ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজার নামাজে তাঁর তিন ছেলে অংশ নিয়েছেন। তাঁরা হলেন- মাসউদ, মেইসাম ও মোস্তফা খামেনি।
সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জানাজার নামাজে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কমান্ডার আহমাদ ভাহিদিও উপস্থিত ছিলেন।
তবে খামেনির ছেলে ও তাঁর ঘোষিত উত্তরসূরি মোজতবা খামেনি অনুষ্ঠানে অংশ নেননি। ইরানি কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির কারণেই তিনি জানাজায় অনুপস্থিত ছিলেন।
এর আগে তেহরান জানিয়েছিল, ইসরায়েলের পক্ষ থেকে মোজতবা খামেনিকে হত্যার হুমকি থাকায় তাকে জনসমক্ষে আনা হচ্ছে না। গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর থেকেই তিনি প্রকাশ্যে আসেননি।
যদিও মোজতবা খামেনি জনসমক্ষে অনুপস্থিত, তবুও রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তার নামে একাধিক লিখিত বার্তা প্রকাশ করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। এসব বার্তার মাধ্যমে তিনি দেশ পরিচালনা-সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও অবস্থান তুলে ধরেছেন বলে দাবি করেছে তেহরান। সূত্র: আল-জাজিরা
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
খামেনির মৃত্যুতে শোক: দ্বিতীয় দিনেও তেহরানে মানুষের ঢল
সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জানাজার নামাজে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কমান্ডার আহমাদ ভাহিদিও উপস্থিত ছিলেন।
তবে খামেনির ছেলে ও তাঁর ঘোষিত উত্তরসূরি মোজতবা খামেনি অনুষ্ঠানে অংশ নেননি। ইরানি কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির কারণেই তিনি জানাজায় অনুপস্থিত ছিলেন।
এর আগে তেহরান জানিয়েছিল, ইসরায়েলের পক্ষ থেকে মোজতবা খামেনিকে হত্যার হুমকি থাকায় তাকে জনসমক্ষে আনা হচ্ছে না। গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর থেকেই তিনি প্রকাশ্যে আসেননি।
যদিও মোজতবা খামেনি জনসমক্ষে অনুপস্থিত, তবুও রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তার নামে একাধিক লিখিত বার্তা প্রকাশ করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। এসব বার্তার মাধ্যমে তিনি দেশ পরিচালনা-সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও অবস্থান তুলে ধরেছেন বলে দাবি করেছে তেহরান। সূত্র: আল-জাজিরা
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
খামেনির মৃত্যুতে শোক: দ্বিতীয় দিনেও তেহরানে মানুষের ঢল