চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে দেশে রাজনৈতিক সহিংসতায় ঝরেছে ৫৬ প্রাণ। এ সময় আহত হয়েছে প্রায় ৫ হাজার ২৪৬ জন। এমনটাই দাবি করেছে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচআরএসএস)।
বুধবার (১৫ জুলাই) প্রকাশিত এইচআরএসএসের ২০২৬ সালের জানুয়ারি-জুন সময়ের মানবাধিকার পরিস্থিতিবিষয়ক অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়েছে, একই সময়ে ২৬১টি মব সহিংসতা ও গণপিটুনির ঘটনায় নিহত হয়েছে ১৩৩ জন। আহত হয়েছে ২৫৬ জন। এ ছাড়া ১ হাজার ৬২১ নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং ২০০টি ঘটনায় ভুক্তভোগী হয়েছেন ৩৮৩ জন সাংবাদিক।
সংগঠনটির দাবি, ১৬টি জাতীয় দৈনিক, নিজস্ব তথ্য সংগ্রহ এবং ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তৈরি হয়েছে এ প্রতিবেদন।
এইচআরএসএস বলছে, ছয় মাসে ৮৩০টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় নিহতদের মধ্যে বিএনপির ৩৭ জন, জামায়াতের ৬ জন, আওয়ামী লীগের ৩ জন এবং অন্যান্য দলের ১০ জন রয়েছেন। সংঘর্ষের ৮১ শতাংশই বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিএনপির সঙ্গে অন্যান্য দলের বিরোধকে কেন্দ্র করে ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সংগঠনটি জানিয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৩৯৬টি সহিংসতার ঘটনায় ১৩ জন নিহত ও ২ হাজার ৫৭৮ জন আহত হয়েছেন। নির্বাচন-পূর্ব ও পরবর্তী সময়ে ৬০০টির বেশি বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত ছয় মাসে যেসব নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তাদের মধ্যে ৪০৪ জন ধর্ষণের শিকার, ৮৮ জন গণধর্ষণের শিকার এবং ধর্ষণের পর ১৭ জনকে হত্যা করা হয়েছে। পাশাপাশি ১ হাজার ৭৭ জন শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে, যার মধ্যে ৩০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সাংবাদিক নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরে প্রতিবেদনে বলা হয়, ছয় মাসে ২০০টি ঘটনায় ৩৮৩ জন সাংবাদিক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। আহত হয়েছেন ২৩৪ জন, লাঞ্ছিত ৬০ জন, হুমকির মুখে পড়েছেন ৪৯ জন এবং আটক হয়েছেন ১১ জন। এ ছাড়া সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে ৩৩ সাংবাদিককে আসামি করে ১৫টি মামলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে সীমান্তে হতাহত, সংখ্যালঘু নির্যাতন, বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগ, কারাগারে মৃত্যু, শ্রমিক নির্যাতন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
এইচআরএসএসের নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম বলেন, ‘দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী করা এবং মানবাধিকার সুরক্ষায় রাষ্ট্র ও সমাজের সব পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।’
রাজনৈতিক সহিংসতা, মব সহিংসতা, নারী-শিশু নির্যাতন ও সাংবাদিকদের ওপর হামলা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
বুধবার (১৫ জুলাই) প্রকাশিত এইচআরএসএসের ২০২৬ সালের জানুয়ারি-জুন সময়ের মানবাধিকার পরিস্থিতিবিষয়ক অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়েছে, একই সময়ে ২৬১টি মব সহিংসতা ও গণপিটুনির ঘটনায় নিহত হয়েছে ১৩৩ জন। আহত হয়েছে ২৫৬ জন। এ ছাড়া ১ হাজার ৬২১ নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং ২০০টি ঘটনায় ভুক্তভোগী হয়েছেন ৩৮৩ জন সাংবাদিক।
সংগঠনটির দাবি, ১৬টি জাতীয় দৈনিক, নিজস্ব তথ্য সংগ্রহ এবং ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তৈরি হয়েছে এ প্রতিবেদন।
এইচআরএসএস বলছে, ছয় মাসে ৮৩০টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় নিহতদের মধ্যে বিএনপির ৩৭ জন, জামায়াতের ৬ জন, আওয়ামী লীগের ৩ জন এবং অন্যান্য দলের ১০ জন রয়েছেন। সংঘর্ষের ৮১ শতাংশই বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিএনপির সঙ্গে অন্যান্য দলের বিরোধকে কেন্দ্র করে ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সংগঠনটি জানিয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৩৯৬টি সহিংসতার ঘটনায় ১৩ জন নিহত ও ২ হাজার ৫৭৮ জন আহত হয়েছেন। নির্বাচন-পূর্ব ও পরবর্তী সময়ে ৬০০টির বেশি বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত ছয় মাসে যেসব নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তাদের মধ্যে ৪০৪ জন ধর্ষণের শিকার, ৮৮ জন গণধর্ষণের শিকার এবং ধর্ষণের পর ১৭ জনকে হত্যা করা হয়েছে। পাশাপাশি ১ হাজার ৭৭ জন শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে, যার মধ্যে ৩০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সাংবাদিক নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরে প্রতিবেদনে বলা হয়, ছয় মাসে ২০০টি ঘটনায় ৩৮৩ জন সাংবাদিক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। আহত হয়েছেন ২৩৪ জন, লাঞ্ছিত ৬০ জন, হুমকির মুখে পড়েছেন ৪৯ জন এবং আটক হয়েছেন ১১ জন। এ ছাড়া সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে ৩৩ সাংবাদিককে আসামি করে ১৫টি মামলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে সীমান্তে হতাহত, সংখ্যালঘু নির্যাতন, বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগ, কারাগারে মৃত্যু, শ্রমিক নির্যাতন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
এইচআরএসএসের নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম বলেন, ‘দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী করা এবং মানবাধিকার সুরক্ষায় রাষ্ট্র ও সমাজের সব পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।’
রাজনৈতিক সহিংসতা, মব সহিংসতা, নারী-শিশু নির্যাতন ও সাংবাদিকদের ওপর হামলা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে