সুনামগঞ্জে ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। ঘণ্টায় ঘণ্টায় লোডশেডিংয়ে ভুগতে হচ্ছে পল্লী বিদ্যুৎ ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড মিলিয়ে প্রায় সাড়ে চার লাখ গ্রাহককে। এক দিকে গরমের কষ্ট অন্যদিকে বিশ্বকাপ ফুটবলের ম্যাচ দেখতে না পেরে ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত শনিবার (১৩ জুন) রাত আটটা থেকে রোববার (১৪ জুন) বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত সুনামগঞ্জ শহর ও শহরতলির ৯টি ফিডারের বেশিরভাগ ফিডারেই ঘণ্টায় এক দুইবার বিদ্যুৎ আসা যাওয়া করেছে। শনিবার রাতে বেশিরভাগ এলাকার গ্রাহকরা বিশ্বকাপ খেলা দেখতে পারেননি। এ কারণে ফুটবল ভক্তদের মধ্যে ক্ষোভ ছিল। পাশাপাশি এখন পর্যন্ত জেলায় ঘণ্টায় ঘণ্টায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শহরবাসী।
শহরের আরপিন নগর এলাকার বাসিন্দা সাকিব আহমেদ বলেন, ১ ঘণ্টাও ভালো করে বিদ্যুৎ থাকছে না। এতে গরমে যেমন একদিকে অতিষ্ঠ অন্যদিকে চার বছর পর অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ খেলাও দেখা যাচ্ছে না, যা খুবই দুঃখজনক।
শহরের রায়পাড়া এলাকার রাজ আহমেদ বলেন, রাতে যখন খেলা শুরু হয় তখন খেলার মধ্যেই বিদ্যুৎ চলে যায়। এতে খেলাপ্রেমী মানুষেরা বিদ্যুৎ বিভাগকেই গালিগালাজ করেন।
শহরের স্থানীয় বাসিন্দা আতিক মিয়া বলেন, আমরা চাই নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। বিশেষ করে যেহেতু এখন বিশ্বকাপ খেলা চলছে সেক্ষেত্রে বিদ্যুৎ বিভাগের কাছে অনুরোধ বিদ্যুতের ভেলকিবাজি যেন বন্ধ করা হয়।
ইব্রাহিমপুরের বাসিন্দা নিলয় মিয়া বলেন, আর্জেন্টিনা খেলার দিন যদি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করা হয় তাহলে আমরা যে যুবসমাজ রয়েছি সবাই মিলে বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও করবো।
বিদ্যুৎ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার থেকে জেলায় ঝড়ো বাতাস ও বৃষ্টিপাত শুরু হয়, সঙ্গে বজ্রপাত। এতে শহরের স্টেশন রোড, বেতগঞ্জ, মুক্তারপাড়া, পাঠানবাড়ি রোড, হাছননগর, গুজাউড়াসহ ৩০টি স্থানে বজ্রপাতে ফিউজ নষ্ট হয়। ফিউজ মেরামত করতে যে সময় লেগেছে, ওই সময় সংশ্লিষ্ট লাইনে সরবরাহ বন্ধ ছিল। আবার লোডশেডিংও ছিল ভয়াবহ আকারে। বিশেষ করে শহরে ১১ মেগাওয়াট চাহিদা থাকলেও চার থেকে ছয় মেগাওয়াট বিদ্যুৎ মিলেছে। তবে রোববার বিকেল থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে।
সুনামগঞ্জ বিদ্যুৎ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী আশিষ সিংহ বলেন, চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ মিলছে না। যার কারণে শিডিউল অনুযায়ী অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি বজ্রপাতে অনেক এলাকায় লাইনে ক্রটি দেখা দিয়েছিল সেটিও মেরামত করা হয়েছে। তবে আশা করি এই সমস্যা দ্রুত সমাধান হয়ে যাবে।
সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের জিএম মিলন কুমার কুন্ডু বলেন, শনিবার রাতে প্রচণ্ড ঝড় বৃষ্টি ও বজ্রপাতে অনেক লাইন খারাপ হওয়ার কারণে ৩০ ভাগ এলাকায় লোডশেডিং ছিল। রোববার দিনব্যাপী সেগুলো মেরামত করা হলেও চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ না থাকায় গ্রাহকরা বিদ্যুতের ভোগান্তিতে পড়ছেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত শনিবার (১৩ জুন) রাত আটটা থেকে রোববার (১৪ জুন) বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত সুনামগঞ্জ শহর ও শহরতলির ৯টি ফিডারের বেশিরভাগ ফিডারেই ঘণ্টায় এক দুইবার বিদ্যুৎ আসা যাওয়া করেছে। শনিবার রাতে বেশিরভাগ এলাকার গ্রাহকরা বিশ্বকাপ খেলা দেখতে পারেননি। এ কারণে ফুটবল ভক্তদের মধ্যে ক্ষোভ ছিল। পাশাপাশি এখন পর্যন্ত জেলায় ঘণ্টায় ঘণ্টায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শহরবাসী।
শহরের আরপিন নগর এলাকার বাসিন্দা সাকিব আহমেদ বলেন, ১ ঘণ্টাও ভালো করে বিদ্যুৎ থাকছে না। এতে গরমে যেমন একদিকে অতিষ্ঠ অন্যদিকে চার বছর পর অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ খেলাও দেখা যাচ্ছে না, যা খুবই দুঃখজনক।
শহরের রায়পাড়া এলাকার রাজ আহমেদ বলেন, রাতে যখন খেলা শুরু হয় তখন খেলার মধ্যেই বিদ্যুৎ চলে যায়। এতে খেলাপ্রেমী মানুষেরা বিদ্যুৎ বিভাগকেই গালিগালাজ করেন।
শহরের স্থানীয় বাসিন্দা আতিক মিয়া বলেন, আমরা চাই নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। বিশেষ করে যেহেতু এখন বিশ্বকাপ খেলা চলছে সেক্ষেত্রে বিদ্যুৎ বিভাগের কাছে অনুরোধ বিদ্যুতের ভেলকিবাজি যেন বন্ধ করা হয়।
ইব্রাহিমপুরের বাসিন্দা নিলয় মিয়া বলেন, আর্জেন্টিনা খেলার দিন যদি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করা হয় তাহলে আমরা যে যুবসমাজ রয়েছি সবাই মিলে বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও করবো।
বিদ্যুৎ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার থেকে জেলায় ঝড়ো বাতাস ও বৃষ্টিপাত শুরু হয়, সঙ্গে বজ্রপাত। এতে শহরের স্টেশন রোড, বেতগঞ্জ, মুক্তারপাড়া, পাঠানবাড়ি রোড, হাছননগর, গুজাউড়াসহ ৩০টি স্থানে বজ্রপাতে ফিউজ নষ্ট হয়। ফিউজ মেরামত করতে যে সময় লেগেছে, ওই সময় সংশ্লিষ্ট লাইনে সরবরাহ বন্ধ ছিল। আবার লোডশেডিংও ছিল ভয়াবহ আকারে। বিশেষ করে শহরে ১১ মেগাওয়াট চাহিদা থাকলেও চার থেকে ছয় মেগাওয়াট বিদ্যুৎ মিলেছে। তবে রোববার বিকেল থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে।
সুনামগঞ্জ বিদ্যুৎ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী আশিষ সিংহ বলেন, চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ মিলছে না। যার কারণে শিডিউল অনুযায়ী অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি বজ্রপাতে অনেক এলাকায় লাইনে ক্রটি দেখা দিয়েছিল সেটিও মেরামত করা হয়েছে। তবে আশা করি এই সমস্যা দ্রুত সমাধান হয়ে যাবে।
সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের জিএম মিলন কুমার কুন্ডু বলেন, শনিবার রাতে প্রচণ্ড ঝড় বৃষ্টি ও বজ্রপাতে অনেক লাইন খারাপ হওয়ার কারণে ৩০ ভাগ এলাকায় লোডশেডিং ছিল। রোববার দিনব্যাপী সেগুলো মেরামত করা হলেও চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ না থাকায় গ্রাহকরা বিদ্যুতের ভোগান্তিতে পড়ছেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন