কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের পর সোমবার (২৭ জুলাই) ভারতের সংসদে পৌঁছালে ধর্মেন্দ্র প্রধানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান বিজেপি ও এনডিএ জোটের সংসদ সদস্যরা। এ সময় ‘ধর্মেন্দ্র প্রধান জিন্দাবাদ’ স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে সংসদ চত্বর। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে তীব্র সমালোচনা করেছে বিরোধী দল কংগ্রেস।
সংসদে পৌঁছে ধর্মেন্দ্র প্রধান গাড়ি থেকে নেমে উপস্থিত সবার উদ্দেশে হাতজোড় করে শুভেচ্ছা জানান। পরে বিজেপি ও এনডিএর সংসদ সদস্যরা তাকে ঘিরে ধরেন। এক পর্যায়ে একজন এমপি তার মাথায় ঐতিহ্যবাহী টুপি পরিয়ে দেন এবং কাঁধে শাল তুলে দেন। ওড়িশ্যার এই নেতার প্রতি সমর্থন জানিয়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তারা।
এ ঘটনার সমালোচনা করে কংগ্রেসের রাজ্যসভার সদস্য রেণুকা চৌধুরী বলেন, ‘বিলকিস বানোর ধর্ষণ মামলার দণ্ডিতদের ক্ষেত্রেও তারা একই কাজ করেছিল। এটাই তাদের অভ্যাস।’
২০২২ সালে গুজরাট সরকার ২০০২ সালের গুজরাট দাঙ্গার সময় বিলকিস বানোকে ধর্ষণ এবং তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার দায়ে দণ্ডিত ১১ ব্যক্তিকে ‘ভালো আচরণের’ ভিত্তিতে আগাম মুক্তি দেয়। কারামুক্তির পর গোধরা কারাগারের বাইরে তাদের মিষ্টি খাইয়ে ও পা ছুঁয়ে শুভেচ্ছা জানান স্বজনরা। সেই ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল।
নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা ছাত্র আন্দোলনের মুখে শনিবার শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়। দিল্লির যন্তর মন্তরে শুরু হওয়া বিক্ষোভ পরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।
পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে এক্সে প্রকাশিত বিবৃতিতে ধর্মেন্দ্র প্রধান জানান, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন।
চিঠিতে তিনি বলেন, ‘গত ১০ দিনের ঘটনাবলি আমাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। এটি আমার ব্যক্তিগত মর্যাদার বিষয় নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘ভারতের তরুণরাই দেশের প্রকৃত শক্তি। দেশের যুবসমাজকে বিভ্রান্তির চক্রে আটকে পড়তে দেওয়া যাবে না।’
অন্যদিকে, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) দাবি করে, সরকারের সঙ্গে আলোচনায় তাদের সব দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। তাই তারা এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
সংসদে পৌঁছে ধর্মেন্দ্র প্রধান গাড়ি থেকে নেমে উপস্থিত সবার উদ্দেশে হাতজোড় করে শুভেচ্ছা জানান। পরে বিজেপি ও এনডিএর সংসদ সদস্যরা তাকে ঘিরে ধরেন। এক পর্যায়ে একজন এমপি তার মাথায় ঐতিহ্যবাহী টুপি পরিয়ে দেন এবং কাঁধে শাল তুলে দেন। ওড়িশ্যার এই নেতার প্রতি সমর্থন জানিয়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তারা।
এ ঘটনার সমালোচনা করে কংগ্রেসের রাজ্যসভার সদস্য রেণুকা চৌধুরী বলেন, ‘বিলকিস বানোর ধর্ষণ মামলার দণ্ডিতদের ক্ষেত্রেও তারা একই কাজ করেছিল। এটাই তাদের অভ্যাস।’
২০২২ সালে গুজরাট সরকার ২০০২ সালের গুজরাট দাঙ্গার সময় বিলকিস বানোকে ধর্ষণ এবং তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার দায়ে দণ্ডিত ১১ ব্যক্তিকে ‘ভালো আচরণের’ ভিত্তিতে আগাম মুক্তি দেয়। কারামুক্তির পর গোধরা কারাগারের বাইরে তাদের মিষ্টি খাইয়ে ও পা ছুঁয়ে শুভেচ্ছা জানান স্বজনরা। সেই ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল।
নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা ছাত্র আন্দোলনের মুখে শনিবার শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়। দিল্লির যন্তর মন্তরে শুরু হওয়া বিক্ষোভ পরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।
পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে এক্সে প্রকাশিত বিবৃতিতে ধর্মেন্দ্র প্রধান জানান, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন।
চিঠিতে তিনি বলেন, ‘গত ১০ দিনের ঘটনাবলি আমাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। এটি আমার ব্যক্তিগত মর্যাদার বিষয় নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘ভারতের তরুণরাই দেশের প্রকৃত শক্তি। দেশের যুবসমাজকে বিভ্রান্তির চক্রে আটকে পড়তে দেওয়া যাবে না।’
অন্যদিকে, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) দাবি করে, সরকারের সঙ্গে আলোচনায় তাদের সব দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। তাই তারা এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে