দেশে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে হামের প্রাদুর্ভাব। গত ২৪ ঘণ্টায় (২১ জুলাই সকাল ৮টা থেকে ২২ জুলাই সকাল ৮টা পর্যন্ত) হামের উপসর্গ বা সন্দেহভাজন হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৪ জন এবং সিলেট বিভাগে ২ জন রয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র ও হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
২৪ ঘণ্টার পরিস্থিতি ও শনাক্তের চিত্র
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৯০৪ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে ল্যাব পরীক্ষার মাধ্যমে ১৩৩ জনের দেহে নিশ্চিতভাবে হামের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ৮৩৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮৮৩ জন।
বিভাগভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ৩৪৫ জন সন্দেহভাজন ও ৫২ জন নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। ঢাকাতেই সবচেয়ে বেশি ৪ জনের মৃত্যু ঘটেছে। অন্যদিকে চট্টগ্রামে ২২২ জন, বরিশালে ১১৬ জন, সিলেটে ৭১ জন, ময়মনসিংহে ৫৫ জন, খুলনায় ৫২ জন, রাজশাহীতে ৩৩ জন এবং রংপুরে ১০ জন সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছে।
এক নজরে ২৪ ঘণ্টার পরিসংখ্যান
সন্দেহভাজন আক্রান্ত: ৯০৪ জন
নিশ্চিত আক্রান্ত: ১৩৩ জন
নতুন ভর্তি: ৮৩৪ জন
সুস্থ হয়ে ছাড়প্রাপ্ত: ৮৮৩ জন
২৪ ঘণ্টায় মোট মৃত্যু (সন্দেহভাজন): ৬ জন
সার্বিক পরিস্থিতি ও টিকাদান কার্যক্রম
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত সারাদেশে মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১,২০,৩৫২ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা ১৪,৮৪১ জন। গত চার মাসে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্ত হয়ে মোট ৭০৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ৯৫ জনের ক্ষেত্রে হামের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে। অদ্যাবধি হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯৯,২৯৪ জন।
এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জাতীয় হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি ২০২৬ জোরদার করা হয়েছে। দেশব্যাপী ১ কোটি ৮৪ লাখ ৮২ হাজার ৩৫ জন লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ইতোমধ্যে ১ কোটি ৮০ লাখ ১৫ হাজার ৬৪ জনকে টিকা দেওয়া সম্পন্ন হয়েছে, যার সার্বিক কাভারেজ ১০৩%।
এছাড়া ঢাকা উত্তর (১১০%), চট্টগ্রাম (১১০%), গাজীপুর (১১৪%) ও রাজশাহী (১০৯%) সিটি কর্পোরেশনসহ দেশের ১২টি সিটি কর্পোরেশন এলাকায় মোট ২০ লাখ ৩-হাজার ৭৩ জনকে টিকা প্রদান করা হয়েছে, যা তাদের অর্জিত লক্ষ্যমাত্রার ১০৭%।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
বুধবার (২২ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র ও হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
২৪ ঘণ্টার পরিস্থিতি ও শনাক্তের চিত্র
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৯০৪ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে ল্যাব পরীক্ষার মাধ্যমে ১৩৩ জনের দেহে নিশ্চিতভাবে হামের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ৮৩৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮৮৩ জন।
বিভাগভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ৩৪৫ জন সন্দেহভাজন ও ৫২ জন নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। ঢাকাতেই সবচেয়ে বেশি ৪ জনের মৃত্যু ঘটেছে। অন্যদিকে চট্টগ্রামে ২২২ জন, বরিশালে ১১৬ জন, সিলেটে ৭১ জন, ময়মনসিংহে ৫৫ জন, খুলনায় ৫২ জন, রাজশাহীতে ৩৩ জন এবং রংপুরে ১০ জন সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছে।
এক নজরে ২৪ ঘণ্টার পরিসংখ্যান
সন্দেহভাজন আক্রান্ত: ৯০৪ জন
নিশ্চিত আক্রান্ত: ১৩৩ জন
নতুন ভর্তি: ৮৩৪ জন
সুস্থ হয়ে ছাড়প্রাপ্ত: ৮৮৩ জন
২৪ ঘণ্টায় মোট মৃত্যু (সন্দেহভাজন): ৬ জন
সার্বিক পরিস্থিতি ও টিকাদান কার্যক্রম
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত সারাদেশে মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১,২০,৩৫২ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা ১৪,৮৪১ জন। গত চার মাসে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্ত হয়ে মোট ৭০৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ৯৫ জনের ক্ষেত্রে হামের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে। অদ্যাবধি হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯৯,২৯৪ জন।
এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জাতীয় হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি ২০২৬ জোরদার করা হয়েছে। দেশব্যাপী ১ কোটি ৮৪ লাখ ৮২ হাজার ৩৫ জন লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ইতোমধ্যে ১ কোটি ৮০ লাখ ১৫ হাজার ৬৪ জনকে টিকা দেওয়া সম্পন্ন হয়েছে, যার সার্বিক কাভারেজ ১০৩%।
এছাড়া ঢাকা উত্তর (১১০%), চট্টগ্রাম (১১০%), গাজীপুর (১১৪%) ও রাজশাহী (১০৯%) সিটি কর্পোরেশনসহ দেশের ১২টি সিটি কর্পোরেশন এলাকায় মোট ২০ লাখ ৩-হাজার ৭৩ জনকে টিকা প্রদান করা হয়েছে, যা তাদের অর্জিত লক্ষ্যমাত্রার ১০৭%।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে