পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আলোচিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা নুরুজ্জামান কাফির বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। একই মামলায় তাঁর বাবা এবিএম হাবিবুর রহমান ও বড় ভাই মো. মামুনকে আসামি করা হয়েছে। কলাপাড়া পৌর শহরের খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম কলাপাড়ার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রোববার (১৯ জুলাই) মামলাটি দায়ের করেন।
আদালত মামলাটি (নং ৭৩৯) আমলে নিয়ে কলাপাড়া থানার ওসিকে ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। তবে কাফি বলে আসছেন, রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্নের জন্য তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ সাজিয়ে পরিকল্পিতভাবে এসব করা হচ্ছে। এর এসবের সুষ্ঠু তদন্ত চেয়েছেন তিনিও।
মামলায় বলা হয়েছে, গত ১১ জুলাই সকালে রজাপাড়া গ্রামের নুরুজ্জামান কাফি, তার বাবা এবিএম হাবিবুর রহমান ও বড় ভাই মামুন মাটি কাটার ভেকু মেশিন, ভ্যান, কোদাল এবং খোয়া নিয়ে খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের রেকর্ডীয় রজপাড়া মৌজার জমির মাটি কেটে আকার-আকৃতি পরিবর্তন করে চলাচলের রাস্তা তৈরির চেষ্টা করে। খবর পেয়ে বিদ্যালয়ের ৫ জন সহকারী শিক্ষক নিয়ে প্রধান শিক্ষক ঘটনাস্থলে যান এবং রাস্তা তৈরিতে বাধা দেন। এতে কাফি ক্ষিপ্ত হয়ে আবদুর রহিমের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। শিক্ষকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন এবং ধাক্কাধাক্কি করে তাদের খুন জখমের ভয়ভীতি দেখায়। পরে কাফি, তার পিতা ও বড় ভাই ১১০ ফুট দৈর্ঘ্যের ও ৩০ ফুট প্রস্থের প্রায় ৬ শতাংশ জমির অন্তত এক লক্ষ টাকার মাটি কেটে ট্রলি গাড়িতে তুলে বাড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় স্তূপ করে রাখে এবং ওই জমিতে ছোট ছোট পাথর ফেলে রাস্তা তৈরি করে। এতে প্রায় ৫ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে আবদুর রহিম মামলায় দাবি করেছেন।
আবদুর রহিম বলেন, ‘কলাপাড়ার বি.এস. জে.এল নং-৯ রজপাড়া মৌজার বি.এস খতিয়ান নং-১২ এর বিভিন্ন দাগে মোট ২১ একর ৭৬ শতক জমির মালিক খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন যাবৎ শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখলে থেকে সরকারি খাসজমিসহ নির্ধারিত সীমানায় অবস্থান করে আসছেন। ঘটনার পরে আমি তাদের স্থানীয়ভাবে আপোষ-মীমাংসার চেষ্টা করি। কিন্তু কাফিসহ তার পরিবার আপোষ-মীমাংসায় রাজি হয়নি। পরে আমি কলাপাড়া থানায় মামলা করতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ আমাকে বিজ্ঞ আদালতে মামলা করার পরামর্শ প্রদান করেন। পরে আদালতে মামলা করি।’
নুরুজ্জামান কাফি বলেন, ‘বিরোধীয় এই জমি নিয়ে দীর্ঘদিন মামলা চলার পরে আদালত যাদের পক্ষে রায় দিয়েছেন এখন তারাই মূল মালিক। ওই জমির মূল ওয়ারিশগণ দীর্ঘদিন মামলা চালিয়ে সুপ্রিম কোর্ট থেকে রায় পেয়েছেন। তাদের কাছ থেকে আমি বায়না সূত্রে ক্রয় করি। মালিকপক্ষ জমি বুঝিয়ে দেওয়ার পর আমি রাস্তা নির্মাণ করি। স্কুলের প্রধান শিক্ষক রহিম স্যারের সাথে আমার কোনদিন সামনাসামনি দেখা হয়নি, কথাও হয়নি। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করলেই এর আসল সত্য বেরিয়ে আসবে। মূলত রাজনৈতিকভাবে এবং আমার ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্নের জন্য এ মামলাটি করা হয়েছে।’
কলাপাড়া সিনিয়র জুডিশিয়াল আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো: ফেরদৌস মিয়া বলেন, মামলাটি রুজু করা হয়েছে। বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে তদন্ত সাপেক্ষে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।
কলাপাড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো: ইলিয়াস তালুকদার জানান, মামলাটি এখন পর্যন্ত থানায় পৌছেনি। বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশনা যথাযথভাবে পালন করা হবে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
আদালত মামলাটি (নং ৭৩৯) আমলে নিয়ে কলাপাড়া থানার ওসিকে ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। তবে কাফি বলে আসছেন, রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্নের জন্য তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ সাজিয়ে পরিকল্পিতভাবে এসব করা হচ্ছে। এর এসবের সুষ্ঠু তদন্ত চেয়েছেন তিনিও।
মামলায় বলা হয়েছে, গত ১১ জুলাই সকালে রজাপাড়া গ্রামের নুরুজ্জামান কাফি, তার বাবা এবিএম হাবিবুর রহমান ও বড় ভাই মামুন মাটি কাটার ভেকু মেশিন, ভ্যান, কোদাল এবং খোয়া নিয়ে খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের রেকর্ডীয় রজপাড়া মৌজার জমির মাটি কেটে আকার-আকৃতি পরিবর্তন করে চলাচলের রাস্তা তৈরির চেষ্টা করে। খবর পেয়ে বিদ্যালয়ের ৫ জন সহকারী শিক্ষক নিয়ে প্রধান শিক্ষক ঘটনাস্থলে যান এবং রাস্তা তৈরিতে বাধা দেন। এতে কাফি ক্ষিপ্ত হয়ে আবদুর রহিমের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। শিক্ষকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন এবং ধাক্কাধাক্কি করে তাদের খুন জখমের ভয়ভীতি দেখায়। পরে কাফি, তার পিতা ও বড় ভাই ১১০ ফুট দৈর্ঘ্যের ও ৩০ ফুট প্রস্থের প্রায় ৬ শতাংশ জমির অন্তত এক লক্ষ টাকার মাটি কেটে ট্রলি গাড়িতে তুলে বাড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় স্তূপ করে রাখে এবং ওই জমিতে ছোট ছোট পাথর ফেলে রাস্তা তৈরি করে। এতে প্রায় ৫ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে আবদুর রহিম মামলায় দাবি করেছেন।
আবদুর রহিম বলেন, ‘কলাপাড়ার বি.এস. জে.এল নং-৯ রজপাড়া মৌজার বি.এস খতিয়ান নং-১২ এর বিভিন্ন দাগে মোট ২১ একর ৭৬ শতক জমির মালিক খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন যাবৎ শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখলে থেকে সরকারি খাসজমিসহ নির্ধারিত সীমানায় অবস্থান করে আসছেন। ঘটনার পরে আমি তাদের স্থানীয়ভাবে আপোষ-মীমাংসার চেষ্টা করি। কিন্তু কাফিসহ তার পরিবার আপোষ-মীমাংসায় রাজি হয়নি। পরে আমি কলাপাড়া থানায় মামলা করতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ আমাকে বিজ্ঞ আদালতে মামলা করার পরামর্শ প্রদান করেন। পরে আদালতে মামলা করি।’
নুরুজ্জামান কাফি বলেন, ‘বিরোধীয় এই জমি নিয়ে দীর্ঘদিন মামলা চলার পরে আদালত যাদের পক্ষে রায় দিয়েছেন এখন তারাই মূল মালিক। ওই জমির মূল ওয়ারিশগণ দীর্ঘদিন মামলা চালিয়ে সুপ্রিম কোর্ট থেকে রায় পেয়েছেন। তাদের কাছ থেকে আমি বায়না সূত্রে ক্রয় করি। মালিকপক্ষ জমি বুঝিয়ে দেওয়ার পর আমি রাস্তা নির্মাণ করি। স্কুলের প্রধান শিক্ষক রহিম স্যারের সাথে আমার কোনদিন সামনাসামনি দেখা হয়নি, কথাও হয়নি। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করলেই এর আসল সত্য বেরিয়ে আসবে। মূলত রাজনৈতিকভাবে এবং আমার ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্নের জন্য এ মামলাটি করা হয়েছে।’
কলাপাড়া সিনিয়র জুডিশিয়াল আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো: ফেরদৌস মিয়া বলেন, মামলাটি রুজু করা হয়েছে। বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে তদন্ত সাপেক্ষে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।
কলাপাড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো: ইলিয়াস তালুকদার জানান, মামলাটি এখন পর্যন্ত থানায় পৌছেনি। বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশনা যথাযথভাবে পালন করা হবে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে