ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি ফুটবলার, সাবেক অধিনায়ক ও জাতীয় দলের সাবেক কোচ কেভিন কিগান আর নেই। ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই শেষে ৭৫ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি।
সোমবার (২০ জুলাই) কিগানের পরিবার এক বিবৃতিতে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। পরিবার জানায়, স্টেজ-৪ ক্যান্সারে আক্রান্ত কিগান জীবনের শেষ মুহূর্তে স্ত্রী ও দুই কন্যার সান্নিধ্যেই ছিলেন। ফুটবল বিশ্বে তিনি ‘কিং কেভ’ নামে পরিচিত ছিলেন।
১৯৭২ থেকে ১৯৮২ সালের মধ্যে ইংল্যান্ড জাতীয় দলের জার্সিতে ৬৩টি ম্যাচ খেলেন কিগান। এ সময়ে তিনি ২১টি গোল করেন এবং ৩১ ম্যাচে দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন।
ক্লাব ফুটবলে লিভারপুলের হয়ে তিনটি ইংলিশ লিগ শিরোপা, একটি এফএ কাপ এবং একটি ইউরোপিয়ান কাপ জেতেন তিনি। পরে জার্মান ক্লাব হামবুর্গে যোগ দিয়ে নিজের ক্যারিয়ারকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান।
হামবুর্গের হয়ে খেলার সময় ১৯৭৮ ও ১৯৭৯ সালে টানা দুইবার ইউরোপের বর্ষসেরা ফুটবলারের সম্মাননা ব্যালন ডি’অর জেতেন কিগান। এই কীর্তি তাঁকে ইউরোপীয় ফুটবলের ইতিহাসে অন্যতম সেরা খেলোয়াড়দের কাতারে স্থান করে দেয়।
খেলোয়াড়ি জীবন শেষে কোচ হিসেবেও সফল ছিলেন কিগান। তার অধীনে নিউক্যাসল ইউনাইটেড প্রিমিয়ার লিগে ফিরে আসে এবং ১৯৯৫-৯৬ মৌসুমে শিরোপার দৌড়ে রানার্সআপ হয়। এছাড়া ১৯৯৯ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ড জাতীয় দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ফুলহ্যাম ও ম্যানচেস্টার সিটির ম্যানেজার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
কিগানের মৃত্যুর খবরে লিভারপুল, নিউক্যাসল ইউনাইটেড, হামবুর্গসহ ফুটবল বিশ্বের বিভিন্ন ক্লাব ও ব্যক্তিত্ব গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
সোমবার (২০ জুলাই) কিগানের পরিবার এক বিবৃতিতে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। পরিবার জানায়, স্টেজ-৪ ক্যান্সারে আক্রান্ত কিগান জীবনের শেষ মুহূর্তে স্ত্রী ও দুই কন্যার সান্নিধ্যেই ছিলেন। ফুটবল বিশ্বে তিনি ‘কিং কেভ’ নামে পরিচিত ছিলেন।
১৯৭২ থেকে ১৯৮২ সালের মধ্যে ইংল্যান্ড জাতীয় দলের জার্সিতে ৬৩টি ম্যাচ খেলেন কিগান। এ সময়ে তিনি ২১টি গোল করেন এবং ৩১ ম্যাচে দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন।
ক্লাব ফুটবলে লিভারপুলের হয়ে তিনটি ইংলিশ লিগ শিরোপা, একটি এফএ কাপ এবং একটি ইউরোপিয়ান কাপ জেতেন তিনি। পরে জার্মান ক্লাব হামবুর্গে যোগ দিয়ে নিজের ক্যারিয়ারকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান।
হামবুর্গের হয়ে খেলার সময় ১৯৭৮ ও ১৯৭৯ সালে টানা দুইবার ইউরোপের বর্ষসেরা ফুটবলারের সম্মাননা ব্যালন ডি’অর জেতেন কিগান। এই কীর্তি তাঁকে ইউরোপীয় ফুটবলের ইতিহাসে অন্যতম সেরা খেলোয়াড়দের কাতারে স্থান করে দেয়।
খেলোয়াড়ি জীবন শেষে কোচ হিসেবেও সফল ছিলেন কিগান। তার অধীনে নিউক্যাসল ইউনাইটেড প্রিমিয়ার লিগে ফিরে আসে এবং ১৯৯৫-৯৬ মৌসুমে শিরোপার দৌড়ে রানার্সআপ হয়। এছাড়া ১৯৯৯ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ড জাতীয় দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ফুলহ্যাম ও ম্যানচেস্টার সিটির ম্যানেজার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
কিগানের মৃত্যুর খবরে লিভারপুল, নিউক্যাসল ইউনাইটেড, হামবুর্গসহ ফুটবল বিশ্বের বিভিন্ন ক্লাব ও ব্যক্তিত্ব গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে