দীর্ঘ তিন মাস ১৫ দিন বন্ধ থাকার পর আগামী ১১ আগস্ট থেকে কাপ্তাই হ্রদে মৎস্য আহরণ শুরু হতে যাচ্ছে। সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কাপ্তাই হ্রদ হতে মৎস্য আহরণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ সংক্রান্ত কমিটির সভা থেকে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
জানা গেছে, চলতি বছরের ২৫ এপ্রিল থেকে কাপ্তাই হ্রদে মাছ আহরণ বন্ধ রয়েছে। প্রতি বছর কাপ্তাই হ্রদের মৎস্য সম্পদের সুষ্ঠু প্রজনন, বংশবৃদ্ধি, মজুদ ও ভারসাম্য রক্ষার লক্ষে সকল প্রকার মৎস্য সম্পদের আহরণের ওপর তিন মাস নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। ৩১ জুলাই পর্যন্ত মাছ আহরণ বন্ধের সময়সীমা থাকলেও হ্রদের পানি এবং মৎস্যসম্পদ প্রজননের গতি প্রকৃতি বিশ্লেষণ করে আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত হ্রদে মৎস্য আহরণ বন্ধের সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়।
সভায় উপস্থিত কর্মকর্তা, মৎস্যজীবী ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা ১০ দিন বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়ে বলেন, ভারি বষণ ও পাহাড়ি ঢলে দ্রুত কাপ্তাই হ্রদেও পানি বাড়লেও মাছের গঠন বৃদ্ধি পায়নি।
এছাড়া এখনো কাপ্তাই হ্রদের পানির রং ঘোলা রয়েছে যা মাছ আহরণের ক্ষেত্রে বড় বাধা। এ সময় জেলেরা মাছ ধরার ক্ষেত্রে নানা প্রতিকুলতার মুখোমুখি হন। তাই কাপ্তাই হ্রদের মৎস্য সম্পদের সুষ্ঠু বিকাশ, মৎস্যজীবী ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি কাপ্তাই হ্রদের পরিবেশ রক্ষায়ও বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।
কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কপোরেশন (বিএফডিসি) রাঙামাটির ব্যবস্থাপক ফয়েজ আল করিম, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট রাঙামাটির প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হায়দার হোসেনসহ মৎস্য ব্যবসায়ী ও মৎস্যজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
জানা গেছে, চলতি বছরের ২৫ এপ্রিল থেকে কাপ্তাই হ্রদে মাছ আহরণ বন্ধ রয়েছে। প্রতি বছর কাপ্তাই হ্রদের মৎস্য সম্পদের সুষ্ঠু প্রজনন, বংশবৃদ্ধি, মজুদ ও ভারসাম্য রক্ষার লক্ষে সকল প্রকার মৎস্য সম্পদের আহরণের ওপর তিন মাস নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। ৩১ জুলাই পর্যন্ত মাছ আহরণ বন্ধের সময়সীমা থাকলেও হ্রদের পানি এবং মৎস্যসম্পদ প্রজননের গতি প্রকৃতি বিশ্লেষণ করে আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত হ্রদে মৎস্য আহরণ বন্ধের সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়।
সভায় উপস্থিত কর্মকর্তা, মৎস্যজীবী ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা ১০ দিন বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়ে বলেন, ভারি বষণ ও পাহাড়ি ঢলে দ্রুত কাপ্তাই হ্রদেও পানি বাড়লেও মাছের গঠন বৃদ্ধি পায়নি।
এছাড়া এখনো কাপ্তাই হ্রদের পানির রং ঘোলা রয়েছে যা মাছ আহরণের ক্ষেত্রে বড় বাধা। এ সময় জেলেরা মাছ ধরার ক্ষেত্রে নানা প্রতিকুলতার মুখোমুখি হন। তাই কাপ্তাই হ্রদের মৎস্য সম্পদের সুষ্ঠু বিকাশ, মৎস্যজীবী ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি কাপ্তাই হ্রদের পরিবেশ রক্ষায়ও বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।
কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কপোরেশন (বিএফডিসি) রাঙামাটির ব্যবস্থাপক ফয়েজ আল করিম, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট রাঙামাটির প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হায়দার হোসেনসহ মৎস্য ব্যবসায়ী ও মৎস্যজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন