টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতিকে ‘ভয়াবহ খারাপ’ বলে মন্তব্য করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন। শনিবার (১১ জুলাই) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে এ মন্তব্য করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া আমরা গত চার-পাঁচদিন ধরে পর্যবেক্ষণ করছি। আগামী দুদিন পাঁচ জেলায় যাব। ওখানে ক্ষয়ক্ষতি, আরো নতুন করে কারো সাহায্য দরকার আছে কিনা, সেগুলো পর্যবেক্ষণ করব। স্থানীয় প্রশাসন যেরকম চাচ্ছে আমার ওরকম দিয়ে যাচ্ছি। আমরা রেডি, যা লাগবে তা দিব। এখানকার অবস্থা আসলে ভয়াবহভাবে খারাপ। আমরা জানি কতটুকু খারাপ। সেজন্য ওভাবে পদক্ষেপ নিতে পারছি। সরেজমিনে দেখার জন্য আসছি। কীভাবে ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে, সেটা দেখতে এসেছি। যদি মনে করেন, কোনো ইনপুট দিতে হবে, এখান থেকেই দিয়ে দিব।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন্যা দুর্গতদের তালিকা প্রণয়ন করা হচ্ছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধার করে পুর্নবাসন পরিকল্পনাও তৈরি করা হচ্ছে। পর্যাপ্ত ত্রাণ মজুদ আছে সরকারের হাতে। স্থানীয় প্রশাসনের চাহিদা অনুযায়ী ত্রাণ সরবরাহ করা হবে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া আমরা গত চার-পাঁচদিন ধরে পর্যবেক্ষণ করছি। আগামী দুদিন পাঁচ জেলায় যাব। ওখানে ক্ষয়ক্ষতি, আরো নতুন করে কারো সাহায্য দরকার আছে কিনা, সেগুলো পর্যবেক্ষণ করব। স্থানীয় প্রশাসন যেরকম চাচ্ছে আমার ওরকম দিয়ে যাচ্ছি। আমরা রেডি, যা লাগবে তা দিব। এখানকার অবস্থা আসলে ভয়াবহভাবে খারাপ। আমরা জানি কতটুকু খারাপ। সেজন্য ওভাবে পদক্ষেপ নিতে পারছি। সরেজমিনে দেখার জন্য আসছি। কীভাবে ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে, সেটা দেখতে এসেছি। যদি মনে করেন, কোনো ইনপুট দিতে হবে, এখান থেকেই দিয়ে দিব।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন্যা দুর্গতদের তালিকা প্রণয়ন করা হচ্ছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধার করে পুর্নবাসন পরিকল্পনাও তৈরি করা হচ্ছে। পর্যাপ্ত ত্রাণ মজুদ আছে সরকারের হাতে। স্থানীয় প্রশাসনের চাহিদা অনুযায়ী ত্রাণ সরবরাহ করা হবে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে