চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার স্ক্যানার ক্রয় ও রক্ষণাবেক্ষণে কথিত দুর্নীতির বিষয়ে উত্থাপিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান বলেছেন, “চট্টগ্রাম বন্দর একটি রাষ্ট্রীয় সম্পদ, জনগণের সম্পদ। এখানে কোনও দুর্নীতি হয়ে থাকলে, যখনই হয়ে থাকুক না কেন, দেশের আইন অনুযায়ী দায়িত্বশীলদের বিচার অবশ্যই হবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের সরকারের প্রচেষ্টা থাকবে, যেকোনও জায়গায় রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় যেন না হয়। একই সঙ্গে দুর্নীতিমুক্ত একটি পরিবেশ পর্যায়ক্রমে গড়ে তোলা হবে।”
বুধবার (১৫ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২৫তম দিনের প্রশ্নোত্তর পর্বে ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামাল হোসেনের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মো. কামাল হোসেন প্রশ্নে বলেন, ২০১৮ সালে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে কনটেইনার স্ক্যানার কেনা, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণকে কেন্দ্র করে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে, মামলা হয় এবং তা এখনও বিচারাধীন। বিগত সরকারের সময়ে ৩০০ থেকে ৪০০ কোটি টাকার এই অনিয়মের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার কী ব্যবস্থা নিচ্ছে— তা জানতে চান তিনি।
এদিকে চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকার বে-টার্মিনাল বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে এবং এটি চালু হলে দেশের অর্থনীতি উল্লেখযোগ্যভাবে উপকৃত হবে।” তিনি বলেন, “বে-টার্মিনাল চালু হলে বড় আকারের মাদার ভেসেল সরাসরি চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়তে পারবে। বর্তমানে নাব্যতার সীমাবদ্ধতার কারণে বড় জাহাজ আসতে পারে না। মাদার ভেসেল সরাসরি আসতে পারলে ট্রান্সশিপমেন্ট ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।”
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “বে-টার্মিনাল চালু হলে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের গতি বাড়বে। ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।”
এর আগে চট্টগ্রাম বন্দরের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, বিশ্ব মন্দা ও কোভিড-১৯ মহামারির মতো প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও চট্টগ্রাম বন্দর ২৪ ঘণ্টা সচল ছিল এবং ধারাবাহিকভাবে এর সক্ষমতা বেড়েছে।
তিনি জানান, ২০১০ সালে বন্দরে ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৯৬ হাজার ৬৬৩ মেট্রিক টন কার্গো এবং ১৩ লাখ ৪৩ হাজার ৪৪৮ টিইইউস কনটেইনার হ্যান্ডলিং হলেও ২০২৫ সালে তা বেড়ে যথাক্রমে ১৩ কোটি ৮১ লাখ ৫১ হাজার ৮১২ মেট্রিক টন এবং ৩৪ লাখ ৯ হাজার ৬৯ টিইইউসে পৌঁছেছে।
প্রধানমন্ত্রী সংসদকে জানান, বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল চালু, লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ, নিয়মিত ক্যাপিটাল ও মেইনটেন্যান্স ড্রেজিং, ডিজিটালাইজেশন, অনলাইন পোর্ট কমিউনিটি সিস্টেম, ই-পেমেন্ট, ই-গেট পাস, পোর্ট সিঙ্গেল উইন্ডো এবং অটোমেশন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি কনটেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বাড়াতে নতুন ইকুইপমেন্ট সংগ্রহের উদ্যোগও চলমান রয়েছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
তিনি আরও বলেন, “আমাদের সরকারের প্রচেষ্টা থাকবে, যেকোনও জায়গায় রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় যেন না হয়। একই সঙ্গে দুর্নীতিমুক্ত একটি পরিবেশ পর্যায়ক্রমে গড়ে তোলা হবে।”
বুধবার (১৫ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২৫তম দিনের প্রশ্নোত্তর পর্বে ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামাল হোসেনের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মো. কামাল হোসেন প্রশ্নে বলেন, ২০১৮ সালে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে কনটেইনার স্ক্যানার কেনা, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণকে কেন্দ্র করে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে, মামলা হয় এবং তা এখনও বিচারাধীন। বিগত সরকারের সময়ে ৩০০ থেকে ৪০০ কোটি টাকার এই অনিয়মের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার কী ব্যবস্থা নিচ্ছে— তা জানতে চান তিনি।
এদিকে চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকার বে-টার্মিনাল বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে এবং এটি চালু হলে দেশের অর্থনীতি উল্লেখযোগ্যভাবে উপকৃত হবে।” তিনি বলেন, “বে-টার্মিনাল চালু হলে বড় আকারের মাদার ভেসেল সরাসরি চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়তে পারবে। বর্তমানে নাব্যতার সীমাবদ্ধতার কারণে বড় জাহাজ আসতে পারে না। মাদার ভেসেল সরাসরি আসতে পারলে ট্রান্সশিপমেন্ট ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।”
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “বে-টার্মিনাল চালু হলে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের গতি বাড়বে। ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।”
এর আগে চট্টগ্রাম বন্দরের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, বিশ্ব মন্দা ও কোভিড-১৯ মহামারির মতো প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও চট্টগ্রাম বন্দর ২৪ ঘণ্টা সচল ছিল এবং ধারাবাহিকভাবে এর সক্ষমতা বেড়েছে।
তিনি জানান, ২০১০ সালে বন্দরে ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৯৬ হাজার ৬৬৩ মেট্রিক টন কার্গো এবং ১৩ লাখ ৪৩ হাজার ৪৪৮ টিইইউস কনটেইনার হ্যান্ডলিং হলেও ২০২৫ সালে তা বেড়ে যথাক্রমে ১৩ কোটি ৮১ লাখ ৫১ হাজার ৮১২ মেট্রিক টন এবং ৩৪ লাখ ৯ হাজার ৬৯ টিইইউসে পৌঁছেছে।
প্রধানমন্ত্রী সংসদকে জানান, বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল চালু, লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ, নিয়মিত ক্যাপিটাল ও মেইনটেন্যান্স ড্রেজিং, ডিজিটালাইজেশন, অনলাইন পোর্ট কমিউনিটি সিস্টেম, ই-পেমেন্ট, ই-গেট পাস, পোর্ট সিঙ্গেল উইন্ডো এবং অটোমেশন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি কনটেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বাড়াতে নতুন ইকুইপমেন্ট সংগ্রহের উদ্যোগও চলমান রয়েছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে