পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পাঁচ বছর বয়সী এক কন্যা শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টায় অভিযুক্ত শহিদুল মুন্সীকে (৪৮) পালিয়ে যেতে সহায়তার অভিযোগে আলা মৃধা (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। কলাপাড়া থানার এসআই শহিদুল ইসলাম বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে আলা মৃধাকে গ্রেপ্তার করে। তবে মূল অভিযুক্তকে ধরা যায়নি।
এ ঘটনায় ভিকটিম শিশুর নানী ফুলবানু বিবি কলাপাড়া থানায় বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে শহিদুল মুন্সী ও আলা মৃধাকে আসামি করে একটি মামলা করেছেন। বুধবার দুপুরে লালুয়া ইউনিয়নের ছনখোলা গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে।
মামলায় বলা হয়েছে, ভিকটিম শিশুটি তার নানির বাড়িতে থাকত। মা মৌসুমি বেগম চার বছর আগে স্বামী পরিত্যক্তা হওয়ায় ঢাকায় গার্মেন্টেসে কাজ করতেন। ওই একই বাড়িতে আসামি শহিদুল বিয়ে করে ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করতেন। শিশুটি উঠোনে খেলছিল। এসময় সহযোগীর সহায়তায় শিশুটিকে ডেকে শহিদুল মুন্সির ঘরে ডেকে ধর্ষণ চেষ্টা চালায়। শিশুটির ডাক-চিৎকারে সবাই দৌড়ে গিয়ে ঘটনা জানেন। বিষয়টি শিশুর মাকে জানালে সে ঢাকা থেকে কলাপাড়ায় পৌছলে বৃহস্পতিবার সকালে মামলা করা হয়।
তবে, স্থানীয় একটা মহল বিষয়টির সালিশ বিচারের নামে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ চক্রটি বুধবার দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত সালিশ বিচারে সমাধানের কথা বলে অপেক্ষা করে এক পর্যায়ে মূল আসামিকে সটকে যেতে সহায়তা করেন।
কলাপাড়া থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রধান আসামিকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করায় একজনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া, মূল আসামীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার আলা মৃধা চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসী বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
এ ঘটনায় ভিকটিম শিশুর নানী ফুলবানু বিবি কলাপাড়া থানায় বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে শহিদুল মুন্সী ও আলা মৃধাকে আসামি করে একটি মামলা করেছেন। বুধবার দুপুরে লালুয়া ইউনিয়নের ছনখোলা গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে।
মামলায় বলা হয়েছে, ভিকটিম শিশুটি তার নানির বাড়িতে থাকত। মা মৌসুমি বেগম চার বছর আগে স্বামী পরিত্যক্তা হওয়ায় ঢাকায় গার্মেন্টেসে কাজ করতেন। ওই একই বাড়িতে আসামি শহিদুল বিয়ে করে ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করতেন। শিশুটি উঠোনে খেলছিল। এসময় সহযোগীর সহায়তায় শিশুটিকে ডেকে শহিদুল মুন্সির ঘরে ডেকে ধর্ষণ চেষ্টা চালায়। শিশুটির ডাক-চিৎকারে সবাই দৌড়ে গিয়ে ঘটনা জানেন। বিষয়টি শিশুর মাকে জানালে সে ঢাকা থেকে কলাপাড়ায় পৌছলে বৃহস্পতিবার সকালে মামলা করা হয়।
তবে, স্থানীয় একটা মহল বিষয়টির সালিশ বিচারের নামে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ চক্রটি বুধবার দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত সালিশ বিচারে সমাধানের কথা বলে অপেক্ষা করে এক পর্যায়ে মূল আসামিকে সটকে যেতে সহায়তা করেন।
কলাপাড়া থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রধান আসামিকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করায় একজনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া, মূল আসামীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার আলা মৃধা চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসী বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে