মিশরের বিপক্ষে ৩-২ গোলের রোমাঞ্চকর জয়ের পর টানা দ্বিতীয় শিরোপার স্বপ্নে বিভোর লিওনেল মেসিরা। ঠিক তখনই মাঠের বাইরে বড় বিতর্কের মুখে পড়েছে দেশটির ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। দলটির বোর্ডের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলারের সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে আমেরিকার ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)।
আর্জেন্টিনার শীর্ষস্থানীয় দৈনিক লা নাসিওনের বরাত দিয়ে এমনই এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ক্রীড়াভিত্তিক স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কা। প্রতিবেদন অনুযায়ী, আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশনের (এএফএ) সভাপতি ক্লাউডিও চিকি তাপিয়ার নেতৃত্বাধীন এই সংস্থাটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে কীভাবে কোটি কোটি ডলার লেনদেন করেছে, তা খতিয়ে দেখছেন মার্কিন গোয়েন্দারা। আমেরিকার মাটিতে ব্যাংক জালিয়াতি কিংবা অর্থপাচারের মতো কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করাই এই তদন্তের মূল উদ্দেশ্য।
তদন্তের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ট্যুরপ্রোডএন্টার এলএলসি নামক একটি থিয়েটার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। বিগত কয়েক বছর ধরে এই প্রতিষ্ঠানটি এএফএ-র আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক চুক্তি থেকে প্রাপ্ত অর্থ সংগ্রহ ও পরিচালনার দায়িত্বে ছিল। ব্যাংক নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, আমেরিকার শীর্ষ ৫টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান—সিটিব্যাংক, সিনোভুস, ব্যাংক অব আমেরিকা, জেপি মরগান এবং পিএনসি ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে অন্তত ২৬০ মিলিয়ন ডলার লেনদেন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৭ মিলিয়ন ডলার এমন কিছু নামসর্বস্ব কোম্পানিতে পাঠানো হয়েছে, যার উৎস এবং গন্তব্য নিয়ে চরম ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
ওয়াশিংটন ডিসি এবং ফ্লোরিডার তিনজন শীর্ষস্থানীয় ফেডারেল প্রসিকিউটর এই অর্থ কেলেঙ্কারির প্রাথমিক তদন্তভার পরিচালনা করছেন। ইতোমধ্যে এএফএ-র এই আর্থিক কাঠামোর বিরুদ্ধে প্রথম অভিযোগকারী ব্যবসায়ী গুইলারমো তোফোনি এফবিআই-এর কাছে নিজের জবানবন্দি দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, আমেরিকার বিচার বিভাগ এই বিষয়ে আর্জেন্টিনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলের সরকারের সাবেক কর্মকর্তাদেরও তলব করার কথা বিবেচনা করছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
আর্জেন্টিনার শীর্ষস্থানীয় দৈনিক লা নাসিওনের বরাত দিয়ে এমনই এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ক্রীড়াভিত্তিক স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কা। প্রতিবেদন অনুযায়ী, আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশনের (এএফএ) সভাপতি ক্লাউডিও চিকি তাপিয়ার নেতৃত্বাধীন এই সংস্থাটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে কীভাবে কোটি কোটি ডলার লেনদেন করেছে, তা খতিয়ে দেখছেন মার্কিন গোয়েন্দারা। আমেরিকার মাটিতে ব্যাংক জালিয়াতি কিংবা অর্থপাচারের মতো কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করাই এই তদন্তের মূল উদ্দেশ্য।
তদন্তের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ট্যুরপ্রোডএন্টার এলএলসি নামক একটি থিয়েটার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। বিগত কয়েক বছর ধরে এই প্রতিষ্ঠানটি এএফএ-র আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক চুক্তি থেকে প্রাপ্ত অর্থ সংগ্রহ ও পরিচালনার দায়িত্বে ছিল। ব্যাংক নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, আমেরিকার শীর্ষ ৫টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান—সিটিব্যাংক, সিনোভুস, ব্যাংক অব আমেরিকা, জেপি মরগান এবং পিএনসি ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে অন্তত ২৬০ মিলিয়ন ডলার লেনদেন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৭ মিলিয়ন ডলার এমন কিছু নামসর্বস্ব কোম্পানিতে পাঠানো হয়েছে, যার উৎস এবং গন্তব্য নিয়ে চরম ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
ওয়াশিংটন ডিসি এবং ফ্লোরিডার তিনজন শীর্ষস্থানীয় ফেডারেল প্রসিকিউটর এই অর্থ কেলেঙ্কারির প্রাথমিক তদন্তভার পরিচালনা করছেন। ইতোমধ্যে এএফএ-র এই আর্থিক কাঠামোর বিরুদ্ধে প্রথম অভিযোগকারী ব্যবসায়ী গুইলারমো তোফোনি এফবিআই-এর কাছে নিজের জবানবন্দি দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, আমেরিকার বিচার বিভাগ এই বিষয়ে আর্জেন্টিনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলের সরকারের সাবেক কর্মকর্তাদেরও তলব করার কথা বিবেচনা করছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে