ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় আসরের পর্দা নামছে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে। আগামী ১৯ জুলাই নিউ জার্সির ইস্ট রাদারফোর্ডের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। এই ম্যাচের মাধ্যমেই জানা যাবে কারা ঘরে তুলবে সোনালী ট্রফি। যেখানে আর্জেন্টিনা গতবারের চ্যাম্পিয়ন।
এনএফএলের দুই দল নিউইয়র্ক জায়ান্টস ও নিউইয়র্ক জেটসের হোম ভেন্যু মেটলাইফ স্টেডিয়াম নিউইয়র্ক সিটি থেকে প্রায় ১৩ মাইল দূরে, হাডসন নদীর ওপারে নিউ জার্সিতে অবস্থিত। বিশ্বকাপে ফিফা এই ভেন্যুর নাম ব্যবহার করছে নিউইয়র্ক/নিউ জার্সি স্টেডিয়াম হিসেবে।
এই বিশ্বকাপে ইতোমধ্যে সাতটি ম্যাচ আয়োজন করেছে মেটলাইফ স্টেডিয়াম। তার মধ্যে ছিল পাঁচটি গ্রুপ পর্বের এবং দুটি নকআউট পর্বের ম্যাচ।
মজার বিষয় হলো, ফাইনালে ওঠার পথে স্পেন কিংবা আর্জেন্টিনা কোনো দলই এই স্টেডিয়ামে একটি ম্যাচও খেলেনি। ফলে রবিবারের ফাইনালই হবে দুই দলের জন্য এই ভেন্যুতে প্রথম ম্যাচ।
বিশ্বকাপে মেটলাইফ স্টেডিয়ামের দর্শক ধারণক্ষমতা ৮০ হাজার ৬৬৩। পুরো টুর্নামেন্টজুড়েই প্রায় প্রতিটি ম্যাচে গ্যালারি ছিল কানায় কানায় পূর্ণ।
তবে স্টেডিয়ামটির একটি বড় সীমাবদ্ধতা হলো, এখানে কোনো ছাদ নেই। ফলে প্রতিকূল আবহাওয়া দেখা দিলে বিশ্বকাপ ফাইনালেও খেলা সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আরেকটি আলোচিত বিষয় হচ্ছে মাঠের ঘাস। সাধারণত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে কৃত্রিম টার্ফ ব্যবহার করা হলেও বিশ্বকাপের জন্য সেখানে বিশেষভাবে প্রাকৃতিক ঘাস বসানো হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
এনএফএলের দুই দল নিউইয়র্ক জায়ান্টস ও নিউইয়র্ক জেটসের হোম ভেন্যু মেটলাইফ স্টেডিয়াম নিউইয়র্ক সিটি থেকে প্রায় ১৩ মাইল দূরে, হাডসন নদীর ওপারে নিউ জার্সিতে অবস্থিত। বিশ্বকাপে ফিফা এই ভেন্যুর নাম ব্যবহার করছে নিউইয়র্ক/নিউ জার্সি স্টেডিয়াম হিসেবে।
এই বিশ্বকাপে ইতোমধ্যে সাতটি ম্যাচ আয়োজন করেছে মেটলাইফ স্টেডিয়াম। তার মধ্যে ছিল পাঁচটি গ্রুপ পর্বের এবং দুটি নকআউট পর্বের ম্যাচ।
মজার বিষয় হলো, ফাইনালে ওঠার পথে স্পেন কিংবা আর্জেন্টিনা কোনো দলই এই স্টেডিয়ামে একটি ম্যাচও খেলেনি। ফলে রবিবারের ফাইনালই হবে দুই দলের জন্য এই ভেন্যুতে প্রথম ম্যাচ।
বিশ্বকাপে মেটলাইফ স্টেডিয়ামের দর্শক ধারণক্ষমতা ৮০ হাজার ৬৬৩। পুরো টুর্নামেন্টজুড়েই প্রায় প্রতিটি ম্যাচে গ্যালারি ছিল কানায় কানায় পূর্ণ।
তবে স্টেডিয়ামটির একটি বড় সীমাবদ্ধতা হলো, এখানে কোনো ছাদ নেই। ফলে প্রতিকূল আবহাওয়া দেখা দিলে বিশ্বকাপ ফাইনালেও খেলা সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আরেকটি আলোচিত বিষয় হচ্ছে মাঠের ঘাস। সাধারণত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে কৃত্রিম টার্ফ ব্যবহার করা হলেও বিশ্বকাপের জন্য সেখানে বিশেষভাবে প্রাকৃতিক ঘাস বসানো হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন