ফেনীর পরশুরাম উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ কাউতলী গ্রামের একমাত্র কাঁচা সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে সম্পূর্ণ চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কটি এখন গভীর কর্দমাক্ত ও মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।
বার বার আবেদন করেও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সড়ক সংস্কারের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ বা আর্থিক বরাদ্দ না পাওয়ায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ অবহেলার প্রতিবাদে আজ ৭ জুলাই মঙ্গলবার ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী কাদাভর্তি সড়কের মাঝেই ধানের চারা রোপণ করে এক অভিনব ও ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মির্জানগর ইউনিয়নের দক্ষিণ কাউতলী এলাকার এ সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, চাকুরিজীবী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ যাতায়াত করেন। দীর্ঘ দিন ধরে সংস্কার না করায় সামান্য বৃষ্টি হলেই পুরো সড়ক হাঁটু সমান কাদায় পরিণত হয়। বর্তমানে এই সড়কে কোনো ধরনের যানবাহন তো দূরের কথা, সাধারণ মানুষের পায়ে হেঁটে চলাচল করাই দায় হয়ে পড়েছে। কোনো জরুরি রোগী কিংবা গর্ভবতী মায়েদের হাসপাতালে নেওয়ার মতো ন্যূনতম পরিস্থিতিও এখন আর এ সড়কে নেই।
প্রতিবাদে অংশ নেওয়া স্থানীয় ভুক্তভোগী চালক আবদুল গোফরান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা প্রতিনিয়ত এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করি। গাড়ি চালানো তো দূরের কথা, সাধারণ মানুষের হেঁটে যাওয়ার কোনো উপায় নেই। বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি পুরো কাদার নদী হয়ে যায়। আমরা পাঁচ-ছয় দিন ধরে চরম ভোগান্তিতে আছি। প্রশাসনকে জানিয়েও কোনো সমাধান পাচ্ছি না।
এলাকার যুবক মহসিন মজুমদার ও মো. ইব্রাহিম জানান, এলাকার সাধারণ মানুষ ও ভুক্তভোগীরা একাধিকবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ইউনিয়ন পরিষদ এবং উপজেলা প্রশাসনের কাছে সড়কটি পাকাকরণ বা জরুরি সংস্কারের জন্য লিখিত ও মৌখিক আবেদন জানিয়েছেন। কিন্তু প্রতিবারই শুধু আশ্বাস মিলেছে, কাজের কাজ কিছুই হয়নি। কোনো ধরনের সরকারি অর্থ বরাদ্দ না আসায় এলাকাবাসী বাধ্য হয়ে এই অভিনব প্রতিবাদের পথ বেছে নিয়েছেন। তারা চান অনতিবিলম্বে প্রশাসন ঘুম থেকে জেগে উঠুক ও জনগণের এই দুর্ভোগ নিরসনে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।
সড়কের ওপর ধানের চারা লাগানোর এই দৃশ্য দেখতে আশপাশের এলাকার মানুষও ভিড় জমান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এই প্রতিবাদের ছবি ও ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, এটি শুধু একটি প্রতিবাদ নয়, বরং গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসনের চরম উদাসীনতার এক জীবন্ত বহিঃপ্রকাশ। ভুক্তভোগী এলাকাবাসী জরুরি ভিত্তিতে সড়কটি টেকসই সংস্কার করার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মির্জানগর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো. ইমরান হোসেন বলেন, সড়কটি সংস্কারের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বরাদ্দ আসলে এ সড়কের উন্নয়ন কাজ দ্রুত শুরু করা হবে।
বাংলাস্কুপ/ প্রতিনিধি/এনআইএন
বার বার আবেদন করেও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সড়ক সংস্কারের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ বা আর্থিক বরাদ্দ না পাওয়ায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ অবহেলার প্রতিবাদে আজ ৭ জুলাই মঙ্গলবার ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী কাদাভর্তি সড়কের মাঝেই ধানের চারা রোপণ করে এক অভিনব ও ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মির্জানগর ইউনিয়নের দক্ষিণ কাউতলী এলাকার এ সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, চাকুরিজীবী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ যাতায়াত করেন। দীর্ঘ দিন ধরে সংস্কার না করায় সামান্য বৃষ্টি হলেই পুরো সড়ক হাঁটু সমান কাদায় পরিণত হয়। বর্তমানে এই সড়কে কোনো ধরনের যানবাহন তো দূরের কথা, সাধারণ মানুষের পায়ে হেঁটে চলাচল করাই দায় হয়ে পড়েছে। কোনো জরুরি রোগী কিংবা গর্ভবতী মায়েদের হাসপাতালে নেওয়ার মতো ন্যূনতম পরিস্থিতিও এখন আর এ সড়কে নেই।
প্রতিবাদে অংশ নেওয়া স্থানীয় ভুক্তভোগী চালক আবদুল গোফরান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা প্রতিনিয়ত এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করি। গাড়ি চালানো তো দূরের কথা, সাধারণ মানুষের হেঁটে যাওয়ার কোনো উপায় নেই। বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি পুরো কাদার নদী হয়ে যায়। আমরা পাঁচ-ছয় দিন ধরে চরম ভোগান্তিতে আছি। প্রশাসনকে জানিয়েও কোনো সমাধান পাচ্ছি না।
এলাকার যুবক মহসিন মজুমদার ও মো. ইব্রাহিম জানান, এলাকার সাধারণ মানুষ ও ভুক্তভোগীরা একাধিকবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ইউনিয়ন পরিষদ এবং উপজেলা প্রশাসনের কাছে সড়কটি পাকাকরণ বা জরুরি সংস্কারের জন্য লিখিত ও মৌখিক আবেদন জানিয়েছেন। কিন্তু প্রতিবারই শুধু আশ্বাস মিলেছে, কাজের কাজ কিছুই হয়নি। কোনো ধরনের সরকারি অর্থ বরাদ্দ না আসায় এলাকাবাসী বাধ্য হয়ে এই অভিনব প্রতিবাদের পথ বেছে নিয়েছেন। তারা চান অনতিবিলম্বে প্রশাসন ঘুম থেকে জেগে উঠুক ও জনগণের এই দুর্ভোগ নিরসনে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।
সড়কের ওপর ধানের চারা লাগানোর এই দৃশ্য দেখতে আশপাশের এলাকার মানুষও ভিড় জমান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এই প্রতিবাদের ছবি ও ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, এটি শুধু একটি প্রতিবাদ নয়, বরং গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসনের চরম উদাসীনতার এক জীবন্ত বহিঃপ্রকাশ। ভুক্তভোগী এলাকাবাসী জরুরি ভিত্তিতে সড়কটি টেকসই সংস্কার করার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মির্জানগর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো. ইমরান হোসেন বলেন, সড়কটি সংস্কারের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বরাদ্দ আসলে এ সড়কের উন্নয়ন কাজ দ্রুত শুরু করা হবে।
বাংলাস্কুপ/ প্রতিনিধি/এনআইএন