২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে ইউরোপের দুই শক্তিশালী দল স্পেন ও বেলজিয়াম মুখোমুখি হচ্ছে। দুই দলই টুর্নামেন্টে ভিন্ন পথে শেষ আটে পৌঁছেছে। এবার সেমিফাইনালে জায়গা করে নিতে হলে তাদের নিজেদের সেরা ফুটবলটাই খেলতে হবে।
স্পেন এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে একটিও গোল হজম করেনি। শেষ ১৬-তে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পর্তুগালকে ১-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে বদলি নেমে মিকেল মেরিনোর করা গোলেই জয় নিশ্চিত হয়। সেই আক্রমণ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল আরও দুই বদলি খেলোয়াড় ফাবিয়ান রুইস ও ফেরান তোরেসের।
তবে স্পেনের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল তাদের রক্ষণভাগ। পাও কুবারসি, আয়মেরিক লাপোর্তে এবং গোলরক্ষক উনাই সিমনের দৃঢ় পারফরম্যান্স প্রতিপক্ষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে, বেলজিয়াম শেষ ষোলোতে যুক্তরাষ্ট্রকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে আত্মবিশ্বাস নিয়ে নামছে। চার্লস ডি কেটেলারে জোড়া গোল করেন। পরে হ্যান্স ভানাকেন ও রোমেলু লুকাকুও গোলের দেখা পান।
আক্রমণে দুর্দান্ত হলেও পুরো টুর্নামেন্টে বেলজিয়ামের পারফরম্যান্স ছিল ওঠানামার। গ্রুপ পর্বে মিশর ও ইরানের বিপক্ষে চাপে পড়েছিল তারা। এমনকি নকআউটের আগের রাউন্ডে সেনেগালের বিপক্ষেও শেষ মুহূর্তের নৈপুণ্যে বেঁচে যায় দলটি।
ধারণা করা হচ্ছে, স্পেন বলের দখল বেশি রাখবে। আর বেলজিয়াম অপেক্ষা করবে সুযোগের। নিচু রক্ষণ গড়ে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে জেরেমি ডকুর গতি কাজে লাগিয়ে স্পেনের রক্ষণ ভাঙার পরিকল্পনা থাকবে রেড ডেভিলদের। তাই সেমিফাইনালের টিকেটের এই লড়াইয়ে কৌশল, ধৈর্য ও কার্যকারিতাই হতে পারে সবচেয়ে বড় পার্থক্য।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
স্পেন এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে একটিও গোল হজম করেনি। শেষ ১৬-তে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পর্তুগালকে ১-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে বদলি নেমে মিকেল মেরিনোর করা গোলেই জয় নিশ্চিত হয়। সেই আক্রমণ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল আরও দুই বদলি খেলোয়াড় ফাবিয়ান রুইস ও ফেরান তোরেসের।
তবে স্পেনের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল তাদের রক্ষণভাগ। পাও কুবারসি, আয়মেরিক লাপোর্তে এবং গোলরক্ষক উনাই সিমনের দৃঢ় পারফরম্যান্স প্রতিপক্ষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে, বেলজিয়াম শেষ ষোলোতে যুক্তরাষ্ট্রকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে আত্মবিশ্বাস নিয়ে নামছে। চার্লস ডি কেটেলারে জোড়া গোল করেন। পরে হ্যান্স ভানাকেন ও রোমেলু লুকাকুও গোলের দেখা পান।
আক্রমণে দুর্দান্ত হলেও পুরো টুর্নামেন্টে বেলজিয়ামের পারফরম্যান্স ছিল ওঠানামার। গ্রুপ পর্বে মিশর ও ইরানের বিপক্ষে চাপে পড়েছিল তারা। এমনকি নকআউটের আগের রাউন্ডে সেনেগালের বিপক্ষেও শেষ মুহূর্তের নৈপুণ্যে বেঁচে যায় দলটি।
ধারণা করা হচ্ছে, স্পেন বলের দখল বেশি রাখবে। আর বেলজিয়াম অপেক্ষা করবে সুযোগের। নিচু রক্ষণ গড়ে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে জেরেমি ডকুর গতি কাজে লাগিয়ে স্পেনের রক্ষণ ভাঙার পরিকল্পনা থাকবে রেড ডেভিলদের। তাই সেমিফাইনালের টিকেটের এই লড়াইয়ে কৌশল, ধৈর্য ও কার্যকারিতাই হতে পারে সবচেয়ে বড় পার্থক্য।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন