জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাভারের জনসভায় হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাকে দেশের রাজনীতির জন্য ‘কালো অধ্যায়’ হিসেবে উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি নেতা এবং মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। একই সঙ্গে তিনি ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার পর নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান। সেখানে ইশরাক হোসেন বলেন, এ ধরনের সহিংস ঘটনা দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তার ভাষায়, এমন কর্মকাণ্ড রাজনীতিকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিতে পারে। আর রাজনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হলে দেশ ও জাতি গভীর সংকটে পড়বে, যা শেষ পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্বের জন্যও হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এ ধরনের হামলাকে কোনোভাবেই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। তার দাবি, যারা অতীতে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করেছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল, জনগণের সমর্থনের পরিবর্তে বিদেশি শক্তির ওপর নির্ভর করে ক্ষমতায় টিকে থেকেছে এবং দেশের স্বাধীনতার স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে রাজনীতি করেছে, তারাই এ ধরনের ঘটনার মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি লাভবান হতে পারে।
ফেসবুক পোস্টে ইশরাক হোসেন বলেন, ওই অপশক্তির অবশিষ্ট অংশ এবং তাদের আশ্রয়দাতাদের দ্রুত নিষ্ক্রিয় করা বর্তমানে বাংলাদেশের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত জরুরি। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে নিরপেক্ষ তদন্তের ভিত্তিতে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার পর নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান। সেখানে ইশরাক হোসেন বলেন, এ ধরনের সহিংস ঘটনা দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তার ভাষায়, এমন কর্মকাণ্ড রাজনীতিকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিতে পারে। আর রাজনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হলে দেশ ও জাতি গভীর সংকটে পড়বে, যা শেষ পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্বের জন্যও হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এ ধরনের হামলাকে কোনোভাবেই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। তার দাবি, যারা অতীতে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করেছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল, জনগণের সমর্থনের পরিবর্তে বিদেশি শক্তির ওপর নির্ভর করে ক্ষমতায় টিকে থেকেছে এবং দেশের স্বাধীনতার স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে রাজনীতি করেছে, তারাই এ ধরনের ঘটনার মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি লাভবান হতে পারে।
ফেসবুক পোস্টে ইশরাক হোসেন বলেন, ওই অপশক্তির অবশিষ্ট অংশ এবং তাদের আশ্রয়দাতাদের দ্রুত নিষ্ক্রিয় করা বর্তমানে বাংলাদেশের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত জরুরি। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে নিরপেক্ষ তদন্তের ভিত্তিতে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে