প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহারের খবর প্রত্যাখান করেছে সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্তৃপক্ষ। গ্রাহকরাও বলছেন, এ ধরনের কোনও সুবিধা তাঁরা পাচ্ছেন না।
আসলে, বিদ্যুতের মিটার ভাড়া বাতিলের বিষয়টি সঠিক নয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের পর জানানো হয় মিটার ভাড়া প্রত্যাহার করা হবে। এরপর বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির সময় গত ৩ জুন সরকারি দল বিএনপির ফেসবুক পেজ থেকে প্রচার করা হয় সরকার প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে নিচ্ছে।
কিন্তু এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এই বিষয়ে কিছুই জানে না। এদিকে, বিদ্যুৎ বিভাগে গত বৃহস্পতিবার খোঁজ নিলে জানা যায়, এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জারি করা হয়নি।
রাজধানীর প্রিপেইড মিটারের গ্রাহকরা বলছেন, মিটারের ভাড়া বাতিল সংক্রান্ত খবর পত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে জানলেও বাস্তবে এমন কোনও ঘটনা ঘটেনি।
পল্টন এলাকার ডিপিডিসির গ্রাহক নুরুল ইসলাম চলতি মাসে মিটার রিচার্জ করেছেন। তিনি বলছেন, তাঁর প্রিপেইড মিটারের ভাড়া কেটে নেয়া হয়েছে । তার আশেপাশে সব জায়গাতেই প্রিপেইড মিটার। তারা সবাই মিটার ভাড়া পরিশোধ করছেন বলে জানান নুরুল ইসলাম। একই বক্তব্য আদাবরের বাসিন্দা আব্দুল হাই, কাঁঠালবাগানের সাজ্জাদ খান এবং মগবাজারের রহিমা খাতুনেরও।
তথ্যমতে, সারাদেশে ৫৫ লাখ গ্রাহকের ঘরে প্রিপেইড মিটার রয়েছে। সিঙ্গেল ফেইজ মিটারের ভাড়া ৪০ টাকা আর থ্রি ফেইজ মিটারের ভাড়া ৪২ টাকা। প্রিপেইড মিটারের ভাড়া এবং বিদ্যুতের ডিমান্ড চার্জ নিয়ে গ্রাহকের ক্ষোভের শেষ নেই। প্রতি কিলোওয়াটের জন্য আবাসিক গ্রাহককে ৪২ টাকা করে ডিমান্ড চার্জ দিতে হয়। অর্থাৎ একজন গ্রাহক যদি ৫ কিলোওয়াটের লাইন নেয় তাহলে তার ৫ কিলোওয়াট বাবদ ২১০ টাকার সঙ্গে মিটার ভাড়া যোগ হবে বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার সময়।
রাজধানীর দুটি বিদ্যুৎ বিতরণী কোম্পানি ডিপিডিসি ও ডেসকোর প্রকৌশলীরা বলছেন, প্রিপেইড মিটারের প্রকল্পগুলো ঋণের অর্থে বাস্তবায়িত হয়েছে। মিটার ভাড়া থেকে সেই ঋণের একাংশ পরিশোধ করা হয়। এখন সরকার যদি মিটার ভাড়া প্রত্যাহার করতে চায় তাহলে ঋণ পরিশোধের কী হবে? এ বিষয়টি আগে ফয়সালা করতে হবে। কিন্তু কোনও যাচাই-বাছাই ছাড়াই এই ধরনের বক্তব্য, গণমাধ্যমে সংবাদ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হওয়ায় গ্রাহকরা বিভ্রান্তিতে পড়েছেন। সেই সঙ্গে, সারাদেশের বিতরণী কোম্পানির মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা গ্রাহকের তোপের মুখে পড়েছেন।
এ বিষয়ে বিইআরসি চেয়ারম্যন জালাল আহমেদ বলেন, ২০১৭ সালে তৎকালীন সরকার একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রিপেইড মিটারের প্রকল্প চালু করে। এই প্রকল্পের আওতায় মিটার ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। সেই প্রজ্ঞাপন বাদ দিলেই এই ভাড়া কাটা বন্ধ হয়ে যাবে। সরকার এই প্রকল্পের টাকার দায় নিলেই ভাড়া বাতিল করা যাবে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
