মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কয়লা শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা চালালেও যুক্তরাষ্ট্রে সৌরবিদ্যুতের অগ্রযাত্রা থামেনি। বরং ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মে মাসে দেশটির বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লাকে ছাড়িয়ে গেছে সৌরশক্তি।
জ্বালানি গবেষণা প্রতিষ্ঠান এম্বারের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মোট বিদ্যুতের ১২ দশমিক ৮ শতাংশ এসেছে সৌরশক্তি থেকে। একই সময়ে কয়লার অবদান ছিল ১২ দশমিক ২ শতাংশ, যা কয়লার ইতিহাসে অন্যতম সর্বনিম্ন মাসিক অংশীদারিত্ব।
এম্বারের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক নিকোলাস ফুলগাম বলেন, কয়লা একসময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বিদ্যুতের উৎস ছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে সেই অবস্থান হারিয়েছে। অন্যদিকে সৌরশক্তির ব্যবহার ধারাবাহিকভাবে বেড়েই চলেছে।
বর্তমানে প্রাকৃতিক গ্যাস ও পারমাণবিক শক্তির পর সৌরবিদ্যুৎ যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় বৃহত্তম বিদ্যুৎ উৎসে পরিণত হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), নতুন শিল্প স্থাপন ও বৈদ্যুতিক যানবাহনের ব্যবহার বাড়ায় যুক্তরাষ্ট্রে বিদ্যুতের চাহিদা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই চাহিদা পূরণে সবচেয়ে দ্রুত এগিয়ে আসছে সৌরশক্তি।
এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন কয়লা শিল্পে প্রায় ৭০ কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও কয়লা রপ্তানিতে সহায়তা দেওয়ারও ঘোষণা দিয়েছে সরকার। ট্রাম্পের দাবি, বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কয়লার মতো শক্তিশালী জ্বালানি আর নেই।
তবে জ্বালানি খাতের বিশ্লেষকদের মতে, বিনিয়োগকারীরা এখন লাভজনক খাতেই অর্থ ঢালছেন, আর সেই খাতটি হচ্ছে সৌরবিদ্যুৎ।
সোলার এনার্জি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, টানা পাঁচ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার প্রধান উৎস সৌরশক্তি। ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে যুক্ত হওয়া নতুন বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার ৯১ শতাংশই এসেছে সৌরবিদ্যুৎ ও ব্যাটারি সংরক্ষণ ব্যবস্থা থেকে।
যদিও ট্রাম্প প্রশাসন বেশ কয়েকটি সৌর ও বায়ুশক্তি প্রকল্প বাতিল করেছে, পরিচ্ছন্ন জ্বালানির অনুমোদন প্রক্রিয়া ধীর করেছে এবং সাশ্রয়ী সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত ৭ বিলিয়ন ডলারের তহবিলও বাতিল করেছে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, সৌরবিদ্যুৎ এখন সবচেয়ে সস্তা, সহজে সম্প্রসারণযোগ্য এবং সবচেয়ে সম্ভাবনাময় নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎস। তাই সরকারি নীতিগত বাধা থাকলেও এর অগ্রযাত্রা থামানো কঠিন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের নির্বাচনে ট্রাম্প বিজয়ী হয়েছিলেন এমন অঙ্গরাজ্যগুলোতেই ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের ৭৪ শতাংশ হয়েছে। টেক্সাস, ফ্লোরিডা, ওহাইও, ইন্ডিয়ানা, মিশিগান, অ্যারিজোনা ও মিসিসিপি সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে শীর্ষে রয়েছে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বড় সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র, বাণিজ্যিক প্রকল্প, কমিউনিটি সোলার ও ছাদের সৌরপ্যানেল মিলিয়ে মোট সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনার সংখ্যা ৬০ লাখ ছাড়িয়েছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
জ্বালানি গবেষণা প্রতিষ্ঠান এম্বারের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মোট বিদ্যুতের ১২ দশমিক ৮ শতাংশ এসেছে সৌরশক্তি থেকে। একই সময়ে কয়লার অবদান ছিল ১২ দশমিক ২ শতাংশ, যা কয়লার ইতিহাসে অন্যতম সর্বনিম্ন মাসিক অংশীদারিত্ব।
এম্বারের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক নিকোলাস ফুলগাম বলেন, কয়লা একসময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বিদ্যুতের উৎস ছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে সেই অবস্থান হারিয়েছে। অন্যদিকে সৌরশক্তির ব্যবহার ধারাবাহিকভাবে বেড়েই চলেছে।
বর্তমানে প্রাকৃতিক গ্যাস ও পারমাণবিক শক্তির পর সৌরবিদ্যুৎ যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় বৃহত্তম বিদ্যুৎ উৎসে পরিণত হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), নতুন শিল্প স্থাপন ও বৈদ্যুতিক যানবাহনের ব্যবহার বাড়ায় যুক্তরাষ্ট্রে বিদ্যুতের চাহিদা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই চাহিদা পূরণে সবচেয়ে দ্রুত এগিয়ে আসছে সৌরশক্তি।
এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন কয়লা শিল্পে প্রায় ৭০ কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও কয়লা রপ্তানিতে সহায়তা দেওয়ারও ঘোষণা দিয়েছে সরকার। ট্রাম্পের দাবি, বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কয়লার মতো শক্তিশালী জ্বালানি আর নেই।
তবে জ্বালানি খাতের বিশ্লেষকদের মতে, বিনিয়োগকারীরা এখন লাভজনক খাতেই অর্থ ঢালছেন, আর সেই খাতটি হচ্ছে সৌরবিদ্যুৎ।
সোলার এনার্জি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, টানা পাঁচ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার প্রধান উৎস সৌরশক্তি। ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে যুক্ত হওয়া নতুন বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার ৯১ শতাংশই এসেছে সৌরবিদ্যুৎ ও ব্যাটারি সংরক্ষণ ব্যবস্থা থেকে।
যদিও ট্রাম্প প্রশাসন বেশ কয়েকটি সৌর ও বায়ুশক্তি প্রকল্প বাতিল করেছে, পরিচ্ছন্ন জ্বালানির অনুমোদন প্রক্রিয়া ধীর করেছে এবং সাশ্রয়ী সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত ৭ বিলিয়ন ডলারের তহবিলও বাতিল করেছে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, সৌরবিদ্যুৎ এখন সবচেয়ে সস্তা, সহজে সম্প্রসারণযোগ্য এবং সবচেয়ে সম্ভাবনাময় নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎস। তাই সরকারি নীতিগত বাধা থাকলেও এর অগ্রযাত্রা থামানো কঠিন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের নির্বাচনে ট্রাম্প বিজয়ী হয়েছিলেন এমন অঙ্গরাজ্যগুলোতেই ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের ৭৪ শতাংশ হয়েছে। টেক্সাস, ফ্লোরিডা, ওহাইও, ইন্ডিয়ানা, মিশিগান, অ্যারিজোনা ও মিসিসিপি সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে শীর্ষে রয়েছে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বড় সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র, বাণিজ্যিক প্রকল্প, কমিউনিটি সোলার ও ছাদের সৌরপ্যানেল মিলিয়ে মোট সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনার সংখ্যা ৬০ লাখ ছাড়িয়েছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন