ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের পাঁচবারের সংসদ সদস্য, সাবেক প্রতিমন্ত্রী, বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট হারুন আল রশিদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায় জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দীন আহমেদ ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামসহ দলটির নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ অংশ নেন। আগামীকাল শনিবার (২০ জুন) নিজ জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই পুত্র, এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। জানাজায় অংশ নিয়ে প্রবীণ এই রাজনীতিবিদের কর্মময় জীবনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তার রাজনৈতিক সহকর্মী ও পরিবারের সদস্যরা।
প্রসঙ্গত, হারুন আর রশিদ বেশ কিছুদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন এবং কয়েকদিন যাবত ঢাকার বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম জানান, অ্যাডভোকেট হারুন আর রশিদ দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। তার মৃত্যুতে বিএনপি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজনীতিতে অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে।
অ্যাডভোকেট হারুন আল রশিদ ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) একজন প্রবীণ নেতা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি জাতীয় সংসদ সদস্য, একাধিক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং দলের কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তার মৃত্যুতে ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
শনিবার নিজ জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
জানাজায় জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দীন আহমেদ ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামসহ দলটির নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ অংশ নেন। আগামীকাল শনিবার (২০ জুন) নিজ জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই পুত্র, এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। জানাজায় অংশ নিয়ে প্রবীণ এই রাজনীতিবিদের কর্মময় জীবনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তার রাজনৈতিক সহকর্মী ও পরিবারের সদস্যরা।
প্রসঙ্গত, হারুন আর রশিদ বেশ কিছুদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন এবং কয়েকদিন যাবত ঢাকার বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম জানান, অ্যাডভোকেট হারুন আর রশিদ দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। তার মৃত্যুতে বিএনপি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজনীতিতে অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে।
অ্যাডভোকেট হারুন আল রশিদ ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) একজন প্রবীণ নেতা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি জাতীয় সংসদ সদস্য, একাধিক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং দলের কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তার মৃত্যুতে ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
শনিবার নিজ জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন