ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই টানটান উত্তেজনা আর প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসার অনন্য বহিঃপ্রকাশ। এই ফুটবলের উন্মাদনা শুধু মাঠেই সীমাবদ্ধ নয়, ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের প্রতিটি অলিগলি থেকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও।
বিশ্বকাপের আবহে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার কাঁচামালের আড়তে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়ে আলোচনায় এসেছেন সবজি ব্যবসায়ী কাওসার আলী। শুধু দোকান সাজসজ্জাতেই থেমে থাকেননি তিনি, নাম বদলে রেখেছেন আর্জেন্টিনা সবজি ভান্ডার। দিয়েছেন সবজি কিনলে বিশেষ ছাড়ের ঘোষণাও।
সরেজমিন দেখা যায়, কাঁচাবাজারের বাকি সব দোকান থেকে আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের একনিষ্ঠ সমর্থক কাওসার আলীর দোকানটি সম্পূর্ণ আলাদা। নিজের খুচরা সবজির দোকানটিকে সাজিয়েছেন নীল-সাদা রঙের আর্জেন্টিনার পতাকায়। পুরো দোকান ঘিরে রাখা হয়েছে অসংখ্য পতাকা।
শুধু সাজসজ্জাতেই থেমে থাকেননি কাওসার। নিজের দোকানের নামও বদলে রেখেছেন আর্জেন্টিনা সবজি ভান্ডার। দোকানের সামনে টানানো সাইনবোর্ডে বড় অক্ষরে লেখা রয়েছে নামটি। তার পাশেই আরেকটি আকর্ষণীয় ঘোষণা দিয়ে রেখেছেন তিনি। সেটি হলো- ‘আর্জেন্টিনার জার্সি পরে আসলেই কেজি প্রতি ১০ টাকা পর্যন্ত ছাড়।’
কাওসারের দেওয়া এ ঘোষণার পর থেকেই বাজারে সৃষ্টি হয়েছে ভিন্নরকম উৎসাহ। আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে দিয়ে অনেক ক্রেতা ভিড় জমাচ্ছেন কাওসার আলীর দোকানে। তারা সবজি কিনছেন, আবার কেউ কেউ শুধু কৌতূহল মেটাতে এসে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করছেন।
আর্জেন্টিনা সবজি ভান্ডারে সবজি কিনতে আসা রাহাত বলেন, “ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে উন্মাদনা তো কতই দেখেছি, কিন্তু জার্সি পরে সবজি কিনলে ১০ টাকা ছাড়- এমন কাণ্ড কখনো শুনিনি। আমি কিছু বাজার করলাম। এতে মেসির প্রতি ভালোবাসাও প্রকাশ হলো, আবার পকেটের টাকাও কিছু বাঁচল।”
সবুজ মিয়া নামের আরেক আর্জেন্টিনা ফুটবল ভক্ত বলেন, “আমি কিছু কিনতে আসিনি। আর্জেন্টিনা সবজি ভান্ডারের নাম শুনে দেখতে এসেছি। আমার বাসা প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে। এত দূর থেকে আমার সঙ্গে আরো তিনজন এসেছেন।”
কাওসারের দোকান দেখতে আসা মিরাজ বলেন, “আমি ব্রাজিল ভক্ত, তবুও কাওসারের দোকানের কথা শুনে দেখতে এসেছি। কাওসারের দোকানে সাজসজ্জা ও বিশেষ ছাড় বেশ ভালো লাগল।”
বাজারের নিয়মিত ক্রেতা রঞ্জু চৌধুরী বলেন, “আমি বাজারে আসার পর কাওসারের দোকান চোখে পরে। কৌতুহলী হয়ে সেই দোকানে কিনাকাটা করতে যাই। আর্জেন্টিনার জার্সি না থাকায় কোনো ছাড় পাইনি। তবে, সেখান থেকে শাক-সবজি কিনতে পারায় ভালো লেগেছে।”
আর্জেন্টিনা সবজি ভান্ডারের মালিক কাওসার আলী বলেন, “আমি ছোটবেলা থেকেই আর্জেন্টিনার সমর্থক। বিশ্বকাপ এলে এই দলের খেলা নিয়ে আলাদা উত্তেজনা কাজ করে। তাই নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করতে দোকানটিকে আর্জেন্টিনার রঙে সাজিয়েছি। ক্রেতাদেরও একটু আনন্দ দিতে জার্সি পরে এলে বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা করেছি।”
স্থানীয়দের ভাষ্য, এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ এর আগে এই বাজারে দেখা যায়নি। ফলে প্রতিদিনই উৎসুক মানুষ ভিড় করছেন দোকানটি দেখতে। সবাই বলছেন, এটি ফুটবল প্রেমের অনন্য প্রকাশ।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
বিশ্বকাপের আবহে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার কাঁচামালের আড়তে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়ে আলোচনায় এসেছেন সবজি ব্যবসায়ী কাওসার আলী। শুধু দোকান সাজসজ্জাতেই থেমে থাকেননি তিনি, নাম বদলে রেখেছেন আর্জেন্টিনা সবজি ভান্ডার। দিয়েছেন সবজি কিনলে বিশেষ ছাড়ের ঘোষণাও।
সরেজমিন দেখা যায়, কাঁচাবাজারের বাকি সব দোকান থেকে আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের একনিষ্ঠ সমর্থক কাওসার আলীর দোকানটি সম্পূর্ণ আলাদা। নিজের খুচরা সবজির দোকানটিকে সাজিয়েছেন নীল-সাদা রঙের আর্জেন্টিনার পতাকায়। পুরো দোকান ঘিরে রাখা হয়েছে অসংখ্য পতাকা।
শুধু সাজসজ্জাতেই থেমে থাকেননি কাওসার। নিজের দোকানের নামও বদলে রেখেছেন আর্জেন্টিনা সবজি ভান্ডার। দোকানের সামনে টানানো সাইনবোর্ডে বড় অক্ষরে লেখা রয়েছে নামটি। তার পাশেই আরেকটি আকর্ষণীয় ঘোষণা দিয়ে রেখেছেন তিনি। সেটি হলো- ‘আর্জেন্টিনার জার্সি পরে আসলেই কেজি প্রতি ১০ টাকা পর্যন্ত ছাড়।’
কাওসারের দেওয়া এ ঘোষণার পর থেকেই বাজারে সৃষ্টি হয়েছে ভিন্নরকম উৎসাহ। আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে দিয়ে অনেক ক্রেতা ভিড় জমাচ্ছেন কাওসার আলীর দোকানে। তারা সবজি কিনছেন, আবার কেউ কেউ শুধু কৌতূহল মেটাতে এসে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করছেন।
আর্জেন্টিনা সবজি ভান্ডারে সবজি কিনতে আসা রাহাত বলেন, “ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে উন্মাদনা তো কতই দেখেছি, কিন্তু জার্সি পরে সবজি কিনলে ১০ টাকা ছাড়- এমন কাণ্ড কখনো শুনিনি। আমি কিছু বাজার করলাম। এতে মেসির প্রতি ভালোবাসাও প্রকাশ হলো, আবার পকেটের টাকাও কিছু বাঁচল।”
সবুজ মিয়া নামের আরেক আর্জেন্টিনা ফুটবল ভক্ত বলেন, “আমি কিছু কিনতে আসিনি। আর্জেন্টিনা সবজি ভান্ডারের নাম শুনে দেখতে এসেছি। আমার বাসা প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে। এত দূর থেকে আমার সঙ্গে আরো তিনজন এসেছেন।”
কাওসারের দোকান দেখতে আসা মিরাজ বলেন, “আমি ব্রাজিল ভক্ত, তবুও কাওসারের দোকানের কথা শুনে দেখতে এসেছি। কাওসারের দোকানে সাজসজ্জা ও বিশেষ ছাড় বেশ ভালো লাগল।”
বাজারের নিয়মিত ক্রেতা রঞ্জু চৌধুরী বলেন, “আমি বাজারে আসার পর কাওসারের দোকান চোখে পরে। কৌতুহলী হয়ে সেই দোকানে কিনাকাটা করতে যাই। আর্জেন্টিনার জার্সি না থাকায় কোনো ছাড় পাইনি। তবে, সেখান থেকে শাক-সবজি কিনতে পারায় ভালো লেগেছে।”
আর্জেন্টিনা সবজি ভান্ডারের মালিক কাওসার আলী বলেন, “আমি ছোটবেলা থেকেই আর্জেন্টিনার সমর্থক। বিশ্বকাপ এলে এই দলের খেলা নিয়ে আলাদা উত্তেজনা কাজ করে। তাই নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করতে দোকানটিকে আর্জেন্টিনার রঙে সাজিয়েছি। ক্রেতাদেরও একটু আনন্দ দিতে জার্সি পরে এলে বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা করেছি।”
স্থানীয়দের ভাষ্য, এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ এর আগে এই বাজারে দেখা যায়নি। ফলে প্রতিদিনই উৎসুক মানুষ ভিড় করছেন দোকানটি দেখতে। সবাই বলছেন, এটি ফুটবল প্রেমের অনন্য প্রকাশ।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন