যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম সাপ্তাহিক উত্থান ধরে রেখেছে। তবে শুক্রবার সকালের লেনদেনে দাম কিছুটা কমেছে। একই সঙ্গে ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের চাহিদা কমে যেতে পারে; এমন আশঙ্কাও বাজারে চাপ তৈরি করেছে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার (১০ জুলাই) ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ৬ সেন্ট বা ০ দশমিক ০৮ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৭৬ দশমিক ২৪ ডলারে নেমে এসেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৪ সেন্ট বা ০ দশমিক ০৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ব্যারেলপ্রতি ৭২ দশমিক ০৪ ডলারে।
তবে পুরো সপ্তাহের হিসাবে ব্রেন্টের দাম প্রায় ৬ শতাংশ এবং ডব্লিউটিআইয়ের দাম প্রায় ৫ শতাংশ বাড়ার পথে রয়েছে।
বৃহস্পতিবার ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলীয় ও পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে মার্কিন হামলার জবাবে ইরানি সশস্ত্র বাহিনী উপসাগরীয় দেশগুলোতে মার্কিন সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এতে তিন সপ্তাহ ধরে চলা যুদ্ধবিরতি আরও চাপের মুখে পড়েছে।
এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, দক্ষিণ ইরানের বিভিন্ন এলাকায়, বিশেষ করে বুশেহর অঞ্চলে একাধিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বুশেহরেই দেশটির একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র অবস্থিত।
সপ্তাহজুড়ে গণ-অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ও সমাবেশের শেষ দিনে ইরান তাদের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেইকে দাফন করে। একই দিন নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়। যুদ্ধের প্রথম দিন, ২৮ ফেব্রুয়ারি খামেনেই নিহত হয়েছিলেন।
এই সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি খুলে দেয়ার প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়েই বিশ্বের দৈনিক তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হতো।
এএনজেড ব্যাংকের সিনিয়র কমোডিটি স্ট্র্যাটেজিস্ট ড্যানিয়েল হাইন্স বলেন, ইরানে মার্কিন সামরিক হামলা বাড়লেও ট্রাম্প প্রশাসন দেশটির জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু না করায় বাজার কিছুটা আশ্বস্ত হয়েছে।
তার মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যও বাজারকে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে। ট্রাম্প বলেছেন, তিনি মনে করেন না যুদ্ধ আবার পূর্ণমাত্রায় শুরু হবে এবং ‘যাই ঘটুক না কেন, তা খুব দ্রুতই শেষ হয়ে যাবে।’
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে গত সপ্তাহে বেকার ভাতার জন্য নতুন আবেদন কমেছে। এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে দেশটির শ্রমবাজার এখন ‘ধীর নিয়োগ, ধীর ছাঁটাই’ পর্যায়ে রয়েছে।
এদিকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি চীনে জুন মাসে উৎপাদক মূল্যস্ফীতি চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। দুর্বল অভ্যন্তরীণ চাহিদার কারণে উৎপাদনকারীরা পণ্যের দাম বাড়াতে পারছেন না, ফলে তাদের মুনাফার ওপরও চাপ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিও বৈশ্বিক তেলের চাহিদা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে এবং বাজারে দামের ওপর চাপ বাড়িয়েছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার (১০ জুলাই) ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ৬ সেন্ট বা ০ দশমিক ০৮ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৭৬ দশমিক ২৪ ডলারে নেমে এসেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৪ সেন্ট বা ০ দশমিক ০৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ব্যারেলপ্রতি ৭২ দশমিক ০৪ ডলারে।
তবে পুরো সপ্তাহের হিসাবে ব্রেন্টের দাম প্রায় ৬ শতাংশ এবং ডব্লিউটিআইয়ের দাম প্রায় ৫ শতাংশ বাড়ার পথে রয়েছে।
বৃহস্পতিবার ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলীয় ও পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে মার্কিন হামলার জবাবে ইরানি সশস্ত্র বাহিনী উপসাগরীয় দেশগুলোতে মার্কিন সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এতে তিন সপ্তাহ ধরে চলা যুদ্ধবিরতি আরও চাপের মুখে পড়েছে।
এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, দক্ষিণ ইরানের বিভিন্ন এলাকায়, বিশেষ করে বুশেহর অঞ্চলে একাধিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বুশেহরেই দেশটির একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র অবস্থিত।
সপ্তাহজুড়ে গণ-অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ও সমাবেশের শেষ দিনে ইরান তাদের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেইকে দাফন করে। একই দিন নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়। যুদ্ধের প্রথম দিন, ২৮ ফেব্রুয়ারি খামেনেই নিহত হয়েছিলেন।
এই সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি খুলে দেয়ার প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়েই বিশ্বের দৈনিক তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হতো।
এএনজেড ব্যাংকের সিনিয়র কমোডিটি স্ট্র্যাটেজিস্ট ড্যানিয়েল হাইন্স বলেন, ইরানে মার্কিন সামরিক হামলা বাড়লেও ট্রাম্প প্রশাসন দেশটির জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু না করায় বাজার কিছুটা আশ্বস্ত হয়েছে।
তার মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যও বাজারকে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে। ট্রাম্প বলেছেন, তিনি মনে করেন না যুদ্ধ আবার পূর্ণমাত্রায় শুরু হবে এবং ‘যাই ঘটুক না কেন, তা খুব দ্রুতই শেষ হয়ে যাবে।’
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে গত সপ্তাহে বেকার ভাতার জন্য নতুন আবেদন কমেছে। এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে দেশটির শ্রমবাজার এখন ‘ধীর নিয়োগ, ধীর ছাঁটাই’ পর্যায়ে রয়েছে।
এদিকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি চীনে জুন মাসে উৎপাদক মূল্যস্ফীতি চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। দুর্বল অভ্যন্তরীণ চাহিদার কারণে উৎপাদনকারীরা পণ্যের দাম বাড়াতে পারছেন না, ফলে তাদের মুনাফার ওপরও চাপ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিও বৈশ্বিক তেলের চাহিদা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে এবং বাজারে দামের ওপর চাপ বাড়িয়েছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন