‘পানি পার’ ২০ টাকা, ‘পানি পার’ ২০ টাকা— এমন চিৎকার শোনা যাচ্ছিল ফার্মগেটের আনন্দ সিনেমা হলের সামনে থেকেই। গ্রিন রোড ধরে আরেকটু এগিয়ে যেতেই বিষয়টি পরিষ্কার হলো। জাহানারা গার্ডেনের সামনে থেকে পান্থপথ সিগন্যালের কাছাকাছি পর্যন্ত সড়ক ডুবে আছে পানিতে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথের কোনো নিশানাই চোখে পড়ছে না, যাচ্ছে না কোনো গণপরিবহন।
জলে ডুবে থাকা সড়কে যানবাহনও তেমন চোখে পড়ছে না। একটা সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে আসতে দেখা গেল। কিন্তু একটু সামনে এসেই বিকল হয়ে পড়ল। এরপর সিএনজি চালক হাঁটুর ওপরে পানিতে নেমে অটোরিকশাকে টেনে সামনে নিয়ে আসার চেষ্টা করলেন। অপর পাশেই সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে রিকশাভ্যান। অন্যসময় এসব রিকশাভ্যানকে এই এলাকায় দেখা যায় না।
মৌসুমি এই রিকশাভ্যানের চালকরাই চিৎকার করছেন, ‘পানি পার’ ২০ টাকা, ‘পানি পার’ ২০ টাকা। একটা ভ্যানে চারজন লোক উঠলেই সেটা সড়কের পানিতে নেমে পড়ছে। ধীরে ধীরে হাঁটু পানি অতিক্রম করে ওপারে যাত্রী পৌঁছে দিচ্ছে। ফের ওপার থেকে নিয়ে আসছে আরেক দল যাত্রী।
রিকশাভ্যান চালক আলাউদ্দিনে বললেন, ‘এদিক দিয়ে এখন রিকশা চলাচল করছে না। এই রুটে চলে লেগুনা। এত বেশি পানি জমে যে লেগুনাও এখন থেকে যাচ্ছে না। আমরা ভ্যানে করে পানির ওপারে যাত্রীদের দিয়ে আসছি, ২০ টাকা করে নিচ্ছি।’
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
জলে ডুবে থাকা সড়কে যানবাহনও তেমন চোখে পড়ছে না। একটা সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে আসতে দেখা গেল। কিন্তু একটু সামনে এসেই বিকল হয়ে পড়ল। এরপর সিএনজি চালক হাঁটুর ওপরে পানিতে নেমে অটোরিকশাকে টেনে সামনে নিয়ে আসার চেষ্টা করলেন। অপর পাশেই সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে রিকশাভ্যান। অন্যসময় এসব রিকশাভ্যানকে এই এলাকায় দেখা যায় না।
মৌসুমি এই রিকশাভ্যানের চালকরাই চিৎকার করছেন, ‘পানি পার’ ২০ টাকা, ‘পানি পার’ ২০ টাকা। একটা ভ্যানে চারজন লোক উঠলেই সেটা সড়কের পানিতে নেমে পড়ছে। ধীরে ধীরে হাঁটু পানি অতিক্রম করে ওপারে যাত্রী পৌঁছে দিচ্ছে। ফের ওপার থেকে নিয়ে আসছে আরেক দল যাত্রী।
রিকশাভ্যান চালক আলাউদ্দিনে বললেন, ‘এদিক দিয়ে এখন রিকশা চলাচল করছে না। এই রুটে চলে লেগুনা। এত বেশি পানি জমে যে লেগুনাও এখন থেকে যাচ্ছে না। আমরা ভ্যানে করে পানির ওপারে যাত্রীদের দিয়ে আসছি, ২০ টাকা করে নিচ্ছি।’
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে