নৌকার সাহায্যে পর্যটকদের জলাবদ্ধ এলাকা পার করছেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা।
রাঙামাটির পর্যটনকেন্দ্র সাজেকে তিনদিন আটকে থাকার পর বাকি ৪০০ পর্যটককে ফিরিয়ে এনেছে সেনাবাহিনী।
শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে সেনাবাহিনীর সহায়তায় সাজেক থেকে খাগড়াছড়ির উদ্দেশে রওনা দেয় পর্যটকবাহী জিপ ও মোটরসাইকেল। এর আগে, বৃহস্পতিবার ১৫০ জন সাজেক ছাড়েন।
এদিকে, দীঘিনালা-সাজেক সড়কে এখনো কয়েকটি স্পটে পানি থাকায় নৌকা ও ভেলার সাহায্যে তাদের পার করিয়ে দিচ্ছে সেনাবাহিনী।
কটেজ এন্ড রিসোর্ট ওনার্স এসোসিয়েশন অব সাজেকের সাংগঠনিক সম্পাদক রাহুল চাকমা জন জানান, তিনদিন পর আজ সকালে সেনাবাহিনীর সহায়তায় আটকা পড়া বাকি ৪০০ পর্যটক সাজেক ছেড়েছেন। কিছু কিছু এলাকায় পাহাড়ধসে গাড়ি চলাচলে বিঘ্ন ঘটলেও আশা করছি, কোনো সমস্যা ছাড়াই তারা খাগড়াছড়ি ফিরতে পারবেন। যেসব স্থানে পানি আছে সেখানে সেনবাহিনী পর্যটকদের পার করতে নৌকা ও ভেলার ব্যবস্থা করেছে।”
বাংলাস্কুপ/ প্রতিনিধি/এনআইএন
রাঙামাটির পর্যটনকেন্দ্র সাজেকে তিনদিন আটকে থাকার পর বাকি ৪০০ পর্যটককে ফিরিয়ে এনেছে সেনাবাহিনী।
শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে সেনাবাহিনীর সহায়তায় সাজেক থেকে খাগড়াছড়ির উদ্দেশে রওনা দেয় পর্যটকবাহী জিপ ও মোটরসাইকেল। এর আগে, বৃহস্পতিবার ১৫০ জন সাজেক ছাড়েন।
এদিকে, দীঘিনালা-সাজেক সড়কে এখনো কয়েকটি স্পটে পানি থাকায় নৌকা ও ভেলার সাহায্যে তাদের পার করিয়ে দিচ্ছে সেনাবাহিনী।
কটেজ এন্ড রিসোর্ট ওনার্স এসোসিয়েশন অব সাজেকের সাংগঠনিক সম্পাদক রাহুল চাকমা জন জানান, তিনদিন পর আজ সকালে সেনাবাহিনীর সহায়তায় আটকা পড়া বাকি ৪০০ পর্যটক সাজেক ছেড়েছেন। কিছু কিছু এলাকায় পাহাড়ধসে গাড়ি চলাচলে বিঘ্ন ঘটলেও আশা করছি, কোনো সমস্যা ছাড়াই তারা খাগড়াছড়ি ফিরতে পারবেন। যেসব স্থানে পানি আছে সেখানে সেনবাহিনী পর্যটকদের পার করতে নৌকা ও ভেলার ব্যবস্থা করেছে।”
বাংলাস্কুপ/ প্রতিনিধি/এনআইএন