বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন সদ্যনিয়োগপ্রাপ্ত ডা. মনিরুজ্জামানের অপসারণে দাবিতে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা। রবিবার বেলা ১১টার দিকে বরিশার সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন তারা।
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা দাবি করেন, বিতর্কিত ও শাস্তিপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে যা তারা মেনে নেবেন না। পরে তারা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে গিয়ে জানতে পারেন ডা. মনিরুজ্জামান যোগদানের শেষ দিন হলেও অফিসে যোগ দেননি। এরপর বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তার নির্ধারিত কক্ষের দরজায় প্রতীকীভাবে তালা ঝুলিয়ে দেন।
ছাত্র অধিকার পরিষদ বরিশার জেলার সভাপতি সাব্বির হোসেন বলেন, ‘যার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে, তাকে বরিশালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
আমরা চাই, বিতর্কমুক্ত ও সৎ কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হোক।’
নবনিযুক্ত সিভিল সার্জন ডাক্তার মো. মনিরুজ্জামান কালের কণ্ঠকে বলেন, গত ২১ জুলাই আমাকে বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আমি ২৩ জুলাই যোগদান করেছি। তবে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন আমাকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়োগ দিয়েছেন।
তারা জানেন আমি দোসর কিনা? সুতরাং এ বিষয়ে আমি আর কিছু বলতে চাই না।
প্রসঙ্গত, গত ২১ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কার্যালয় নিযুক্ত ডা. মো. মনিরুজ্জামানকে বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগ প্রদান করে স্বাস্থ্য বিভাগ। আজ রবিবার(২৬ জুলাই) তার যোগদানের শেষ দিন ছিল। এর আগে গত ২৩ জুলাই তিনি যোগদান করেছেন। তবে তিনি যোগদান করেননি এমনটি ভেবে যোগদানে বাধা দিতে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রেখেছিল আন্দোলনকারীরা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা দাবি করেন, বিতর্কিত ও শাস্তিপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে যা তারা মেনে নেবেন না। পরে তারা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে গিয়ে জানতে পারেন ডা. মনিরুজ্জামান যোগদানের শেষ দিন হলেও অফিসে যোগ দেননি। এরপর বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তার নির্ধারিত কক্ষের দরজায় প্রতীকীভাবে তালা ঝুলিয়ে দেন।
ছাত্র অধিকার পরিষদ বরিশার জেলার সভাপতি সাব্বির হোসেন বলেন, ‘যার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে, তাকে বরিশালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
আমরা চাই, বিতর্কমুক্ত ও সৎ কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হোক।’
নবনিযুক্ত সিভিল সার্জন ডাক্তার মো. মনিরুজ্জামান কালের কণ্ঠকে বলেন, গত ২১ জুলাই আমাকে বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আমি ২৩ জুলাই যোগদান করেছি। তবে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন আমাকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়োগ দিয়েছেন।
তারা জানেন আমি দোসর কিনা? সুতরাং এ বিষয়ে আমি আর কিছু বলতে চাই না।
প্রসঙ্গত, গত ২১ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কার্যালয় নিযুক্ত ডা. মো. মনিরুজ্জামানকে বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগ প্রদান করে স্বাস্থ্য বিভাগ। আজ রবিবার(২৬ জুলাই) তার যোগদানের শেষ দিন ছিল। এর আগে গত ২৩ জুলাই তিনি যোগদান করেছেন। তবে তিনি যোগদান করেননি এমনটি ভেবে যোগদানে বাধা দিতে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রেখেছিল আন্দোলনকারীরা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন