চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চলে সবুজ ও টেকসই অবকাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা চালু এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির বাধ্যতামূলক ব্যবহার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। সভায় পরিবেশগত সমস্যা সমাধান এবং প্রকল্পের নকশায় টেকসই জ্বালানি সমাধান অন্তর্ভুক্ত করার শর্তে ‘চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্প অঞ্চলের জন্য সহায়ক অবকাঠামো প্রকল্প’ অনুমোদন করা হয়।
সভা শেষে রাজধানীর এনইসি সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি এ তথ্য জানান। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে একনেকের এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শিল্পায়নের গতি ত্বরান্বিত করা ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে প্রায় ৪ হাজার ১৮৯ কোটি ৪৫ লাখ ৯৭ হাজার টাকা ব্যয়ে ‘সাপোর্টিং ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রজেক্ট ফর চাইনিজ ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন’ প্রকল্পটি অনুমোদন দিয়েছে একনেক।
মোট প্রকল্প ব্যয় ৪ হাজার ১৮৯ কোটি ৪৫ লাখ ৯৭ হাজার টাকার মধ্যে সরকার দেবে ১ হাজার ৭২২ কোটি ১৯ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। বাকি ২ হাজার ৪৬৭ কোটি ২৬ লাখ ১২ হাজার টাকা প্রকল্প ঋণ ও অনুদান থেকে আসবে।
প্রকল্প প্রস্তাব পর্যালোচনার সময় প্রধানমন্ত্রী পরিবেশ সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থাসমূহকে প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেন।
তিনি আধুনিক পরিবেশগত মান ও প্রটোকল অনুসরণ করে শিল্পবর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা গড়ে তোলার নির্দেশ দেন।
একটি আধুনিক বর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) স্থাপনের নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিশোধনের পর শোধিত পানি যেন পুনরায় ব্যবহারযোগ্য করা হয়।
তিনি মূল প্রকল্প প্রস্তাবের ত্রুটিগুলো দূর করে প্রকল্প নকশায় কোনো পরিবেশগত ঘাটতি যাতে না থাকে তা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।
এছাড়া প্রকল্পে সৌরভিত্তিক নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। পরিচ্ছন্ন ও টেকসই জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে পুরো শিল্পাঞ্চলে সৌর প্যানেল স্থাপনেরও নির্দেশনা দেন তিনি।
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, উন্নত পানি শোধন ও পুনর্ব্যবহার সুবিধা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির সংযুক্তি সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নের শর্তে প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের চূড়ান্ত পরিকল্পনায় বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোকে এসব পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পদক্ষেপগুলোর প্রতিফলন ঘটাতে হবে। সূত্র: বাসস
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
মঙ্গলবার (১৬ জুন) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। সভায় পরিবেশগত সমস্যা সমাধান এবং প্রকল্পের নকশায় টেকসই জ্বালানি সমাধান অন্তর্ভুক্ত করার শর্তে ‘চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্প অঞ্চলের জন্য সহায়ক অবকাঠামো প্রকল্প’ অনুমোদন করা হয়।
সভা শেষে রাজধানীর এনইসি সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি এ তথ্য জানান। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে একনেকের এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শিল্পায়নের গতি ত্বরান্বিত করা ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে প্রায় ৪ হাজার ১৮৯ কোটি ৪৫ লাখ ৯৭ হাজার টাকা ব্যয়ে ‘সাপোর্টিং ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রজেক্ট ফর চাইনিজ ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন’ প্রকল্পটি অনুমোদন দিয়েছে একনেক।
মোট প্রকল্প ব্যয় ৪ হাজার ১৮৯ কোটি ৪৫ লাখ ৯৭ হাজার টাকার মধ্যে সরকার দেবে ১ হাজার ৭২২ কোটি ১৯ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। বাকি ২ হাজার ৪৬৭ কোটি ২৬ লাখ ১২ হাজার টাকা প্রকল্প ঋণ ও অনুদান থেকে আসবে।
প্রকল্প প্রস্তাব পর্যালোচনার সময় প্রধানমন্ত্রী পরিবেশ সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থাসমূহকে প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেন।
তিনি আধুনিক পরিবেশগত মান ও প্রটোকল অনুসরণ করে শিল্পবর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা গড়ে তোলার নির্দেশ দেন।
একটি আধুনিক বর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) স্থাপনের নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিশোধনের পর শোধিত পানি যেন পুনরায় ব্যবহারযোগ্য করা হয়।
তিনি মূল প্রকল্প প্রস্তাবের ত্রুটিগুলো দূর করে প্রকল্প নকশায় কোনো পরিবেশগত ঘাটতি যাতে না থাকে তা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।
এছাড়া প্রকল্পে সৌরভিত্তিক নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। পরিচ্ছন্ন ও টেকসই জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে পুরো শিল্পাঞ্চলে সৌর প্যানেল স্থাপনেরও নির্দেশনা দেন তিনি।
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, উন্নত পানি শোধন ও পুনর্ব্যবহার সুবিধা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির সংযুক্তি সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নের শর্তে প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের চূড়ান্ত পরিকল্পনায় বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোকে এসব পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পদক্ষেপগুলোর প্রতিফলন ঘটাতে হবে। সূত্র: বাসস
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে