লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চরগাজী ইউনিয়নের বোবারপুল সেতুর দুই পাশের সংযোগ সড়ক ধসে খালে পড়েছে এক সপ্তাহ আগে। সড়কটি সংস্কারে এখনও উদ্যোগ দৃশ্যমান। দ্রুত এটি সংস্কারের দাবি স্থানীয়দের।
স্থানীয়রা জানায়, টানা বৃষ্টি ও মেঘনা নদীর জোয়ারের পানির তোড়ে এক সপ্তাহ আগে উপজেলার রামগতি-বয়ারচর সড়কের তেগাছিয়া বাজারের পূর্ব পাশে মোহাম্মদপুর মোল্লার খালের ওপর বোবারপুল সেতুর দুই পাশের সংযোগ সড়ক ধসে খালে পড়ে। এর পর থেকে রামগতি-বয়ারচর সড়কের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে চরগাজী ইউনিয়নের বয়ারচরসহ আশপাশের কয়েকটি এলাকার মানুষ।
এদিকে, সড়কটির ব্রিজঘাট এলাকার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের সামনের সেতুটির পূর্ব পাশের অংশও ধসে পড়েছে।
রামগতি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালে রামগতি বাজার থেকে বয়ারচরের টাংকির বাজার পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি পাকা করা হয়। ২০১৮ সালে সড়কটি দ্বিতীয়বার সংস্কার করা হয়। বর্তমানে অসংখ্য খানাখন্দ সৃষ্টি হওয়ায় সড়কটির বাকি অংশও ব্যবহারের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, সেতুর দুই পাশের সংযোগ সড়ক ধসে পড়ায় প্রায় বিচ্ছিন্ন। দুর্ঘটনা এড়াতে স্থানীয় ইউপি সদস্য শেখ ফরিদ সেতুটির দুই পাশে গাছের ডাল বসিয়ে রেখেছেন। সড়কের দুই পাশে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। বৃষ্টির পানি ও জোয়ারের স্রোতে যে কোনো সময় সড়কের বাকি অংশ ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের।
এদিকে, এলাকার প্রধান সড়কটি ভেঙে পড়ায় দুর্ভোগে পড়েছে বেশ কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদরাসার শিক্ষার্থীরা।
এ ছাড়া ভোগান্তিতে পড়েছে অসুস্থ রোগী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ যাত্রীরা।
স্থানীয়রা জানান, সড়কটি ব্যবহার করে তারা প্রতিদিন ব্রিজঘাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র, মোহাম্মদপুর তেগাছিয়া বাজার, চৌরাস্তা বাজার, টাংকি বাজার, হাতিয়া বাজার ও রামগতি উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করতেন। এছাড়া মালবাহী ট্রাক, পিকআপ, সিএনজি ও মোটরসাইকেল চলাচল করতো নিয়মিত। সড়কটি বিচ্ছিন্ন হওয়ায় কোনো বিকল্প পথ না থাকায় যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রহমান, নিজাম উদ্দিন, আবদুস সালাম ও বেলল হোসেন জানান, এক মাসের টানা বৃষ্টি ও মেঘনার অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে রামগতি-বয়ারচর প্রধান সড়কের দুই পাশ ভেঙে যায়। এতে ওই সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে আশপাশের কয়েকটি গ্রামের সঙ্গে জেলা ও উপজেলা সদরের যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানান তারা।
স্থানীয় ইউপি সদস্য শেখ ফরিদ বলেন, এক সাপ্তাহ ধরে বয়ারচরের মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। নিরুপায় হয়ে আমি নিজ উদ্যোগে গাছপালা দিয়ে কোনোরকম জোড়াতালির মাধ্যমে চলাচলের চেষ্টা করছি।
রামগতি উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রকৌশলী স্নেহাল রায় বলেন, মেঘনার জোয়ারের স্রোত ও টানা বৃষ্টির কারণে সড়ক ধসে পড়েছে। খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্যের সহায়তায় সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।’
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
স্থানীয়রা জানায়, টানা বৃষ্টি ও মেঘনা নদীর জোয়ারের পানির তোড়ে এক সপ্তাহ আগে উপজেলার রামগতি-বয়ারচর সড়কের তেগাছিয়া বাজারের পূর্ব পাশে মোহাম্মদপুর মোল্লার খালের ওপর বোবারপুল সেতুর দুই পাশের সংযোগ সড়ক ধসে খালে পড়ে। এর পর থেকে রামগতি-বয়ারচর সড়কের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে চরগাজী ইউনিয়নের বয়ারচরসহ আশপাশের কয়েকটি এলাকার মানুষ।
এদিকে, সড়কটির ব্রিজঘাট এলাকার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের সামনের সেতুটির পূর্ব পাশের অংশও ধসে পড়েছে।
রামগতি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালে রামগতি বাজার থেকে বয়ারচরের টাংকির বাজার পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি পাকা করা হয়। ২০১৮ সালে সড়কটি দ্বিতীয়বার সংস্কার করা হয়। বর্তমানে অসংখ্য খানাখন্দ সৃষ্টি হওয়ায় সড়কটির বাকি অংশও ব্যবহারের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, সেতুর দুই পাশের সংযোগ সড়ক ধসে পড়ায় প্রায় বিচ্ছিন্ন। দুর্ঘটনা এড়াতে স্থানীয় ইউপি সদস্য শেখ ফরিদ সেতুটির দুই পাশে গাছের ডাল বসিয়ে রেখেছেন। সড়কের দুই পাশে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। বৃষ্টির পানি ও জোয়ারের স্রোতে যে কোনো সময় সড়কের বাকি অংশ ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের।
এদিকে, এলাকার প্রধান সড়কটি ভেঙে পড়ায় দুর্ভোগে পড়েছে বেশ কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদরাসার শিক্ষার্থীরা।
এ ছাড়া ভোগান্তিতে পড়েছে অসুস্থ রোগী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ যাত্রীরা।
স্থানীয়রা জানান, সড়কটি ব্যবহার করে তারা প্রতিদিন ব্রিজঘাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র, মোহাম্মদপুর তেগাছিয়া বাজার, চৌরাস্তা বাজার, টাংকি বাজার, হাতিয়া বাজার ও রামগতি উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করতেন। এছাড়া মালবাহী ট্রাক, পিকআপ, সিএনজি ও মোটরসাইকেল চলাচল করতো নিয়মিত। সড়কটি বিচ্ছিন্ন হওয়ায় কোনো বিকল্প পথ না থাকায় যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রহমান, নিজাম উদ্দিন, আবদুস সালাম ও বেলল হোসেন জানান, এক মাসের টানা বৃষ্টি ও মেঘনার অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে রামগতি-বয়ারচর প্রধান সড়কের দুই পাশ ভেঙে যায়। এতে ওই সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে আশপাশের কয়েকটি গ্রামের সঙ্গে জেলা ও উপজেলা সদরের যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানান তারা।
স্থানীয় ইউপি সদস্য শেখ ফরিদ বলেন, এক সাপ্তাহ ধরে বয়ারচরের মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। নিরুপায় হয়ে আমি নিজ উদ্যোগে গাছপালা দিয়ে কোনোরকম জোড়াতালির মাধ্যমে চলাচলের চেষ্টা করছি।
রামগতি উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রকৌশলী স্নেহাল রায় বলেন, মেঘনার জোয়ারের স্রোত ও টানা বৃষ্টির কারণে সড়ক ধসে পড়েছে। খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্যের সহায়তায় সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।’
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন