ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিলে দিশেহারা নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অন্তত সাড়ে ৫ লাখ গ্রাহক। অন্যান্য মাসে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বিল এলেও জুন মাসে তা বেড়ে গেছে প্রায় কয়েকগুণ। বিল বাড়লেও বাড়ছে না সেবার মান এমন অভিযোগ স্থানীয়দের। তবে, অতিরিক্ত বিল নিয়ে নানা যুক্তি দিচ্ছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।
নাটোর শহরের চকবৈদ্যনাথ এলাকার পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক মমিনুল ইসলাম মিলন। জুন মাসের বিল হাতে পাওয়ার পর তার চোখ যেন কপালে উঠেছে। বিগত মাসগুলোতে নিয়মিত ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বিল পরিশোধ করলেও জুন মাসে তার বিল এসেছে ৩ হাজার ৩৮৬ টাকা। হঠাৎ কয়েকগুণ বেশি বিল দেখে হতবাক তিনি।
গ্রাহক মমিনুল ইসলাম বলেন, ‘অস্বাভাবিক বিল এসেছে। আমার সারে ৪০০ টাকার বিল ৩০০ হাজার টাকা এসেছে। এ বিল পরিশোধ করে মিটার পরিবর্তনের আবেদন করতে বলেছে।’
তার মতো অনেকেই ফুলবাগানস্থ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর প্রধান কার্যালয়ে এসে ক্ষোভ ঝাড়ছেন বিদ্যুৎ অফিসের ওপর। গ্রাহকদের অভিযোগ, সেবার মান বৃদ্ধি না করে জুন মাসকে টাকা কামানোর পথ হিসেবে বেছে নিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। প্রতিছরই জুন মাসে অস্বাভাবিক বিলে দিশেহারা হয়ে পড়েন নিম্ন আয়ের মানুষ। সে সঙ্গে ঘনঘন লোডশেডিং তো নিত্য সঙ্গী।
ভুক্তভোগীদের একজন বলেন, ‘আমার গড় ইউনিট আসে ৭৮ ইউনিট। আমার এবার ১০০ ইউনিট করা হয়েছে।’
তবে, বিলের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি নিয়ে নানা যুক্তি দিচ্ছেন নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। সে সঙ্গে কেউ অভিযোগ করলে, তার ব্যাপারটি বিবেচনার কথাও জানান তারা।
নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ জেনারেল ম্যানেজার ফখরুল আলম বলেন, ‘অফ পিকে বিদ্যুৎ ব্যবহার করলে বিদ্যুৎ বিল কম আসবে। জনগণ এসব বিষয় খেয়াল করে না। যদি কেই আমাদের কাছে অভিযোগ করে তাহলে আমার ব্যবস্থা নিচ্ছি।’
প্রতিবছর জুন মাস আসলেই এমন বিল বাড়ার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি চান সাধারণ মানুষ। সেই সাথে প্রতিটি অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার দাবিও তাদের।
বাংলাস্কুপ/ প্রতিনিধি/এনআইএন
নাটোর শহরের চকবৈদ্যনাথ এলাকার পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক মমিনুল ইসলাম মিলন। জুন মাসের বিল হাতে পাওয়ার পর তার চোখ যেন কপালে উঠেছে। বিগত মাসগুলোতে নিয়মিত ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বিল পরিশোধ করলেও জুন মাসে তার বিল এসেছে ৩ হাজার ৩৮৬ টাকা। হঠাৎ কয়েকগুণ বেশি বিল দেখে হতবাক তিনি।
গ্রাহক মমিনুল ইসলাম বলেন, ‘অস্বাভাবিক বিল এসেছে। আমার সারে ৪০০ টাকার বিল ৩০০ হাজার টাকা এসেছে। এ বিল পরিশোধ করে মিটার পরিবর্তনের আবেদন করতে বলেছে।’
তার মতো অনেকেই ফুলবাগানস্থ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর প্রধান কার্যালয়ে এসে ক্ষোভ ঝাড়ছেন বিদ্যুৎ অফিসের ওপর। গ্রাহকদের অভিযোগ, সেবার মান বৃদ্ধি না করে জুন মাসকে টাকা কামানোর পথ হিসেবে বেছে নিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। প্রতিছরই জুন মাসে অস্বাভাবিক বিলে দিশেহারা হয়ে পড়েন নিম্ন আয়ের মানুষ। সে সঙ্গে ঘনঘন লোডশেডিং তো নিত্য সঙ্গী।
ভুক্তভোগীদের একজন বলেন, ‘আমার গড় ইউনিট আসে ৭৮ ইউনিট। আমার এবার ১০০ ইউনিট করা হয়েছে।’
তবে, বিলের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি নিয়ে নানা যুক্তি দিচ্ছেন নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। সে সঙ্গে কেউ অভিযোগ করলে, তার ব্যাপারটি বিবেচনার কথাও জানান তারা।
নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ জেনারেল ম্যানেজার ফখরুল আলম বলেন, ‘অফ পিকে বিদ্যুৎ ব্যবহার করলে বিদ্যুৎ বিল কম আসবে। জনগণ এসব বিষয় খেয়াল করে না। যদি কেই আমাদের কাছে অভিযোগ করে তাহলে আমার ব্যবস্থা নিচ্ছি।’
প্রতিবছর জুন মাস আসলেই এমন বিল বাড়ার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি চান সাধারণ মানুষ। সেই সাথে প্রতিটি অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার দাবিও তাদের।
বাংলাস্কুপ/ প্রতিনিধি/এনআইএন