আসলে, বিদ্যুতের মিটার ভাড়া বাতিলের বিষয়টি সঠিক নয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের পর জানানো হয় মিটার ভাড়া প্রত্যাহার করা হবে। এরপর বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির সময় গত ৩ জুন সরকারি দল বিএনপির ফেসবুক পেজ থেকে প্রচার করা হয় সরকার প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে নিচ্ছে।
কিন্তু এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এই বিষয়ে কিছুই জানে না। এদিকে, বিদ্যুৎ বিভাগে গত বৃহস্পতিবার খোঁজ নিলে জানা যায়, এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জারি করা হয়নি।
রাজধানীর প্রিপেইড মিটারের গ্রাহকরা বলছেন, মিটারের ভাড়া বাতিল সংক্রান্ত খবর পত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে জানলেও বাস্তবে এমন কোনও ঘটনা ঘটেনি।
পল্টন এলাকার ডিপিডিসির গ্রাহক নুরুল ইসলাম চলতি মাসে মিটার রিচার্জ করেছেন। তিনি বলছেন, তাঁর প্রিপেইড মিটারের ভাড়া কেটে নেয়া হয়েছে । তার আশেপাশে সব জায়গাতেই প্রিপেইড মিটার। তারা সবাই মিটার ভাড়া পরিশোধ করছেন বলে জানান নুরুল ইসলাম। একই বক্তব্য আদাবরের বাসিন্দা আব্দুল হাই, কাঁঠালবাগানের সাজ্জাদ খান এবং মগবাজারের রহিমা খাতুনেরও।
তথ্যমতে, সারাদেশে ৫৫ লাখ গ্রাহকের ঘরে প্রিপেইড মিটার রয়েছে। সিঙ্গেল ফেইজ মিটারের ভাড়া ৪০ টাকা আর থ্রি ফেইজ মিটারের ভাড়া ৪২ টাকা। প্রিপেইড মিটারের ভাড়া এবং বিদ্যুতের ডিমান্ড চার্জ নিয়ে গ্রাহকের ক্ষোভের শেষ নেই। প্রতি কিলোওয়াটের জন্য আবাসিক গ্রাহককে ৪২ টাকা করে ডিমান্ড চার্জ দিতে হয়। অর্থাৎ একজন গ্রাহক যদি ৫ কিলোওয়াটের লাইন নেয় তাহলে তার ৫ কিলোওয়াট বাবদ ২১০ টাকার সঙ্গে মিটার ভাড়া যোগ হবে বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার সময়।
রাজধানীর দুটি বিদ্যুৎ বিতরণী কোম্পানি ডিপিডিসি ও ডেসকোর প্রকৌশলীরা বলছেন, প্রিপেইড মিটারের প্রকল্পগুলো ঋণের অর্থে বাস্তবায়িত হয়েছে। মিটার ভাড়া থেকে সেই ঋণের একাংশ পরিশোধ করা হয়। এখন সরকার যদি মিটার ভাড়া প্রত্যাহার করতে চায় তাহলে ঋণ পরিশোধের কী হবে? এ বিষয়টি আগে ফয়সালা করতে হবে। কিন্তু কোনও যাচাই-বাছাই ছাড়াই এই ধরনের বক্তব্য, গণমাধ্যমে সংবাদ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হওয়ায় গ্রাহকরা বিভ্রান্তিতে পড়েছেন। সেই সঙ্গে, সারাদেশের বিতরণী কোম্পানির মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা গ্রাহকের তোপের মুখে পড়েছেন।
এ বিষয়ে বিইআরসি চেয়ারম্যন জালাল আহমেদ বলেন, ২০১৭ সালে তৎকালীন সরকার একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রিপেইড মিটারের প্রকল্প চালু করে। এই প্রকল্পের আওতায় মিটার ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। সেই প্রজ্ঞাপন বাদ দিলেই এই ভাড়া কাটা বন্ধ হয়ে যাবে। সরকার এই প্রকল্পের টাকার দায় নিলেই ভাড়া বাতিল করা যাবে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে