ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠান চলার মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানকে ‘একদম ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছেন’।
স্থানীয় সময় শনিবার (৪ জুলাই) সকালে তেহরানে ইমাম খোমেনি মুসাল্লায় ছয় দিনের শোকানুষ্ঠান শুরু হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের মাউন্ট রাশমোরের কাছে দেওয়া এক বক্তৃতায় ট্রাম্প বলেন, খামেনির শেষকৃত্যের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ‘এক সপ্তাহ সময়’ দিয়েছে।
তিনি বলেন, “আমরা এক দিনেই ভেনেজুয়েলাকে হারিয়েছি। আর ইরানকে একদম ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছি। তারা এখন সমঝোতা করতে মরিয়া। আমরা ভালো মানুষ বলেই শেষকৃত্যের জন্য তাদের এক সপ্তাহ সময় দিয়েছি।”
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলার শুরুতে নিজ বাসভবনে নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি। ব্যাপক হামলার মধ্যে ইরানও পশ্চিম এশিয়ার আরবদেশগুলোতে পাল্টা হামলা চালায়। তাতে পুরো মধ্য এশিয়াজুড়ে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়।
খামেনি নিহত হওয়ার পর মার্চে শেষকৃত্যের আয়োজনের পরিকল্পনা করা হলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ চলতে থাকায় তা স্থগিত করা হয়।
গত মাসে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চুক্তি হওয়ার পরও দুই পক্ষের মধ্যে কয়েক দফা হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে যুদ্ধবিরতি কিছুটা নাজুক হয়ে পড়লেও সাম্প্রতিক দিনগুলোতে সংঘর্ষের মাত্রা কিছুটা কমেছে।
এনডিটিভি লিখেছে, ইরান খামেনির শেষকৃত্য শুরু করার জন্য ৪ জুলাইকে বেছে নিয়েছে, যেদিন যুক্তরাষ্ট্র তার ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছে। ছয় দিন ধরে শোক পালন করে বৃহস্পতিবার ইরানের মাশহাদ শহরে হযরত ইমাম রেজার মাজারে দাফন করা হবে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে।
ইরান কর্তৃপক্ষের ধারণা, ছয় দিনের এই কর্মসূচিতে লাখো মানুষ রাস্তায় নেমে শোক প্রকাশ করবেন। ফলে এটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি নজর কাড়া শেষকৃত্যের একটি হয়ে উঠতে পারে।
খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানে অনেককে বড় পতাকা বহন করতে দেখা যায়, যাতে লেখা ‘কিল ট্রাম্প’।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
স্থানীয় সময় শনিবার (৪ জুলাই) সকালে তেহরানে ইমাম খোমেনি মুসাল্লায় ছয় দিনের শোকানুষ্ঠান শুরু হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের মাউন্ট রাশমোরের কাছে দেওয়া এক বক্তৃতায় ট্রাম্প বলেন, খামেনির শেষকৃত্যের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ‘এক সপ্তাহ সময়’ দিয়েছে।
তিনি বলেন, “আমরা এক দিনেই ভেনেজুয়েলাকে হারিয়েছি। আর ইরানকে একদম ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছি। তারা এখন সমঝোতা করতে মরিয়া। আমরা ভালো মানুষ বলেই শেষকৃত্যের জন্য তাদের এক সপ্তাহ সময় দিয়েছি।”
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলার শুরুতে নিজ বাসভবনে নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি। ব্যাপক হামলার মধ্যে ইরানও পশ্চিম এশিয়ার আরবদেশগুলোতে পাল্টা হামলা চালায়। তাতে পুরো মধ্য এশিয়াজুড়ে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়।
খামেনি নিহত হওয়ার পর মার্চে শেষকৃত্যের আয়োজনের পরিকল্পনা করা হলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ চলতে থাকায় তা স্থগিত করা হয়।
গত মাসে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চুক্তি হওয়ার পরও দুই পক্ষের মধ্যে কয়েক দফা হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে যুদ্ধবিরতি কিছুটা নাজুক হয়ে পড়লেও সাম্প্রতিক দিনগুলোতে সংঘর্ষের মাত্রা কিছুটা কমেছে।
এনডিটিভি লিখেছে, ইরান খামেনির শেষকৃত্য শুরু করার জন্য ৪ জুলাইকে বেছে নিয়েছে, যেদিন যুক্তরাষ্ট্র তার ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছে। ছয় দিন ধরে শোক পালন করে বৃহস্পতিবার ইরানের মাশহাদ শহরে হযরত ইমাম রেজার মাজারে দাফন করা হবে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে।
ইরান কর্তৃপক্ষের ধারণা, ছয় দিনের এই কর্মসূচিতে লাখো মানুষ রাস্তায় নেমে শোক প্রকাশ করবেন। ফলে এটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি নজর কাড়া শেষকৃত্যের একটি হয়ে উঠতে পারে।
খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানে অনেককে বড় পতাকা বহন করতে দেখা যায়, যাতে লেখা ‘কিল ট্রাম্প’।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে