টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোতে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার চেল্লাখালী নদীর ওপর নির্মিত একটি ব্রিজ মানুষসহ ভেসে গেছে।
সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে উপজেলার নয়াপাড়া দক্ষিণ সন্ন্যাসীভিটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে ব্রিজে থাকা লোকজন সাঁতরে নিরাপদে তীরে পৌঁছাতে সক্ষম হওয়ায় বড় ধরনের কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।
নালিতাবাড়ী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও বাঘবেড় ইউনিয়নের প্রশাসক মো. আনোয়ারুল কবীর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, পাহাড়ি ঢলের স্রোতের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে মুহূর্তের মধ্যে ব্রিজটি ভেসে যায়। এ সময় ব্রিজে অবস্থানরত ব্যক্তিরা দ্রুত সাঁতরে নিরাপদ স্থানে গিয়ে প্রাণে রক্ষা পান।
এদিকে, টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে শেরপুরে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানিতে মহারশী নদীর পানি উপচে ঝিনাইগাতী উপজেলা সদরের বাজারে প্রবেশ করেছে। এতে বাজারের দোকানপাট, সড়ক ও আশপাশের এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। দুর্ভোগে পড়েছেন ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল আমিন বলেন, হঠাৎ পাহাড়ি ঢলে উপজেলার কয়েকটি এলাকায় পানি প্রবেশ করেছে। পরিস্থিতি তাৎক্ষণিক পরিদর্শন করা হয়েছে।
শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ্ত চৌধুরী বলেন, বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় এবং উজান থেকে আরও ঢল নামার আশঙ্কা রয়েছে। তবে বিকেলের দিকে পানি নামতে শুরু করেছে।
জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, শেরপুরের পাহাড়ি এলাকায় ঢলের পানি বাড়লেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয় না। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে উপজেলার নয়াপাড়া দক্ষিণ সন্ন্যাসীভিটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে ব্রিজে থাকা লোকজন সাঁতরে নিরাপদে তীরে পৌঁছাতে সক্ষম হওয়ায় বড় ধরনের কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।
নালিতাবাড়ী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও বাঘবেড় ইউনিয়নের প্রশাসক মো. আনোয়ারুল কবীর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, পাহাড়ি ঢলের স্রোতের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে মুহূর্তের মধ্যে ব্রিজটি ভেসে যায়। এ সময় ব্রিজে অবস্থানরত ব্যক্তিরা দ্রুত সাঁতরে নিরাপদ স্থানে গিয়ে প্রাণে রক্ষা পান।
এদিকে, টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে শেরপুরে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানিতে মহারশী নদীর পানি উপচে ঝিনাইগাতী উপজেলা সদরের বাজারে প্রবেশ করেছে। এতে বাজারের দোকানপাট, সড়ক ও আশপাশের এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। দুর্ভোগে পড়েছেন ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল আমিন বলেন, হঠাৎ পাহাড়ি ঢলে উপজেলার কয়েকটি এলাকায় পানি প্রবেশ করেছে। পরিস্থিতি তাৎক্ষণিক পরিদর্শন করা হয়েছে।
শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ্ত চৌধুরী বলেন, বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় এবং উজান থেকে আরও ঢল নামার আশঙ্কা রয়েছে। তবে বিকেলের দিকে পানি নামতে শুরু করেছে।
জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, শেরপুরের পাহাড়ি এলাকায় ঢলের পানি বাড়লেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয় না। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন