টেকনাফ পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদকে সোমবার (২৭ জুলাই) দিবাগত রাতে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ২০১৮ সালে একরামুল নিহত হওয়ার সময় তিনি লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে র্যাব-৭-এর অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন।
রবিবার (২৬ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলাটির অভিযোগপত্র দাখিল করে প্রসিকিউশন। এতে মিফতাহ উদ্দিন আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আসামি করা হয়। পরে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ ঢাকা সেনানিবাসের স্বপ্নচূড়া-১ ভবনের ৫১৬ নম্বর কক্ষে অবস্থান করছিলেন। সোমবার রাত ১০টা ৩৯ মিনিটের দিকে তাকে সেখান থেকে সেনাসদরের পুরোনো মেসে নেওয়া হয়। স্থানটি ‘লগ এরিয়া’ নামেও পরিচিত।
সহকারী অ্যাডজুট্যান্ট অ্যান্ড কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেলের তত্ত্বাবধানে তাকে সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।
২০১৮ সালের ২৭ মে কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভার তৎকালীন কাউন্সিলর একরামুল হক র্যাব-৭-এর সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন। ওই সময় র্যাবের পক্ষ থেকে তাকে মাদক কারবারি হিসেবে দাবি করা হয়েছিল। তবে একরামুলের পরিবার শুরু থেকেই এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করে আসছিল।
ঘটনার পর একরামুলের পরিবারের কাছে থাকা একটি ফোনালাপের অডিও রেকর্ড প্রকাশ্যে আসে। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, র্যাবের হেফাজতে থাকা অবস্থায় একরামুল মোবাইল ফোনে স্ত্রী ও মেয়েদের সঙ্গে কথা বলছিলেন। একপর্যায়ে ফোনের অপর প্রান্ত থেকে গুলির শব্দ শোনা যায়।
ওই অডিও ছড়িয়ে পড়ার পর কথিত বন্দুকযুদ্ধের বর্ণনা নিয়ে দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক ও ক্ষোভ তৈরি হয়। মানবাধিকার সংগঠনগুলো ঘটনার স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করে।
মানবাধিকার লঙ্ঘন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এবং সংস্থাটির বর্তমান ও সাবেক কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। সে সময় নিষেধাজ্ঞার তালিকায় মিফতাহ উদ্দিন আহমেদের নামও ছিল।
দীর্ঘদিন পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একরামুল হত্যা মামলার অভিযোগপত্র দাখিল এবং সাবেক র্যাব অধিনায়ককে হেফাজতে নেওয়ার মধ্য দিয়ে আলোচিত ঘটনাটির বিচারিক প্রক্রিয়া নতুন করে শুরু হলো।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
রবিবার (২৬ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলাটির অভিযোগপত্র দাখিল করে প্রসিকিউশন। এতে মিফতাহ উদ্দিন আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আসামি করা হয়। পরে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ ঢাকা সেনানিবাসের স্বপ্নচূড়া-১ ভবনের ৫১৬ নম্বর কক্ষে অবস্থান করছিলেন। সোমবার রাত ১০টা ৩৯ মিনিটের দিকে তাকে সেখান থেকে সেনাসদরের পুরোনো মেসে নেওয়া হয়। স্থানটি ‘লগ এরিয়া’ নামেও পরিচিত।
সহকারী অ্যাডজুট্যান্ট অ্যান্ড কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেলের তত্ত্বাবধানে তাকে সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।
২০১৮ সালের ২৭ মে কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভার তৎকালীন কাউন্সিলর একরামুল হক র্যাব-৭-এর সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন। ওই সময় র্যাবের পক্ষ থেকে তাকে মাদক কারবারি হিসেবে দাবি করা হয়েছিল। তবে একরামুলের পরিবার শুরু থেকেই এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করে আসছিল।
ঘটনার পর একরামুলের পরিবারের কাছে থাকা একটি ফোনালাপের অডিও রেকর্ড প্রকাশ্যে আসে। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, র্যাবের হেফাজতে থাকা অবস্থায় একরামুল মোবাইল ফোনে স্ত্রী ও মেয়েদের সঙ্গে কথা বলছিলেন। একপর্যায়ে ফোনের অপর প্রান্ত থেকে গুলির শব্দ শোনা যায়।
ওই অডিও ছড়িয়ে পড়ার পর কথিত বন্দুকযুদ্ধের বর্ণনা নিয়ে দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক ও ক্ষোভ তৈরি হয়। মানবাধিকার সংগঠনগুলো ঘটনার স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করে।
মানবাধিকার লঙ্ঘন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এবং সংস্থাটির বর্তমান ও সাবেক কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। সে সময় নিষেধাজ্ঞার তালিকায় মিফতাহ উদ্দিন আহমেদের নামও ছিল।
দীর্ঘদিন পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একরামুল হত্যা মামলার অভিযোগপত্র দাখিল এবং সাবেক র্যাব অধিনায়ককে হেফাজতে নেওয়ার মধ্য দিয়ে আলোচিত ঘটনাটির বিচারিক প্রক্রিয়া নতুন করে শুরু হলো।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন