বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন বাড়ানোর মাধ্যমে সরকার জ্বালানি আমদানির চাপ কমাতে চায়। বিগত দিনের দায়-দেনা পরিশোধেরও এটি একমাত্র পথ।
সোমবার (৬ জুলাই) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আলোচনা সভায় ‘জাতীয় জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ পেশ করেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম। উপস্থাপিত প্রবন্ধে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি তুলে ধরা হয়। এর পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে একে জনগণের উপযোগী করার জন্য বেশ কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়।
মন্ত্রী বলেন, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর মাধ্যমে জ্বালানি আমদানির চাপ কমাতে চায় সরকার। বিগত দিনের দায়দেনা পরিশোধেও এটিই একমাত্র পথ। তবে এই পথে বেশি দামে বিদ্যুৎ কিনে বা উৎপাদন করে ভোক্তার কাঁধে বোঝা চাপানো যাবে না।
বর্তমানে ৮০ শতাংশ বিদ্যুৎ বেসরকারি খাতের নিয়ন্ত্রণে জানিয়ে তিনি বলেন, পুরোনো চুক্তি অনুযায়ী তাদের কাছ থেকে উচ্চ দামে বিদ্যুৎ কিনতে হচ্ছে। তাদের পাওনা পরিশোধ না করলে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। ফলে বাধ্য হয়ে বিদ্যুতের দাম বাড়াতে হয়েছে।
ইকবাল হাসান মাহমুদ আরো বলেন, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাড়ে ১৫ বছরে দেশে কোনো প্রকল্পই জনস্বার্থে নেওয়া হয়নি। সব প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল তাদের ব্যক্তিগত লাভের জন্য। তারা দেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও অর্থনৈতিক অবস্থাকে ধ্বংস করে গেছে। তার দায় এখন আমাদের গণতান্ত্রিক সরকারের ঘাড়ে এসে পড়েছে।
এ সময় গ্রাহকদের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এসংক্রান্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আলোচনা সভায় ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক এম শামসুল আলম বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্রে বিনিয়োগ ও উৎপাদন লক্ষ্য স্পষ্ট করা হলেও, অনিশ্চিত ভোক্তা স্বার্থ। তাই এটি চূড়ান্ত করার আগে সাশ্রয়ী মূল্য কাঠামো, আইনি প্রতিকার, বিইআরসির স্বাধীনতা ও সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে শতভাগ বেসরকারি বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
সোমবার (৬ জুলাই) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আলোচনা সভায় ‘জাতীয় জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ পেশ করেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম। উপস্থাপিত প্রবন্ধে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি তুলে ধরা হয়। এর পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে একে জনগণের উপযোগী করার জন্য বেশ কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়।
মন্ত্রী বলেন, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর মাধ্যমে জ্বালানি আমদানির চাপ কমাতে চায় সরকার। বিগত দিনের দায়দেনা পরিশোধেও এটিই একমাত্র পথ। তবে এই পথে বেশি দামে বিদ্যুৎ কিনে বা উৎপাদন করে ভোক্তার কাঁধে বোঝা চাপানো যাবে না।
বর্তমানে ৮০ শতাংশ বিদ্যুৎ বেসরকারি খাতের নিয়ন্ত্রণে জানিয়ে তিনি বলেন, পুরোনো চুক্তি অনুযায়ী তাদের কাছ থেকে উচ্চ দামে বিদ্যুৎ কিনতে হচ্ছে। তাদের পাওনা পরিশোধ না করলে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। ফলে বাধ্য হয়ে বিদ্যুতের দাম বাড়াতে হয়েছে।
ইকবাল হাসান মাহমুদ আরো বলেন, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাড়ে ১৫ বছরে দেশে কোনো প্রকল্পই জনস্বার্থে নেওয়া হয়নি। সব প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল তাদের ব্যক্তিগত লাভের জন্য। তারা দেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও অর্থনৈতিক অবস্থাকে ধ্বংস করে গেছে। তার দায় এখন আমাদের গণতান্ত্রিক সরকারের ঘাড়ে এসে পড়েছে।
এ সময় গ্রাহকদের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এসংক্রান্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আলোচনা সভায় ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক এম শামসুল আলম বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্রে বিনিয়োগ ও উৎপাদন লক্ষ্য স্পষ্ট করা হলেও, অনিশ্চিত ভোক্তা স্বার্থ। তাই এটি চূড়ান্ত করার আগে সাশ্রয়ী মূল্য কাঠামো, আইনি প্রতিকার, বিইআরসির স্বাধীনতা ও সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে শতভাগ বেসরকারি বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে