কর্তব্যরত অবস্থায় সন্ত্রাসীর বন্দুক হামলায় নিহত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের (এনওয়াইপিডি) কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামের নামে একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছে।
স্থানীয় সময় শনিবার (১৮ জুলাই) ব্রঙ্কসের ইস্ট ১৭২ স্ট্রিট ও বিচ অ্যাভিনিউ সংলগ্ন এলাকায় ‘ডিটেকটিভ ফার্স্ট গ্রেড দিদারুল ইসলাম ওয়ে’-এর নামফলক আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হয়।
অনুষ্ঠানে নিউইয়র্ক সিটির জনপ্রতিনিধি, সিটি কাউন্সিল ও কমিউনিটি বোর্ড-৯-এর কর্মকর্তারা, পুলিশ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, দিদারুল ইসলামের সহকর্মী, বিভিন্ন কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ এবং তার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
নামফলক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বক্তারা দিদারুল ইসলামের কর্মময় জীবনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, তিনি শুধু একজন পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন না, বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির জন্যও ছিলেন অনুপ্রেরণার প্রতীক।
বক্তারা বলেন, মৃত্যুর আগমুহূর্ত পর্যন্ত তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার কর্মদক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা এবং কমিউনিটির প্রতি গভীর দায়বদ্ধতা তাকে সহকর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছে বিশেষভাবে সম্মানিত করে তুলেছিল।
এ বিষয়ে নিউইয়র্ক মেয়র কার্যালয়ের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা মীর বাশার চ্যানেল ২৪-কে বলেন, একজন বাংলাদেশি-আমেরিকানের নামে নিউইয়র্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরে একটি সড়কের নামকরণ শুধু পুলিশ বিভাগের জন্য নয়, পুরো বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্যই গর্বের।
তিনি বলেন, ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ ও গর্বিত বাংলাদেশি অভিবাসী। অন্যদের রক্ষা করতে গিয়ে তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন। তার সাহস, মানবিকতা ও জনসেবার স্বীকৃতি হিসেবে ব্রঙ্কসে তার নাম স্থায়ীভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
স্থানীয় সময় শনিবার (১৮ জুলাই) ব্রঙ্কসের ইস্ট ১৭২ স্ট্রিট ও বিচ অ্যাভিনিউ সংলগ্ন এলাকায় ‘ডিটেকটিভ ফার্স্ট গ্রেড দিদারুল ইসলাম ওয়ে’-এর নামফলক আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হয়।
অনুষ্ঠানে নিউইয়র্ক সিটির জনপ্রতিনিধি, সিটি কাউন্সিল ও কমিউনিটি বোর্ড-৯-এর কর্মকর্তারা, পুলিশ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, দিদারুল ইসলামের সহকর্মী, বিভিন্ন কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ এবং তার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
নামফলক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বক্তারা দিদারুল ইসলামের কর্মময় জীবনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, তিনি শুধু একজন পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন না, বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির জন্যও ছিলেন অনুপ্রেরণার প্রতীক।
বক্তারা বলেন, মৃত্যুর আগমুহূর্ত পর্যন্ত তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার কর্মদক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা এবং কমিউনিটির প্রতি গভীর দায়বদ্ধতা তাকে সহকর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছে বিশেষভাবে সম্মানিত করে তুলেছিল।
এ বিষয়ে নিউইয়র্ক মেয়র কার্যালয়ের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা মীর বাশার চ্যানেল ২৪-কে বলেন, একজন বাংলাদেশি-আমেরিকানের নামে নিউইয়র্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরে একটি সড়কের নামকরণ শুধু পুলিশ বিভাগের জন্য নয়, পুরো বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্যই গর্বের।
তিনি বলেন, ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ ও গর্বিত বাংলাদেশি অভিবাসী। অন্যদের রক্ষা করতে গিয়ে তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন। তার সাহস, মানবিকতা ও জনসেবার স্বীকৃতি হিসেবে ব্রঙ্কসে তার নাম স্থায়ীভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন