দফায় দফায় ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের তোড়ে বিধ্বস্ত হয়ে নদীতে বিলীন হয়েছে শেরপুর-নালিতাবাড়ী সড়কের প্রায় ৩০ মিটার পাকা সড়ক। বুধবার বিকেল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত টানা বর্ষণের ফলে এ ঘটনা ঘটে।
দুই বছর আগে গোল্লারপাড় এলাকায় বন্যায় বিধ্বস্ত বেড়িবাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে ঢলের পানি প্রবেশ করছে নিম্নাঞ্চলে। চেল্লাখালী নদীর পানি বিপৎসীমা ছাড়ালেও পাহাড়ি নদীগুলোর পানি এখনো বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই করছে। তবে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে বৃষ্টিপাত না থাকায় আপাতত বন্যার শঙ্কা নেই।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বুধবার বিকেল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত নালিতাবাড়ীতে ১১০ মিলিমিটার এবং নাকুগাঁওয়ে ১০৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
নালিতাবাড়ী উপজেলার ভোগাই নদীর পানি বিপৎসীমার ৪৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে এবং চেল্লাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ২০৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও সন্ধ্যায় তা নেমে ৭৬ সেন্টিমিটারে চলে আসে।
পাহাড়ি ঢলের তীব্র গতির পানির তোড়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত গোল্লারপাড় এলাকায় প্রায় ৩০ মিটার পাকা সড়কের অর্ধেক নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ফলে সরু অংশ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে ছোট ছোট যানবাহন। এ সড়কে বন্ধ হয়ে গেছে বড় যানবাহন চলাচল। গোল্লারপাড় চেল্লাখালী নদীর বেড়িবাঁধের প্রায় ১০০ মিটার ভাঙা অংশ দিয়ে নিম্নাাঞ্চলে প্রবেশ করছে ঢলের পানি। তবে বর্তমানে ফসলি জমিতে কোনো আবাদ না থাকায় ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
এলাকাবাসী জানিয়েছেন, প্রায় দুই বছর আগে এ অংশে ভাঙন হলেও এখন পর্যন্ত তা মেরামত হয়নি। ফলে নদীতে পাহাড়ি ঢল নামলেই প্রবল বেগে পানি ঢুকে পড়ে। কিছুদিন আগে জেলা প্রশাসক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা সরেজমিন পরিদর্শন করে দ্রুত নদীর বেড়িবাঁধ মেরামতের আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যক্রম লক্ষ্য করা যায়নি।
এলাকাবাসী জানান, আসন্ন আমন মৌসুমে এ স্থানের বাঁধ মেরামত করা না হলে নিম্নাঞ্চলের আবাদ ঢলের পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে যাবে।
এদিকে খবর পেয়ে বিকেলে গোল্লারপাড় বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন ও নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মালেক। এসময় এলজিইডি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ‘শেরপুর-নালিতাবাড়ী সড়কের বিধ্বস্ত অংশ দ্রুত মেরামতের জন্য এলজিইডি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর পরও রাতে তাদের নিয়ে বসে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ ছাড়া গোল্লারপাড় অংশে নদীর বাঁধ নির্মাণের জন্য বরাদ্দ চাওয়া হয়েছিল। মন্ত্রণালয় থেকে তা অনুমোদন করা হয়েছে। আমরা দ্রুততম সময়ে নদীর ওই বাঁধটিও নির্মাণ করব।’
বাংলাস্কুপ/ প্রতিনিধি/এনআইএন
দুই বছর আগে গোল্লারপাড় এলাকায় বন্যায় বিধ্বস্ত বেড়িবাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে ঢলের পানি প্রবেশ করছে নিম্নাঞ্চলে। চেল্লাখালী নদীর পানি বিপৎসীমা ছাড়ালেও পাহাড়ি নদীগুলোর পানি এখনো বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই করছে। তবে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে বৃষ্টিপাত না থাকায় আপাতত বন্যার শঙ্কা নেই।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বুধবার বিকেল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত নালিতাবাড়ীতে ১১০ মিলিমিটার এবং নাকুগাঁওয়ে ১০৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
নালিতাবাড়ী উপজেলার ভোগাই নদীর পানি বিপৎসীমার ৪৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে এবং চেল্লাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ২০৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও সন্ধ্যায় তা নেমে ৭৬ সেন্টিমিটারে চলে আসে।
পাহাড়ি ঢলের তীব্র গতির পানির তোড়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত গোল্লারপাড় এলাকায় প্রায় ৩০ মিটার পাকা সড়কের অর্ধেক নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ফলে সরু অংশ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে ছোট ছোট যানবাহন। এ সড়কে বন্ধ হয়ে গেছে বড় যানবাহন চলাচল। গোল্লারপাড় চেল্লাখালী নদীর বেড়িবাঁধের প্রায় ১০০ মিটার ভাঙা অংশ দিয়ে নিম্নাাঞ্চলে প্রবেশ করছে ঢলের পানি। তবে বর্তমানে ফসলি জমিতে কোনো আবাদ না থাকায় ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
এলাকাবাসী জানিয়েছেন, প্রায় দুই বছর আগে এ অংশে ভাঙন হলেও এখন পর্যন্ত তা মেরামত হয়নি। ফলে নদীতে পাহাড়ি ঢল নামলেই প্রবল বেগে পানি ঢুকে পড়ে। কিছুদিন আগে জেলা প্রশাসক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা সরেজমিন পরিদর্শন করে দ্রুত নদীর বেড়িবাঁধ মেরামতের আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যক্রম লক্ষ্য করা যায়নি।
এলাকাবাসী জানান, আসন্ন আমন মৌসুমে এ স্থানের বাঁধ মেরামত করা না হলে নিম্নাঞ্চলের আবাদ ঢলের পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে যাবে।
এদিকে খবর পেয়ে বিকেলে গোল্লারপাড় বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন ও নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মালেক। এসময় এলজিইডি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ‘শেরপুর-নালিতাবাড়ী সড়কের বিধ্বস্ত অংশ দ্রুত মেরামতের জন্য এলজিইডি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর পরও রাতে তাদের নিয়ে বসে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ ছাড়া গোল্লারপাড় অংশে নদীর বাঁধ নির্মাণের জন্য বরাদ্দ চাওয়া হয়েছিল। মন্ত্রণালয় থেকে তা অনুমোদন করা হয়েছে। আমরা দ্রুততম সময়ে নদীর ওই বাঁধটিও নির্মাণ করব।’
বাংলাস্কুপ/ প্রতিনিধি/এনআইএন