ওমান উপসাগরের কাছে একাধিক ট্যাংকারে হামলার ঘটনার পর ইরানের ওপর থেকে সাময়িক নিষেধাজ্ঞার ছাড় প্রত্যাহার করে নিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ট্রাম্প প্রশাসনের এই আকস্মিক সিদ্ধান্তের পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম এক লাফে ৫ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়ে গত ২৫ জুনের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির কাছে একাধিক জাহাজে হামলার ঘটনার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, ইরানের কর্মকাণ্ড গ্রহণযোগ্য নয় এবং এর পরিণতি ভোগ করতে হবে।
নিষেধাজ্ঞা-ছাড় প্রত্যাহারের পর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডাব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৫ শতাংশের বেশি বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৭২ ডলারের ওপরে ওঠে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড-এর দামও ৫ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৭৫ ডলারের বেশি হয়।
মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের ঘোষণায় বলা হয়েছে, সিদ্ধান্তটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে। আগামী ১৭ জুলাইয়ের মধ্যে ইরানি তেলের উৎপাদন, সরবরাহ ও বিক্রি ধাপে ধাপে বন্ধ করতে হবে। আগে এই ছাড়ের মেয়াদ ছিল ২১ আগস্ট পর্যন্ত।
এদিকে মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস সেন্টার জানায়, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী দুটি জাহাজে হামলার খবর পেয়েছে তারা। এর মধ্যে একটি অজ্ঞাত ড্রোনের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আরেকটি অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাতে কাঠামোগত ক্ষতির শিকার হয়েছে। ওমান উপকূলের কাছে তৃতীয় একটি জাহাজে আগুন লাগার ঘটনাও নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি।
একজন মার্কিন কর্মকর্তা এনবিসি নিউজকে জানান, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস দুটি জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে এবং একটি বাণিজ্যিক জাহাজে অন্তত একটি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ইরানের ছোড়া আরও কয়েকটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে বলেও দাবি করা হয়।
পরিস্থিতির প্রভাবে শুধু জ্বালানি বাজারই নয়, আর্থিক বাজারেও চাপ দেখা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের সুদের হার বেড়েছে এবং শেয়ারবাজারে দরপতন হয়েছে। এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক শূন্য দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং প্রযুক্তিনির্ভর নাসডাক-১০০ প্রায় ২ শতাংশ কমে লেনদেন শেষ করেছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা এবং ইরানের তেল রপ্তানিতে নতুন বিধিনিষেধ বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত থাকতে পারে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির কাছে একাধিক জাহাজে হামলার ঘটনার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, ইরানের কর্মকাণ্ড গ্রহণযোগ্য নয় এবং এর পরিণতি ভোগ করতে হবে।
নিষেধাজ্ঞা-ছাড় প্রত্যাহারের পর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডাব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৫ শতাংশের বেশি বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৭২ ডলারের ওপরে ওঠে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড-এর দামও ৫ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৭৫ ডলারের বেশি হয়।
মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের ঘোষণায় বলা হয়েছে, সিদ্ধান্তটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে। আগামী ১৭ জুলাইয়ের মধ্যে ইরানি তেলের উৎপাদন, সরবরাহ ও বিক্রি ধাপে ধাপে বন্ধ করতে হবে। আগে এই ছাড়ের মেয়াদ ছিল ২১ আগস্ট পর্যন্ত।
এদিকে মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস সেন্টার জানায়, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী দুটি জাহাজে হামলার খবর পেয়েছে তারা। এর মধ্যে একটি অজ্ঞাত ড্রোনের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আরেকটি অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাতে কাঠামোগত ক্ষতির শিকার হয়েছে। ওমান উপকূলের কাছে তৃতীয় একটি জাহাজে আগুন লাগার ঘটনাও নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি।
একজন মার্কিন কর্মকর্তা এনবিসি নিউজকে জানান, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস দুটি জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে এবং একটি বাণিজ্যিক জাহাজে অন্তত একটি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ইরানের ছোড়া আরও কয়েকটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে বলেও দাবি করা হয়।
পরিস্থিতির প্রভাবে শুধু জ্বালানি বাজারই নয়, আর্থিক বাজারেও চাপ দেখা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের সুদের হার বেড়েছে এবং শেয়ারবাজারে দরপতন হয়েছে। এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক শূন্য দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং প্রযুক্তিনির্ভর নাসডাক-১০০ প্রায় ২ শতাংশ কমে লেনদেন শেষ করেছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা এবং ইরানের তেল রপ্তানিতে নতুন বিধিনিষেধ বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত থাকতে পারে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন