দেশে হাম পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ৯৬৫ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন, যার মধ্যে পরীক্ষায় ১৫৪ জনের হাম নিশ্চিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত সর্বশেষ পরিস্থিতি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২ জুলাই সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশে মোট ৮৬ হাজার ৪১১ জন সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৮২ হাজার ৭৫৯ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। তবে হামের উপসর্গ নিয়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৬৩১ জনে পৌঁছেছে। একই সময়ে পরীক্ষায় নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ৯৩ জন।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম অত্যন্ত সংক্রামক একটি ভাইরাসজনিত রোগ। তাই আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা, শিশুদের সময়মতো টিকা নিশ্চিত করা এবং জ্বর, শরীরে লালচে ফুসকুড়ি, কাশি বা চোখ লাল হওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করা জরুরি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরও অভিভাবকদের শিশুদের নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় এনে হাম প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত সর্বশেষ পরিস্থিতি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২ জুলাই সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশে মোট ৮৬ হাজার ৪১১ জন সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৮২ হাজার ৭৫৯ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। তবে হামের উপসর্গ নিয়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৬৩১ জনে পৌঁছেছে। একই সময়ে পরীক্ষায় নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ৯৩ জন।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম অত্যন্ত সংক্রামক একটি ভাইরাসজনিত রোগ। তাই আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা, শিশুদের সময়মতো টিকা নিশ্চিত করা এবং জ্বর, শরীরে লালচে ফুসকুড়ি, কাশি বা চোখ লাল হওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করা জরুরি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরও অভিভাবকদের শিশুদের নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় এনে হাম প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে