকাকালীনই শ্রীদেবীর সঙ্গে তার সম্পর্কের সূত্রপাত ঘটেছিল, যা তৎকালীন বলিউডে ব্যাপকভাবে আলোচিত ও চ্যাঞ্চল্যকর ঘটনার জন্ম দেয়।
আশির ও ৯০-এর দশকে বেড়ে ওঠা পুরো এক প্রজন্মের কাছে শ্রীদেবী ছিলেন ভারতীয় সিনেমার এক অবিসংবাদিত নারী মহাতারকা। ১৯৬৭ সালে মাত্র চার বছর বয়সে ‘কান্দান কারুনাই’ নামক তামিল চলচ্চিত্রের মাধ্যমে রুপালি জগতে তার পথচলা শুরু হয়। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তিনি তেলেগু, তামিল, হিন্দি, মালয়ালম ও কন্নড় ভাষায় ৩০০টিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে এক অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করেন। পরবর্তীতে ২০১৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ৫৪ বছর বয়সে দুবাইয়ের একটি হোটেল কক্ষের বাথটাবে দুর্ঘটনাবশত ডুবে গিয়ে এই কিংবদন্তি অভিনেত্রীর জীবনাবসান ঘটে।
মৃত্যুর পর তিনি স্বামী বনি কাপুর এবং দুই কন্যা জাহ্নবী কাপুর ও খুশি কাপুরকে রেখে যান।
ব্যক্তিগত জীবনে আল্লু অর্জুন বর্তমানে স্নেহা রেড্ডির সঙ্গে সুখী দাম্পত্য জীবনযাপন করছেন এবং এই দম্পতির আয়ান ও আরহা নামে দুই সন্তান রয়েছে।
ব্যবসায়িক সাফল্যের দিক থেকে ভারতীয় সিনেমার সর্বকালের অন্যতম ব্যবসাসফল ছবি ‘পুষ্পা ২: দ্য রুল’-এর অভাবনীয় সাফল্যের পর আল্লু অর্জুনের হাতে বর্তমানে বেশ কয়েকটি বড় বাজেটের ছবি রয়েছে। সান পিকচার্সের ব্যানারে পরিচালক অ্যাটলি কুমারের সঙ্গে তার বহুল আলোচিত বিজ্ঞান কল্পকাহিনিভিত্তিক ছবি ‘রাকা’ বর্তমানে নির্মাণাধীন রয়েছে, যেখানে তার বিপরীতে অভিনয় করছেন দীপিকা পাড়ুকোন। এ ছাড়া জনপ্রিয় পরিচালক লোকেশ কনগরাজের সঙ্গেও তার পরবর্তী একটি মেগা প্রকল্পের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
শৈশবের সেই তীব্র আবেগ ও একতরফা ভালোবাসার এক স্মৃতিকথায় এ তথ্য নিজেই প্রকাশ করেছিলেন এই দক্ষিণী তারকা। নিজের এই ভালোবাসাকে সাধারণ কোনো তারকা-মুগ্ধতা হিসেবে দেখতে নারাজ আল্লু অর্জুন।
পুরোনো এক সাক্ষাৎকারে শ্রীদেবীর প্রতি তার এই গভীর শ্রদ্ধাবোধ ও অনুরাগের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, শ্রীদেবীর প্রতি আমার প্রচণ্ড ক্রাশ ছিল। আমি তাকে এতটাই ভালোবাসতাম যে তার জায়গায় অন্য কাউকেই কল্পনা করতে পারতাম না। যখন জানতে পারলাম তিনি বনি কাপুরকে বিয়ে করেছেন, সেদিন সারা দিন আমি অঝোরে কেঁদেছিলাম। খবরটা কোনোভাবেই বিশ্বাস করতে পারছিলাম না।
পর্দায় শ্রীদেবীর উপস্থিতি তার কাছে অনন্য ও অতুলনীয় ছিল বলেই তিনি উল্লেখ করেন। ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখলে দেখা যায়, ১৯৯৬ সালের ২ জুন মহারাষ্ট্রের শিরডিতে অত্যন্ত গোপনীয়ভাবে বনি কাপুর ও শ্রীদেবীর বিবাহ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছিল। কেবল নিকটাত্মীয়দের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই বিয়ের খবরটি দীর্ঘ কয়েক মাস গোপন রাখা হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালের জানুয়ারি মাসে, যখন শ্রীদেবী তার প্রথম কন্যা জাহ্নবী কাপুরকে গর্ভে ধারণ করেন, তখনই আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
বনি কাপুরের প্রথম স্ত্রী মোনা শৌরি কাপুরের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক থাকাকালীনই শ্রীদেবীর সঙ্গে তার সম্পর্কের সূত্রপাত ঘটেছিল, যা তৎকালীন বলিউডে ব্যাপকভাবে আলোচিত ও চ্যাঞ্চল্যকর ঘটনার জন্ম দেয়।
আশির ও ৯০-এর দশকে বেড়ে ওঠা পুরো এক প্রজন্মের কাছে শ্রীদেবী ছিলেন ভারতীয় সিনেমার এক অবিসংবাদিত নারী মহাতারকা। ১৯৬৭ সালে মাত্র চার বছর বয়সে ‘কান্দান কারুনাই’ নামক তামিল চলচ্চিত্রের মাধ্যমে রুপালি জগতে তার পথচলা শুরু হয়। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তিনি তেলেগু, তামিল, হিন্দি, মালয়ালম ও কন্নড় ভাষায় ৩০০টিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে এক অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করেন। পরবর্তীতে ২০১৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ৫৪ বছর বয়সে দুবাইয়ের একটি হোটেল কক্ষের বাথটাবে দুর্ঘটনাবশত ডুবে গিয়ে এই কিংবদন্তি অভিনেত্রীর জীবনাবসান ঘটে।
মৃত্যুর পর তিনি স্বামী বনি কাপুর এবং দুই কন্যা জাহ্নবী কাপুর ও খুশি কাপুরকে রেখে যান।
ব্যক্তিগত জীবনে আল্লু অর্জুন বর্তমানে স্নেহা রেড্ডির সঙ্গে সুখী দাম্পত্য জীবনযাপন করছেন এবং এই দম্পতির আয়ান ও আরহা নামে দুই সন্তান রয়েছে।
ব্যবসায়িক সাফল্যের দিক থেকে ভারতীয় সিনেমার সর্বকালের অন্যতম ব্যবসাসফল ছবি ‘পুষ্পা ২: দ্য রুল’-এর অভাবনীয় সাফল্যের পর আল্লু অর্জুনের হাতে বর্তমানে বেশ কয়েকটি বড় বাজেটের ছবি রয়েছে। সান পিকচার্সের ব্যানারে পরিচালক অ্যাটলি কুমারের সঙ্গে তার বহুল আলোচিত বিজ্ঞান কল্পকাহিনিভিত্তিক ছবি ‘রাকা’ বর্তমানে নির্মাণাধীন রয়েছে, যেখানে তার বিপরীতে অভিনয় করছেন দীপিকা পাড়ুকোন। এ ছাড়া জনপ্রিয় পরিচালক লোকেশ কনগরাজের সঙ্গেও তার পরবর্তী একটি মেগা প্রকল্পের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে