দীর্ঘ চার দশকের আক্ষেপ ঘুচিয়ে অবশেষে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জয়ের দেখা পেল মেক্সিকো। আজতেকা স্টেডিয়ামের বৈরী আবহাওয়া আর বজ্রঝড়কে উপেক্ষা করে ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করল স্বাগতিকরা। এই জয়ের ফলে দীর্ঘ ৪০ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে জয়ের গৌরব অর্জন করল মেক্সিকানরা।
সবশেষ সেই ১৯৮৬ নিজ দেশের মাটিতে আয়োজিত বিশ্বকাপের আসরে নকআউটের ম্যাচ জিততে পেরেছিল মেক্সিকো। এরপর ১৯৯৪ থেকে টানা সাতটি আসরে গ্রুপ পর্বের বাধা উতরালেও পরের ধাপেই মুখ থুবড়ে পড়েছিল তারা। এবার নিজেদের চেনা মাঠে কেটে গেল সেই ধারা। আগামী ৬ জুলাই স্বাগতিকরা মাঠে নামবে ইংল্যান্ড অথবা ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে—যে দল এই দুইয়ের লড়াইয়ে জয়ী হবে।
এদিন ম্যাচ শুরুর আগে ৮২ হাজারের বেশি দর্শকের গর্জনে প্রকম্পিত ছিল আজতেকা। তবে গর্জে উঠেছিল প্রকৃতিও। বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় ম্যাচ শুরুর কথা থাকলেও বজ্রঝড়ের কারণে প্রায় এক ঘণ্টা বিলম্ব হয়। কিন্তু প্রকৃতি শান্ত হতেই মাঠে ঝড় তুলল মেক্সিকো। প্রথমার্ধের শুরুর আধ ঘণ্টায় দুই গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের মুঠোয় নিয়ে নেয় স্বাগতিকরা।
ম্যাচের ২২তম মিনিটে হুলিয়ান কিনিওনেসের গোলে এগিয়ে যায় মেক্সিকো। গোলটি নিয়ে ভিএআর যাচাই করা হলেও রেফারির সিদ্ধান্ত মেক্সিকোর পক্ষেই যায়। এই গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই ৩১তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে মেক্সিকো। ইকুয়েডরের রক্ষণভাগের ভুলে ম্যাচের বল পেয়ে বক্সের বাইরে থেকে অভিজ্ঞ রাউল হিমিনেজের নিখুঁত নিচু শট জড়িয়ে যায় জালে।
'ডার্ক হর্স' হিসেবে আসা ইকুয়েডর ম্যাচ ফিরতে মরিয়া চেষ্টা চালিয়েছিল। প্রথমার্ধের ১৮ মিনিটে জন ইয়েবোয়ার একটি জোরালো শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। দ্বিতীয়ার্ধে কেন্ড্রি পায়েস ও মইসেস কাইসেদোরা বেশ কিছু আক্রমণ গড়ে তুললেও মেক্সিকোর রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষক রাউল রাহনেলের দৃঢ়তায় গোলবঞ্চিত থাকে সফরকারীরা। ম্যাচের শেষ দিকে মেজাজ হারিয়ে ইকুয়েডরের ডিফেন্ডার পিয়েরো ইনকাপিয়ে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে দলটির বিদায় নিশ্চিত হয়।
১৯৮৬ সালে নিজেদের মাটিতে শেষবার নকআউটে ম্যাচ জেতা সেই দলের সদস্য ছিলেন বর্তমান কোচ হাভিয়ের আগিরে। ৪০ বছর পর তার নেতৃত্বেই ফের নকআউট জয়ের উল্লাস দেখল মেক্সিকো।
ম্যাচ শেষে আজতেকার গ্যালারি থেকে ভেসে আসা গান আর হাজারো ভক্তের উল্লাস জানান দিচ্ছিল, পুরো মেক্সিকো রাতটি উদযাপন করবে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে। শেষ ষোলোয় পরবর্তী ম্যাচে ইংল্যান্ডের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও, আজতেকার চেনা আঙিনায় স্বপ্ন দেখতেই পারে মেক্সিকো
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
সবশেষ সেই ১৯৮৬ নিজ দেশের মাটিতে আয়োজিত বিশ্বকাপের আসরে নকআউটের ম্যাচ জিততে পেরেছিল মেক্সিকো। এরপর ১৯৯৪ থেকে টানা সাতটি আসরে গ্রুপ পর্বের বাধা উতরালেও পরের ধাপেই মুখ থুবড়ে পড়েছিল তারা। এবার নিজেদের চেনা মাঠে কেটে গেল সেই ধারা। আগামী ৬ জুলাই স্বাগতিকরা মাঠে নামবে ইংল্যান্ড অথবা ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে—যে দল এই দুইয়ের লড়াইয়ে জয়ী হবে।
এদিন ম্যাচ শুরুর আগে ৮২ হাজারের বেশি দর্শকের গর্জনে প্রকম্পিত ছিল আজতেকা। তবে গর্জে উঠেছিল প্রকৃতিও। বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় ম্যাচ শুরুর কথা থাকলেও বজ্রঝড়ের কারণে প্রায় এক ঘণ্টা বিলম্ব হয়। কিন্তু প্রকৃতি শান্ত হতেই মাঠে ঝড় তুলল মেক্সিকো। প্রথমার্ধের শুরুর আধ ঘণ্টায় দুই গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের মুঠোয় নিয়ে নেয় স্বাগতিকরা।
ম্যাচের ২২তম মিনিটে হুলিয়ান কিনিওনেসের গোলে এগিয়ে যায় মেক্সিকো। গোলটি নিয়ে ভিএআর যাচাই করা হলেও রেফারির সিদ্ধান্ত মেক্সিকোর পক্ষেই যায়। এই গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই ৩১তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে মেক্সিকো। ইকুয়েডরের রক্ষণভাগের ভুলে ম্যাচের বল পেয়ে বক্সের বাইরে থেকে অভিজ্ঞ রাউল হিমিনেজের নিখুঁত নিচু শট জড়িয়ে যায় জালে।
'ডার্ক হর্স' হিসেবে আসা ইকুয়েডর ম্যাচ ফিরতে মরিয়া চেষ্টা চালিয়েছিল। প্রথমার্ধের ১৮ মিনিটে জন ইয়েবোয়ার একটি জোরালো শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। দ্বিতীয়ার্ধে কেন্ড্রি পায়েস ও মইসেস কাইসেদোরা বেশ কিছু আক্রমণ গড়ে তুললেও মেক্সিকোর রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষক রাউল রাহনেলের দৃঢ়তায় গোলবঞ্চিত থাকে সফরকারীরা। ম্যাচের শেষ দিকে মেজাজ হারিয়ে ইকুয়েডরের ডিফেন্ডার পিয়েরো ইনকাপিয়ে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে দলটির বিদায় নিশ্চিত হয়।
১৯৮৬ সালে নিজেদের মাটিতে শেষবার নকআউটে ম্যাচ জেতা সেই দলের সদস্য ছিলেন বর্তমান কোচ হাভিয়ের আগিরে। ৪০ বছর পর তার নেতৃত্বেই ফের নকআউট জয়ের উল্লাস দেখল মেক্সিকো।
ম্যাচ শেষে আজতেকার গ্যালারি থেকে ভেসে আসা গান আর হাজারো ভক্তের উল্লাস জানান দিচ্ছিল, পুরো মেক্সিকো রাতটি উদযাপন করবে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে। শেষ ষোলোয় পরবর্তী ম্যাচে ইংল্যান্ডের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও, আজতেকার চেনা আঙিনায় স্বপ্ন দেখতেই পারে মেক্সিকো
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন