১৯৯৮ সালে নির্মাণের পর কেটে গেছে দীর্ঘ ২৯ বছর। এই দীর্ঘ সময়ে জোড়াতালি দিয়ে সেতুটি অন্তত ৪১ বার মেরামত করেছে কর্তৃপক্ষ। তবুও শেষ হয়নি জরাজীর্ণতা, কমেনি ঝুঁকি। এমন করুণ দশা রাজধানী ঢাকার সঙ্গে মুন্সিগঞ্জ জেলার যাতায়াতের অন্যতম প্রধান রুট টঙ্গীবাড়ী উপজেলার কুন্ডের বাজার বেইলি ব্রিজের।
পদ্মা শাখার তালতলা-গৌরগঞ্জ খালের ওপর মাত্র দুটি পিলারের ওপর নির্মিত ৯৮ মিটারের এই বেইলি সেতুটি এখন গণভোগান্তির অপর নাম। প্রতিদিন গড়ে ১৫ থেকে ২০ হাজার যানবাহন এই সেতু দিয়ে চলাচল করলেও একটি প্রশস্ত পাকা সেতু নির্মাণের দীর্ঘদিনের দাবি আজও আলোর মুখ দেখেনি। সংশ্লিষ্টদের চরম উদাসীনতায় দুই লেনের পাকা সেতু নির্মাণের প্রকল্প নেয়া হলেও গত তিন বছরে তা অদৃশ্য কারণে স্থবির হয়ে আছে। ফলে দিন দিন বাড়ছে বড় ধরনের দুর্ঘটনার শঙ্কা।
মঙ্গলবার সরেজমিনে কুন্ডের বাজার এলাকায় গিয়ে দেখা যায় এক দুর্বিষহ চিত্র। জরাজীর্ণ বেইলি সেতুতে উঠতে গিয়ে মাঝপথেই অচল হয়ে পড়ে আছে একটি পণ্যবোঝাই ট্রাক। এর ঠিক পাশেই পারাপার হতে গিয়ে আটকা পড়েছে মোটরসাইকেলসহ বেশ কিছু যানবাহন। নিয়মিত যাতায়াতকারী চালক ও যাত্রীরা জানান, মুন্সিগঞ্জের এই সেতুটির ওপর প্রায় প্রতিদিনই এমন অচল অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে। এতে সেতুর উভয় প্রান্তে মাইলের পর মাইল দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থেকে বাধ্য হয়ে অনেককে পায়ে হেঁটে গন্তব্যে রওনা হতে হয়।
সেতুটির বেহাল দশার কারণে সাধারণ যাত্রী, শিক্ষার্থী ও মুমূর্ষু রোগীরা কীভাবে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন, তা ভুক্তভোগীদের কথাতেই স্পষ্ট। সদর উপজেলার সিপাহীপাড়া এলাকা থেকে প্রসব বেদনায় আক্রান্ত স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হওয়া মামুনুর রশিদ নামের এক অ্যাম্বুলেন্স যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘স্ত্রীর প্রসব ব্যথা ওঠায় স্থানীয় চিকিৎসক দ্রুত ঢাকায় নিয়ে যেতে বলেছেন। সিপাহীপাড়া থেকে কুন্ডের বাজার এসে প্রায় আধা ঘণ্টা আটকে ছিলাম। পুলিশ জানাল সেতু বন্ধ, যাওয়া যাবে না। বাধ্য হয়ে এখন অ্যাম্বুলেন্স ঘুরিয়ে নারায়ণগঞ্জ হয়ে ঢাকার দিকে যাচ্ছি। এমন পরিস্থিতিতে পড়ে কী বলব, ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না।’
একইভাবে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে মুন্সিগঞ্জ শহর থেকে ঢাকার মতিঝিলে একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরির ইন্টারভিউ দিতে যাওয়ার পথে কুন্ডের বাজারে আটকে পড়া তরুণ শিক্ষার্থী রাজু মণ্ডল বলেন, ‘সকাল ৭টার দিকে বাসা থেকে বের হয়েছি। এখানে তিন ঘণ্টার বেশি আটকে থেকে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিকল্প পথে যাওয়ার চেষ্টা করছি। দুপুরে ইন্টারভিউ বোর্ডে উপস্থিত হতেই হবে। একটা দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা নিয়ে যাচ্ছি। প্রতিনিয়তই এখানে এমন পরিস্থিতি হচ্ছে, তবুও বিষয়টি কেউ গুরুত্ব দিচ্ছে না।’
প্রাইভেটকারে করে রাজধানী বনানী থেকে মুন্সিগঞ্জ সদরের বাড়িতে ফিরছিলেন সালমা বেগম। তিনি বলেন, ‘প্রায় ২ ঘণ্টা কুন্ডের বাজার ব্রিজের ঢালে বসে ছিলাম। ব্রিজ বন্ধ থাকায় এখন বিকল্প পথে মাওয়া হয়ে ঘুরে যেতে হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত সময় অপচয়ের পাশাপাশি বেশি ভাড়া লাগছে। এত গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্রিজ কেন প্রশস্ত ও পাকা করা হচ্ছে না, তা কোনোভাবেই বোধগম্য নয়। বিষয়টি সরকারের দ্রুত দেখা উচিত।’
মুন্সিগঞ্জ সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে, বিগত ২০২৩ সালের ৭ নভেম্বর প্রায় ৮৪ কোটি টাকা ব্যয় নির্ধারণ করে দুই লেনের ১৫২ মিটার দীর্ঘ একটি পাকা সেতু নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্দ পাওয়া যায় এবং ধুমধাম করে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। তবে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর প্রায় তিন বছর কেটে গেলেও নতুন সেতু নির্মাণের কাজ অদৃশ্য কারণে এক চুলও এগোয়নি। মুন্সিগঞ্জ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের চরম উদাসীনতা ও রহস্যজনক নীরবতার কারণে এই প্রকল্প ঝুলে আছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। তবে এ বিষয়ে সওজ-এর কোনো কর্মকর্তা কথা বলতে রাজি হননি।
এদিকে সেতুর ওপর ও দুই প্রান্তে প্রায়ই সৃষ্টি হওয়া তীব্র যানজট সামাল দিতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ। মুন্সিগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশের টি-আই (প্রশাসন) মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘সকালে ও রাতে দুই বেলা অন্তত ১০ জন পুলিশ সদস্য প্রতিদিন যানজট নিরসনে কুন্ডের বাজার সেতুর দুই প্রান্তে দায়িত্ব পালন করেন। তবুও জরাজীর্ণ এই সেতুর কারণে পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রতিনিয়ত হিমশিম খেতে হচ্ছে। মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে কর্তৃপক্ষের দ্রুত প্রশস্ত পাকা সেতু নির্মাণ করা উচিত।’
এমন পরিস্থিতিতে কেন সেতুটির নির্মাণকাজ স্থবির হয়ে আছে, তা নিয়ে জাতীয় সংসদ অধিবেশনেও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ। তিনি বলেন, ‘দ্রুত সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে বারবার দ্বারস্থ হলেও কোনও আশানুরূপ সাড়া মিলছে না। তবুও কুন্ডের বাজার এলাকায় প্রশস্ত পাকা সেতু নির্মাণের জন্য বর্তমান সরকারের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘কুন্ডের বাজার ব্রিজটি হয়ে গেলে টঙ্গীবাড়ীসহ অন্যান্য উপজেলার মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন হবে, যাতায়াত সহজ হবে এবং মালামাল পরিবহন গতিশীল হবে। শুধু টঙ্গীবাড়ীই নয়; লৌহজং, শ্রীনগর ও সিরাজদিখান উপজেলার মানুষ জেলা সদরে আসতে এই ব্রিজটি ব্যবহার করে। সেতুটি নির্মিত হলে জেলার পাঁচটি উপজেলার কয়েক লক্ষাধিক মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন এবং এলাকার উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারজাতসহ স্থানীয় অর্থনীতিতে এটি বড় ভূমিকা রাখবে।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
পদ্মা শাখার তালতলা-গৌরগঞ্জ খালের ওপর মাত্র দুটি পিলারের ওপর নির্মিত ৯৮ মিটারের এই বেইলি সেতুটি এখন গণভোগান্তির অপর নাম। প্রতিদিন গড়ে ১৫ থেকে ২০ হাজার যানবাহন এই সেতু দিয়ে চলাচল করলেও একটি প্রশস্ত পাকা সেতু নির্মাণের দীর্ঘদিনের দাবি আজও আলোর মুখ দেখেনি। সংশ্লিষ্টদের চরম উদাসীনতায় দুই লেনের পাকা সেতু নির্মাণের প্রকল্প নেয়া হলেও গত তিন বছরে তা অদৃশ্য কারণে স্থবির হয়ে আছে। ফলে দিন দিন বাড়ছে বড় ধরনের দুর্ঘটনার শঙ্কা।
মঙ্গলবার সরেজমিনে কুন্ডের বাজার এলাকায় গিয়ে দেখা যায় এক দুর্বিষহ চিত্র। জরাজীর্ণ বেইলি সেতুতে উঠতে গিয়ে মাঝপথেই অচল হয়ে পড়ে আছে একটি পণ্যবোঝাই ট্রাক। এর ঠিক পাশেই পারাপার হতে গিয়ে আটকা পড়েছে মোটরসাইকেলসহ বেশ কিছু যানবাহন। নিয়মিত যাতায়াতকারী চালক ও যাত্রীরা জানান, মুন্সিগঞ্জের এই সেতুটির ওপর প্রায় প্রতিদিনই এমন অচল অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে। এতে সেতুর উভয় প্রান্তে মাইলের পর মাইল দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থেকে বাধ্য হয়ে অনেককে পায়ে হেঁটে গন্তব্যে রওনা হতে হয়।
সেতুটির বেহাল দশার কারণে সাধারণ যাত্রী, শিক্ষার্থী ও মুমূর্ষু রোগীরা কীভাবে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন, তা ভুক্তভোগীদের কথাতেই স্পষ্ট। সদর উপজেলার সিপাহীপাড়া এলাকা থেকে প্রসব বেদনায় আক্রান্ত স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হওয়া মামুনুর রশিদ নামের এক অ্যাম্বুলেন্স যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘স্ত্রীর প্রসব ব্যথা ওঠায় স্থানীয় চিকিৎসক দ্রুত ঢাকায় নিয়ে যেতে বলেছেন। সিপাহীপাড়া থেকে কুন্ডের বাজার এসে প্রায় আধা ঘণ্টা আটকে ছিলাম। পুলিশ জানাল সেতু বন্ধ, যাওয়া যাবে না। বাধ্য হয়ে এখন অ্যাম্বুলেন্স ঘুরিয়ে নারায়ণগঞ্জ হয়ে ঢাকার দিকে যাচ্ছি। এমন পরিস্থিতিতে পড়ে কী বলব, ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না।’
একইভাবে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে মুন্সিগঞ্জ শহর থেকে ঢাকার মতিঝিলে একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরির ইন্টারভিউ দিতে যাওয়ার পথে কুন্ডের বাজারে আটকে পড়া তরুণ শিক্ষার্থী রাজু মণ্ডল বলেন, ‘সকাল ৭টার দিকে বাসা থেকে বের হয়েছি। এখানে তিন ঘণ্টার বেশি আটকে থেকে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিকল্প পথে যাওয়ার চেষ্টা করছি। দুপুরে ইন্টারভিউ বোর্ডে উপস্থিত হতেই হবে। একটা দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা নিয়ে যাচ্ছি। প্রতিনিয়তই এখানে এমন পরিস্থিতি হচ্ছে, তবুও বিষয়টি কেউ গুরুত্ব দিচ্ছে না।’
প্রাইভেটকারে করে রাজধানী বনানী থেকে মুন্সিগঞ্জ সদরের বাড়িতে ফিরছিলেন সালমা বেগম। তিনি বলেন, ‘প্রায় ২ ঘণ্টা কুন্ডের বাজার ব্রিজের ঢালে বসে ছিলাম। ব্রিজ বন্ধ থাকায় এখন বিকল্প পথে মাওয়া হয়ে ঘুরে যেতে হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত সময় অপচয়ের পাশাপাশি বেশি ভাড়া লাগছে। এত গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্রিজ কেন প্রশস্ত ও পাকা করা হচ্ছে না, তা কোনোভাবেই বোধগম্য নয়। বিষয়টি সরকারের দ্রুত দেখা উচিত।’
মুন্সিগঞ্জ সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে, বিগত ২০২৩ সালের ৭ নভেম্বর প্রায় ৮৪ কোটি টাকা ব্যয় নির্ধারণ করে দুই লেনের ১৫২ মিটার দীর্ঘ একটি পাকা সেতু নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্দ পাওয়া যায় এবং ধুমধাম করে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। তবে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর প্রায় তিন বছর কেটে গেলেও নতুন সেতু নির্মাণের কাজ অদৃশ্য কারণে এক চুলও এগোয়নি। মুন্সিগঞ্জ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের চরম উদাসীনতা ও রহস্যজনক নীরবতার কারণে এই প্রকল্প ঝুলে আছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। তবে এ বিষয়ে সওজ-এর কোনো কর্মকর্তা কথা বলতে রাজি হননি।
এদিকে সেতুর ওপর ও দুই প্রান্তে প্রায়ই সৃষ্টি হওয়া তীব্র যানজট সামাল দিতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ। মুন্সিগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশের টি-আই (প্রশাসন) মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘সকালে ও রাতে দুই বেলা অন্তত ১০ জন পুলিশ সদস্য প্রতিদিন যানজট নিরসনে কুন্ডের বাজার সেতুর দুই প্রান্তে দায়িত্ব পালন করেন। তবুও জরাজীর্ণ এই সেতুর কারণে পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রতিনিয়ত হিমশিম খেতে হচ্ছে। মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে কর্তৃপক্ষের দ্রুত প্রশস্ত পাকা সেতু নির্মাণ করা উচিত।’
এমন পরিস্থিতিতে কেন সেতুটির নির্মাণকাজ স্থবির হয়ে আছে, তা নিয়ে জাতীয় সংসদ অধিবেশনেও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ। তিনি বলেন, ‘দ্রুত সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে বারবার দ্বারস্থ হলেও কোনও আশানুরূপ সাড়া মিলছে না। তবুও কুন্ডের বাজার এলাকায় প্রশস্ত পাকা সেতু নির্মাণের জন্য বর্তমান সরকারের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘কুন্ডের বাজার ব্রিজটি হয়ে গেলে টঙ্গীবাড়ীসহ অন্যান্য উপজেলার মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন হবে, যাতায়াত সহজ হবে এবং মালামাল পরিবহন গতিশীল হবে। শুধু টঙ্গীবাড়ীই নয়; লৌহজং, শ্রীনগর ও সিরাজদিখান উপজেলার মানুষ জেলা সদরে আসতে এই ব্রিজটি ব্যবহার করে। সেতুটি নির্মিত হলে জেলার পাঁচটি উপজেলার কয়েক লক্ষাধিক মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন এবং এলাকার উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারজাতসহ স্থানীয় অর্থনীতিতে এটি বড় ভূমিকা রাখবে।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন