দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ২৭তম বিসিএস (২০০৫) পরীক্ষার প্রথম পর্যায়ের আরও ৭৭ জন প্রার্থীকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। রোববার (৬ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নবনিয়োগ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশের ভিত্তিতে জাতীয় বেতনস্কেল-২০১৫ অনুযায়ী ২২ হাজার থেকে ৫৩ হাজার ৬০ টাকা বেতনক্রমে এসব প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) বিভিন্ন ক্যাডারের প্রবেশ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (বিপিএটিসি) অথবা সরকার নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে।
প্রশিক্ষণ শেষে সংশ্লিষ্ট ক্যাডারভিত্তিক পেশাগত ও বিশেষায়িত প্রশিক্ষণও সম্পন্ন করতে হবে।
এছাড়া তাদের দুই বছর শিক্ষানবিশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। প্রয়োজন হলে সরকার এ মেয়াদ আরও দুই বছর বাড়াতে পারবে।
আরও বলা হয়েছে, বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ, বিভাগীয় পরীক্ষা এবং শিক্ষানবিশকাল সন্তোষজনকভাবে সম্পন্ন করার পর কর্মকর্তাদের চাকরি স্থায়ী করা হবে।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের আগে নির্ধারিত অঙ্গীকারনামা ও বন্ড দাখিল করতে হবে।
শিক্ষানবিশকাল বা স্থায়ী হওয়ার তিন বছরের মধ্যে চাকরি ছেড়ে দিলে প্রশিক্ষণকালীন ব্যয় সরকারকে ফেরত দিতে হবে।
নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ৪ জন, সমবায়ে ৪ জন, খাদ্য ক্যাডারে ১ জন, পরিবার পরিকল্পনায় ১ জন, পুলিশ ক্যাডারে ২ জন, কৃষি ক্যাডারে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হিসেবে ১৪ জন এবং সহকারী পরিচালক (বীজ প্রত্যয়ন) পদে ১ জন, স্বাস্থ্য ক্যাডারে সহকারী সার্জন হিসেবে ৭ জন, টেলিযোগাযোগ ক্যাডারে সহকারী বিভাগীয় প্রকৌশলী/সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে ২০ জন, রেলওয়ে প্রকৌশল ক্যাডারে ১ জন, গণপূর্ত ক্যাডারে ১ জন, মৎস্য ক্যাডারে ১ জন এবং সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের বিভিন্ন বিষয়ে প্রভাষক হিসেবে একাধিক প্রার্থী নিয়োগ পেয়েছেন।
সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, গণিত, পদার্থবিদ্যা, বাংলা, রসায়ন, প্রাণিবিদ্যা, ব্যবস্থাপনা, হিসাববিজ্ঞান, আরবি ও ইসলামি শিক্ষা এবং হাদিস বিষয়ে প্রভাষক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নিয়োগপ্রাপ্তদের আগামী ১৪ জুলাইয়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয় বা বিভাগে যোগদান করতে হবে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান না করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি চাকরিতে যোগ দিতে অনিচ্ছুক বলে গণ্য হবেন এবং তার নিয়োগাদেশ বাতিল বলে বিবেচিত হবে।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, চাকরিতে যোগদানের সময় সম্পদের বিবরণী জমা দিতে হবে এবং সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা অনুযায়ী প্রতি পাঁচ বছর অন্তর সম্পদের হালনাগাদ হিসাব দাখিল করতে হবে।
একই সঙ্গে যৌতুক গ্রহণ বা প্রদান না করার অঙ্গীকার করে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে বন্ডও সম্পাদন করতে হবে।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা এ প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে এ নিয়োগাদেশ কার্যকর করা হলো।
বাংলাস্কুপ/ প্রতিবেদক/এনআইএন
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশের ভিত্তিতে জাতীয় বেতনস্কেল-২০১৫ অনুযায়ী ২২ হাজার থেকে ৫৩ হাজার ৬০ টাকা বেতনক্রমে এসব প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) বিভিন্ন ক্যাডারের প্রবেশ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (বিপিএটিসি) অথবা সরকার নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে।
প্রশিক্ষণ শেষে সংশ্লিষ্ট ক্যাডারভিত্তিক পেশাগত ও বিশেষায়িত প্রশিক্ষণও সম্পন্ন করতে হবে।
এছাড়া তাদের দুই বছর শিক্ষানবিশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। প্রয়োজন হলে সরকার এ মেয়াদ আরও দুই বছর বাড়াতে পারবে।
আরও বলা হয়েছে, বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ, বিভাগীয় পরীক্ষা এবং শিক্ষানবিশকাল সন্তোষজনকভাবে সম্পন্ন করার পর কর্মকর্তাদের চাকরি স্থায়ী করা হবে।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের আগে নির্ধারিত অঙ্গীকারনামা ও বন্ড দাখিল করতে হবে।
শিক্ষানবিশকাল বা স্থায়ী হওয়ার তিন বছরের মধ্যে চাকরি ছেড়ে দিলে প্রশিক্ষণকালীন ব্যয় সরকারকে ফেরত দিতে হবে।
নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ৪ জন, সমবায়ে ৪ জন, খাদ্য ক্যাডারে ১ জন, পরিবার পরিকল্পনায় ১ জন, পুলিশ ক্যাডারে ২ জন, কৃষি ক্যাডারে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হিসেবে ১৪ জন এবং সহকারী পরিচালক (বীজ প্রত্যয়ন) পদে ১ জন, স্বাস্থ্য ক্যাডারে সহকারী সার্জন হিসেবে ৭ জন, টেলিযোগাযোগ ক্যাডারে সহকারী বিভাগীয় প্রকৌশলী/সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে ২০ জন, রেলওয়ে প্রকৌশল ক্যাডারে ১ জন, গণপূর্ত ক্যাডারে ১ জন, মৎস্য ক্যাডারে ১ জন এবং সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের বিভিন্ন বিষয়ে প্রভাষক হিসেবে একাধিক প্রার্থী নিয়োগ পেয়েছেন।
সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, গণিত, পদার্থবিদ্যা, বাংলা, রসায়ন, প্রাণিবিদ্যা, ব্যবস্থাপনা, হিসাববিজ্ঞান, আরবি ও ইসলামি শিক্ষা এবং হাদিস বিষয়ে প্রভাষক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নিয়োগপ্রাপ্তদের আগামী ১৪ জুলাইয়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয় বা বিভাগে যোগদান করতে হবে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান না করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি চাকরিতে যোগ দিতে অনিচ্ছুক বলে গণ্য হবেন এবং তার নিয়োগাদেশ বাতিল বলে বিবেচিত হবে।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, চাকরিতে যোগদানের সময় সম্পদের বিবরণী জমা দিতে হবে এবং সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা অনুযায়ী প্রতি পাঁচ বছর অন্তর সম্পদের হালনাগাদ হিসাব দাখিল করতে হবে।
একই সঙ্গে যৌতুক গ্রহণ বা প্রদান না করার অঙ্গীকার করে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে বন্ডও সম্পাদন করতে হবে।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা এ প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে এ নিয়োগাদেশ কার্যকর করা হলো।
বাংলাস্কুপ/ প্রতিবেদক/এনআইএন