মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।
শনিবার (২০ জুন) রাজধানীর মতিঝিলে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আয়োজিত ঢাকায় বসবাসরত যুদ্ধাহত, খেতাবপ্রাপ্ত ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের বার্ষিক পুনর্মিলনী ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রতিমন্ত্রী ইশরাক বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা, বৈষম্য দূর করা এবং একটি স্বাধীন ও মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্র গড়ে তোলা। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধারা ১৯৭১ সালে জীবন বাজি রেখে, পরিবার-পরিজনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছিলেন। তাদের আত্মত্যাগের কারণেই বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের মানচিত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
তিনি উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধা, তাদের পরিবারবর্গ এবং মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিও শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানান।
শৈশবের একটি স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, যখন কেজি ওয়ান বা কেজি টুতে পড়ি, তখন মনে এমন ধারণা জন্মেছিল যে, একসময় সবাইকে মুক্তিযুদ্ধে যেতে হবে। স্কুলের বন্ধুদেরও বলতাম, ১৮ বছর বয়স হলেই সবাই একসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধে যাবো। তখন হয়তো বুঝতাম না যে মুক্তিযুদ্ধ শেষ হয়ে দেশ স্বাধীন হয়েছে, কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের চেতনা শিশুমনে গভীরভাবে জায়গা করে নিয়েছিল।
ইশরাক বলেন, একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হওয়ার পরিচয় সব সময় সাহস ও প্রেরণা দিয়েছে। জীবনের নানা প্রতিকূল সময়ে, বিশেষ করে ছাত্র আন্দোলন ও রাজনৈতিক সংগ্রামের সময় এই পরিচয় থেকেই শক্তি পেয়েছি। আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নেয়ার কারণে আমাকে কারাগারে যেতে হয়েছে, বিভিন্নভাবে হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। কিন্তু এসব বাধা-বিপত্তি আমাকে অবস্থান থেকে সরাতে পারেনি।
তিনি বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটানো সম্ভব হয়েছে। সেই আন্দোলনে ছাত্রসমাজ যে সাহস ও ত্যাগের পরিচয় দিয়েছে, তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
২০২৪ সালের আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীরা যখন রাজপথে আন্দোলন করছিলেন, তখন তাদের ওপর গুলি চালানো হয়েছিল, নির্যাতন করা হয়েছিল। একই সময়ে দেশের সম্পদ লুটপাট করে বিদেশে পাচারের অভিযোগও ছিল। এমন পরিস্থিতিতে ছাত্রসমাজ উপলব্ধি করেছিল যে বৈষম্য ও নিপীড়নের অবসান ঘটাতে হলে স্বৈরাচারী ব্যবস্থার অবসান প্রয়োজন। সেই লক্ষ্য নিয়েই তারা আন্দোলনে নেমেছিল এবং শেষ পর্যন্ত নিজেদের লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
শনিবার (২০ জুন) রাজধানীর মতিঝিলে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আয়োজিত ঢাকায় বসবাসরত যুদ্ধাহত, খেতাবপ্রাপ্ত ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের বার্ষিক পুনর্মিলনী ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রতিমন্ত্রী ইশরাক বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা, বৈষম্য দূর করা এবং একটি স্বাধীন ও মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্র গড়ে তোলা। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধারা ১৯৭১ সালে জীবন বাজি রেখে, পরিবার-পরিজনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেশের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছিলেন। তাদের আত্মত্যাগের কারণেই বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের মানচিত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
তিনি উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধা, তাদের পরিবারবর্গ এবং মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিও শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানান।
শৈশবের একটি স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, যখন কেজি ওয়ান বা কেজি টুতে পড়ি, তখন মনে এমন ধারণা জন্মেছিল যে, একসময় সবাইকে মুক্তিযুদ্ধে যেতে হবে। স্কুলের বন্ধুদেরও বলতাম, ১৮ বছর বয়স হলেই সবাই একসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধে যাবো। তখন হয়তো বুঝতাম না যে মুক্তিযুদ্ধ শেষ হয়ে দেশ স্বাধীন হয়েছে, কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের চেতনা শিশুমনে গভীরভাবে জায়গা করে নিয়েছিল।
ইশরাক বলেন, একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হওয়ার পরিচয় সব সময় সাহস ও প্রেরণা দিয়েছে। জীবনের নানা প্রতিকূল সময়ে, বিশেষ করে ছাত্র আন্দোলন ও রাজনৈতিক সংগ্রামের সময় এই পরিচয় থেকেই শক্তি পেয়েছি। আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নেয়ার কারণে আমাকে কারাগারে যেতে হয়েছে, বিভিন্নভাবে হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। কিন্তু এসব বাধা-বিপত্তি আমাকে অবস্থান থেকে সরাতে পারেনি।
তিনি বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটানো সম্ভব হয়েছে। সেই আন্দোলনে ছাত্রসমাজ যে সাহস ও ত্যাগের পরিচয় দিয়েছে, তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
২০২৪ সালের আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীরা যখন রাজপথে আন্দোলন করছিলেন, তখন তাদের ওপর গুলি চালানো হয়েছিল, নির্যাতন করা হয়েছিল। একই সময়ে দেশের সম্পদ লুটপাট করে বিদেশে পাচারের অভিযোগও ছিল। এমন পরিস্থিতিতে ছাত্রসমাজ উপলব্ধি করেছিল যে বৈষম্য ও নিপীড়নের অবসান ঘটাতে হলে স্বৈরাচারী ব্যবস্থার অবসান প্রয়োজন। সেই লক্ষ্য নিয়েই তারা আন্দোলনে নেমেছিল এবং শেষ পর্যন্ত নিজেদের লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন