বিশ্বকাপ মানেই যেন নতুন কোনো ইতিহাস, আর ইতিহাস মানেই যেন লিওনেল মেসি। আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে বিশ্বকাপে মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করেছিলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। আর অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে সেই রেকর্ড এককভাবে নিজের করে নেওয়ার অপেক্ষায় ছিল পুরো ফুটবল বিশ্ব।
সুযোগ এসেছিল খুব দ্রুতই। ম্যাচের তৃতীয় মিনিটে লাওতারো মার্তিনেজকে বক্সের ভেতর ফাউল করলে পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। গ্যালারি প্রস্তুত ছিল ইতিহাস দেখার জন্য। কিন্তু এবার ভাগ্য মেসির পক্ষে ছিল না। স্পট কিক থেকে লক্ষ্যভেদ করতে ব্যর্থ হন তিনি। মনে হচ্ছিল, রেকর্ড গড়ার মুহূর্তটা হয়তো আরও কিছুটা অপেক্ষা করাবে। কিন্তু মেসির গল্প কি এত সহজে থেমে যায়?
ম্যাচের ৩৮ মিনিটে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটে। আর্জেন্টিনার আক্রমণ থেকে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন মেসি। সঙ্গে সঙ্গেই ভেঙে যায় ক্লোসার দীর্ঘদিনের রেকর্ড। বিশ্বকাপ ইতিহাসে এখন সর্বোচ্চ গোলদাতার নাম একটাই—লিওনেল মেসি। তার গোলসংখ্যা ১৭, আর ১৬ গোল নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে নেমে গেছেন জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসা।
তবে রাতটি শুধু সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডের জন্যই স্মরণীয় হয়নি। টানা ছয়টি বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করে আরেকটি বিরল কীর্তিও গড়েছেন মেসি। বিশ্বকাপ ইতিহাসে টানা সর্বাধিক ম্যাচে গোল করার রেকর্ডে তিনি এখন যৌথভাবে শীর্ষে অবস্থান করছেন। ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে ধারাবাহিকতার এমন নজির খুব কম খেলোয়াড়ই দেখাতে পেরেছেন।
তবে রেকর্ডের রাতেও ছিল এক অদ্ভুত বৈপরীত্য। যে পেনাল্টি থেকে ইতিহাস লেখা শুরু হতে পারত, সেটিই মিস করে আরেকটি অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডের মালিক হয়েছেন মেসি। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি পেনাল্টি মিস করা খেলোয়াড় এখন তিনিই। এর আগে দুটি করে পেনাল্টি মিস নিয়ে যৌথভাবে শীর্ষে ছিলেন তিনি ও ঘানার সাবেক তারকা আসামোয়া জিয়ান। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে মিসের পর সেই তালিকায় এককভাবে ওপরে উঠে গেছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
ফুটবল মাঝে মাঝে এমনই। এক মুহূর্তে হতাশা, পরের মুহূর্তেই উল্লাস। পেনাল্টি মিস করে যে মেসি মাথা নিচু করেছিলেন, কিছুক্ষণ পর সেই তিনিই বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে উদযাপন করেছেন নতুন এক অধ্যায়।
রেকর্ড ভাঙা যেন তার অভ্যাস। কিন্তু ৩৯ বছর বয়সের কাছাকাছি এসে বিশ্বকাপের মঞ্চে এমন ধারাবাহিকতা, এমন প্রভাব আর এমন ক্ষুধা, সেটাই হয়তো লিওনেল মেসিকে অন্য সবার থেকে আলাদা করে। ফুটবল বিশ্ব এখন অপেক্ষায়, এই বিশ্বকাপে তার গল্পের শেষ অধ্যায়ে আরও কত ইতিহাস লেখা বাকি।
বাংলাস্কুপ/ ডেস্ক/ এনআইএন
সুযোগ এসেছিল খুব দ্রুতই। ম্যাচের তৃতীয় মিনিটে লাওতারো মার্তিনেজকে বক্সের ভেতর ফাউল করলে পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। গ্যালারি প্রস্তুত ছিল ইতিহাস দেখার জন্য। কিন্তু এবার ভাগ্য মেসির পক্ষে ছিল না। স্পট কিক থেকে লক্ষ্যভেদ করতে ব্যর্থ হন তিনি। মনে হচ্ছিল, রেকর্ড গড়ার মুহূর্তটা হয়তো আরও কিছুটা অপেক্ষা করাবে। কিন্তু মেসির গল্প কি এত সহজে থেমে যায়?
ম্যাচের ৩৮ মিনিটে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটে। আর্জেন্টিনার আক্রমণ থেকে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন মেসি। সঙ্গে সঙ্গেই ভেঙে যায় ক্লোসার দীর্ঘদিনের রেকর্ড। বিশ্বকাপ ইতিহাসে এখন সর্বোচ্চ গোলদাতার নাম একটাই—লিওনেল মেসি। তার গোলসংখ্যা ১৭, আর ১৬ গোল নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে নেমে গেছেন জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসা।
তবে রাতটি শুধু সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডের জন্যই স্মরণীয় হয়নি। টানা ছয়টি বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করে আরেকটি বিরল কীর্তিও গড়েছেন মেসি। বিশ্বকাপ ইতিহাসে টানা সর্বাধিক ম্যাচে গোল করার রেকর্ডে তিনি এখন যৌথভাবে শীর্ষে অবস্থান করছেন। ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে ধারাবাহিকতার এমন নজির খুব কম খেলোয়াড়ই দেখাতে পেরেছেন।
তবে রেকর্ডের রাতেও ছিল এক অদ্ভুত বৈপরীত্য। যে পেনাল্টি থেকে ইতিহাস লেখা শুরু হতে পারত, সেটিই মিস করে আরেকটি অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডের মালিক হয়েছেন মেসি। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি পেনাল্টি মিস করা খেলোয়াড় এখন তিনিই। এর আগে দুটি করে পেনাল্টি মিস নিয়ে যৌথভাবে শীর্ষে ছিলেন তিনি ও ঘানার সাবেক তারকা আসামোয়া জিয়ান। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে মিসের পর সেই তালিকায় এককভাবে ওপরে উঠে গেছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
ফুটবল মাঝে মাঝে এমনই। এক মুহূর্তে হতাশা, পরের মুহূর্তেই উল্লাস। পেনাল্টি মিস করে যে মেসি মাথা নিচু করেছিলেন, কিছুক্ষণ পর সেই তিনিই বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে উদযাপন করেছেন নতুন এক অধ্যায়।
রেকর্ড ভাঙা যেন তার অভ্যাস। কিন্তু ৩৯ বছর বয়সের কাছাকাছি এসে বিশ্বকাপের মঞ্চে এমন ধারাবাহিকতা, এমন প্রভাব আর এমন ক্ষুধা, সেটাই হয়তো লিওনেল মেসিকে অন্য সবার থেকে আলাদা করে। ফুটবল বিশ্ব এখন অপেক্ষায়, এই বিশ্বকাপে তার গল্পের শেষ অধ্যায়ে আরও কত ইতিহাস লেখা বাকি।
বাংলাস্কুপ/ ডেস্ক/ এনআইএন