কক্সবাজারের মহেশখালীতে ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির কারণে দেশজুড়ে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ কমে যাওয়ায় সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ হচ্ছে যানবাহনের সারি। একই সঙ্গে তীব্র গ্যাস সংকটে সাভার, গাজীপুর, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জের শিল্পাঞ্চলগুলোতে উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে তৈরি পোশাক, ডাইং ও নিটিং শিল্প।
রাজধানীসহ দেশের সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্যাসের পর্যাপ্ত চাপ না থাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও চাহিদামতো গ্যাস মিলছে না। অনেক পাম্পে বিক্রি সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। লাইন ম্যানেজাররা জানান, গ্যাসের চাপ কম থাকায় আগের চেয়ে তিন গুণ বেশি সময় দিয়েও সিলিন্ডার পুরোপুরি পূর্ণ করা যাচ্ছে না। ফলে পরিবহন চালকদের রোজগারে টান পড়ার পাশাপাশি পাম্পগুলোর কমিশন দিয়ে বিদ্যুৎ বিল তোলাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
গাজীপুর, সাভার ও আশুলিয়ার পোশাক ও ডাইং কারখানাগুলোতে গ্যাসের চাপ না থাকায় জেনারেটর এবং বয়লার স্বাভাবিকভাবে চালানো যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে অনেক কারখানায় বিকল্প হিসেবে ডিজেল ব্যবহার করায় উৎপাদন খরচ কয়েক গুণ বেড়ে গেছে, আবার কোথাও উৎপাদন নেমে এসেছে অর্ধেকে। ওভেন ও ডাইং কারখানাগুলোর মালিকদের আশঙ্কা, এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে সময়মতো পণ্য রপ্তানি করতে অতিরিক্ত খরচে এয়ার শিপমেন্ট করতে হবে, এমনকি অর্ডার বাতিল হওয়ারও ঝুঁকি রয়েছে।
শিল্পনগরী নরসিংদীতে কারখানার কর্মঘণ্টা চার ভাগের এক ভাগে নেমে এসেছে। অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জের সাড়ে ৫শ' গ্যাসনির্ভর শিল্প কারখানায় উৎপাদন মাত্র ২০ শতাংশে এসে ঠেকেছে। এই সংকটের মধ্যেও কিছু ফিলিং স্টেশনে নিয়ম বহির্ভূতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ কনটেইনারে সিলিন্ডার ভর্তি করে গ্যাস বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।
তিতাস গ্যাসের নারায়ণগঞ্জ জোনের উপমহাব্যবস্থাপক মো. মনজুর আজিজ মোহন জানান, সাম্প্রতিক এই সমস্যাটি সাময়িক। আশা করা যাচ্ছে আগামী ৮ থেকে ১০ দিনের মধ্যে এই গ্যাস সংকট নিরসন হবে।
তবে সংকটের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি এড়াতে শুধু আশ্বাস নয়, সরকারের কাছ থেকে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ ভোক্তা এবং শিল্প মালিকরা।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
রাজধানীসহ দেশের সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্যাসের পর্যাপ্ত চাপ না থাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও চাহিদামতো গ্যাস মিলছে না। অনেক পাম্পে বিক্রি সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। লাইন ম্যানেজাররা জানান, গ্যাসের চাপ কম থাকায় আগের চেয়ে তিন গুণ বেশি সময় দিয়েও সিলিন্ডার পুরোপুরি পূর্ণ করা যাচ্ছে না। ফলে পরিবহন চালকদের রোজগারে টান পড়ার পাশাপাশি পাম্পগুলোর কমিশন দিয়ে বিদ্যুৎ বিল তোলাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
গাজীপুর, সাভার ও আশুলিয়ার পোশাক ও ডাইং কারখানাগুলোতে গ্যাসের চাপ না থাকায় জেনারেটর এবং বয়লার স্বাভাবিকভাবে চালানো যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে অনেক কারখানায় বিকল্প হিসেবে ডিজেল ব্যবহার করায় উৎপাদন খরচ কয়েক গুণ বেড়ে গেছে, আবার কোথাও উৎপাদন নেমে এসেছে অর্ধেকে। ওভেন ও ডাইং কারখানাগুলোর মালিকদের আশঙ্কা, এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে সময়মতো পণ্য রপ্তানি করতে অতিরিক্ত খরচে এয়ার শিপমেন্ট করতে হবে, এমনকি অর্ডার বাতিল হওয়ারও ঝুঁকি রয়েছে।
শিল্পনগরী নরসিংদীতে কারখানার কর্মঘণ্টা চার ভাগের এক ভাগে নেমে এসেছে। অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জের সাড়ে ৫শ' গ্যাসনির্ভর শিল্প কারখানায় উৎপাদন মাত্র ২০ শতাংশে এসে ঠেকেছে। এই সংকটের মধ্যেও কিছু ফিলিং স্টেশনে নিয়ম বহির্ভূতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ কনটেইনারে সিলিন্ডার ভর্তি করে গ্যাস বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।
তিতাস গ্যাসের নারায়ণগঞ্জ জোনের উপমহাব্যবস্থাপক মো. মনজুর আজিজ মোহন জানান, সাম্প্রতিক এই সমস্যাটি সাময়িক। আশা করা যাচ্ছে আগামী ৮ থেকে ১০ দিনের মধ্যে এই গ্যাস সংকট নিরসন হবে।
তবে সংকটের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি এড়াতে শুধু আশ্বাস নয়, সরকারের কাছ থেকে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ ভোক্তা এবং শিল্প মালিকরা।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে