​উত্তাল মেঘনা পাড়ি দিয়ে পাঠগ্রহণ

আপলোড সময় : ২৫-০৭-২০২৬ ০৫:১৪:৪২ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৫-০৭-২০২৬ ০৫:১৪:৪২ অপরাহ্ন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের মেঘনা নদীতে জেগে উঠা শতবছরের চর সোনারামপুর গ্রাম। এই গ্রামের বেশির ভাগ মানুষই কৃষক ও জেলে সম্প্রদায়ের। এর উপরই তাদের জীবিকা ও সংসার চলে। এক সময় কুপির আলোয়ে জীবন চললেও এখন আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে। গ্রামটিতে শিক্ষার আলো না থাকলেও এখন দিন দিন তারা শিক্ষার দিকে প্রসার হচ্ছেন।  

এই গ্রাম থেকে প্রতিদিন শিক্ষার্থীরা নৌকায় করে পাঠগ্রহণের জন্য আসেন নদীর ওপারের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। গ্রামে প্রাথিমক বিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়ে হাইস্কুল অথবা কলেজের পড়ার জন্য তাদের নিয়মিত আসতে হয় উত্তাল মেঘনা পারাপার হয়ে। তবে বর্ষা মৌসুমে নদীতে প্রবল ঢেউ থাকাতে তাদের আসা-যাওয়া হয়ে পড়ে ঝুঁকিপূর্ণ। তবুও তারা শিক্ষা অর্জনের জন্য ঝুঁকি নিয়ে পাঠগ্রহণে যাচ্ছে। 

কথা হয় চরসোনারামপুর গ্রামের শিক্ষার্থী টুম্পা রানী দাসের সাথে। সে বলে, পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পড়েছি নিজ গ্রামের বিদ্যালয়ে। হাইস্কুলে পড়ার জন্য নদীর ওপারে উপশহরে একটি স্কুলে ভর্তি হয়েছি। তবে আমাদের স্কুলে যাওয়ার যাত্রাপথ অনেকটা কঠিন। মেঘনা নদীতে অনেক ঢেউ থাকে। নৌকা উঠার সময় ভয় ভয় লাগে। তারপরও নিয়মিত স্কুলে যাচ্ছি।

নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী সুবল দাস বলেন, প্রতিদিন আমরা অর্ধশত শিক্ষার্থী চরসোনারামপুর গ্রাম থেকে নৌকায় করে নদীর এপারে আসি। বর্ষা মৌসুমে নদীতে প্রবল ঢেউ থাকে, তখন ঝুঁকিতে পড়ে আমাদের যাত্রা। 

অন্যান্য শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা চর এলাকার মানুষ। আমাদের গ্রামে সরকার হাই স্কুল ও কলেজ স্থাপন করে দিলে আমাদের কষ্ট কমে যাবে।

বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :