নেত্রকোনার বারহাট্টায় এক বিধবাকে ধর্ষণের ঘটনায় জন্ম নেওয়া কন্যাশিশুর পিতৃত্ব ১৩ বছর পর আদালতের রায়ে নিশ্চিত হয়েছে। ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন ও সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত শিশুটির পিতৃত্ব স্বীকৃতি দিয়ে অভিযুক্তকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।
বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক একেএম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ১ মার্চ জেলার বারহাট্টা উপজেলার স্বল্পদশাল গ্রামের বাসিন্দা মো. আলমের ছেলে মো. হেলাল একই এলাকার এক বিধবাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় ওই নারীর বোন একই বছরের ১০ মার্চ বারহাট্টা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
মামলার বিচার চলাকালে ভুক্তভোগীর গর্ভে জন্ম নেওয়া কন্যাশিশু এবং অভিযুক্তের ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে অভিযুক্তের পিতৃত্ব প্রমাণিত হলে আদালত তা গ্রহণ করেন। পরে পুলিশের দাখিল করা অভিযোগপত্র, আটজন সাক্ষীর সাক্ষ্য এবং অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত অভিযুক্ত মো. হেলালকে দোষী সাব্যস্ত করেন।
রায়ে আদালত মো. হেলালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন নূরুল কবীর রুবেল। বাদীপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন আইনজীবী মানবেন্দ্র বিশ্বাস উজ্জ্বল।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নূরুল কবীর রুবেল মামলার রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ধর্ষণের শিকার নারী সন্তানটি প্রসবের এক বছর পর স্বাভাবিকভাবেই মারা যান। এই রায়ের মাধ্যমে ধর্ষণে জন্ম নেওয়া শিশুটি তার পিতৃত্বের পরিচয় পেল। একই সঙ্গে তার বাবার সম্পত্তির ভাগ পাবে বলে আদালত রায়ে উল্লেখ করেছেন। ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত আসামি হেলালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক একেএম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ১ মার্চ জেলার বারহাট্টা উপজেলার স্বল্পদশাল গ্রামের বাসিন্দা মো. আলমের ছেলে মো. হেলাল একই এলাকার এক বিধবাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় ওই নারীর বোন একই বছরের ১০ মার্চ বারহাট্টা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
মামলার বিচার চলাকালে ভুক্তভোগীর গর্ভে জন্ম নেওয়া কন্যাশিশু এবং অভিযুক্তের ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে অভিযুক্তের পিতৃত্ব প্রমাণিত হলে আদালত তা গ্রহণ করেন। পরে পুলিশের দাখিল করা অভিযোগপত্র, আটজন সাক্ষীর সাক্ষ্য এবং অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত অভিযুক্ত মো. হেলালকে দোষী সাব্যস্ত করেন।
রায়ে আদালত মো. হেলালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন নূরুল কবীর রুবেল। বাদীপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন আইনজীবী মানবেন্দ্র বিশ্বাস উজ্জ্বল।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নূরুল কবীর রুবেল মামলার রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ধর্ষণের শিকার নারী সন্তানটি প্রসবের এক বছর পর স্বাভাবিকভাবেই মারা যান। এই রায়ের মাধ্যমে ধর্ষণে জন্ম নেওয়া শিশুটি তার পিতৃত্বের পরিচয় পেল। একই সঙ্গে তার বাবার সম্পত্তির ভাগ পাবে বলে আদালত রায়ে উল্লেখ করেছেন। ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত আসামি হেলালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে