দুই যুগ আগে বিশ্বকাপে ফ্রান্সকে হারিয়ে চমক দেখানো সেনেগাল ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করতে মুখিয়ে আছে। তবে এবার ফরাসিদের হারাতে পারলে, সেটাকে অবাক হওয়ার মতো ঘটনা হিসেবে দেখতে নারাজ দলটির কোচ পাপ চাও।
নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার (১৭ জুন) দিবাগত রাতে সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের মুখোমুখি হবে সেনেগাল। ২৪ বছর পর বিশ্বকাপে দেখা হচ্ছে দল দুটির। মাঠের লড়াই শুরুর আগে ঘুরেফিরে আসছে ২০০২ আসরের সেই ম্যাচের কথা।
কোরিয়া-জাপানের আসরে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে নামা ফ্রান্সকে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ১-০ গোলে হারায় সেনেগাল। পরে উরুগুয়ের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র এবং ডেনমার্কের বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানের হারে ১৯৯৮ সালের চ্যাম্পিয়নরা। গ্রুপের তলানিতে থেকে বিদায় নেয় তারা।
ওই ম্যাচে খেলোয়াড় হিসেবে সেনেগালের বেঞ্চে ছিলেন চাও। এবারও তিনি থাকবেন, তবে কোচ হিসেবে। ফরাসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে নানা অনুভূতি কাজ করছে তার মাঝে।
“আগামীকাল আমি ডাগআউটে থাকব এবং এটা বিশেষ এক অনুভূতি। ২০০২ সালেও আমি বেঞ্চে ছিলাম কারণ আমার খেলার সুযোগ হয়নি। আর আগামীকালও আমি বেঞ্চে থাকব তবে এবার দলের নিয়ন্ত্রণ থাকবে আমার হাতে।”
চলতি বছরের শুরুর দিকে বিতর্কিত সিদ্ধান্তে আফ্রিকার মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট ‘কেড়ে নেওয়া হয়’ সেনেগালের কাছ থেকে। আফ্রিকান কাপ অব নেশন্সের ফাইনালে মরক্কোকে হারালেও, ম্যাচের মাঝে মাঠ ছেড়ে উঠে যাওয়ায় তাদেরকে পরাজিত দল ঘোষণা করা হয়।
চার বছর আগের বিশ্বকাপে বিস্ময় জাগানো পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছিল মরক্কো। প্রথম আফ্রিকান দল হিসেবে বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে খেলার কীর্তি গড়েছিল তারা। বিশ্ব মঞ্চে সেনেগাল প্রমাণ করতে উন্মুখ যে, তারাই আফ্রিকার আসল চ্যাম্পিয়ন।
“সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আফ্রিকান ফুটবল অনেক বদলে গেছে। গত বিশ্বকাপেই আমরা সেটা দেখেছি… এটা এখন আর কোনো চমক নয়। সেনেগাল যদি ফ্রান্সকে হারায়, এটা কি চমক হবে? না, কারণ আমাদের দলে বিশ্বমানের ফুটবলার আছে।”
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার (১৭ জুন) দিবাগত রাতে সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের মুখোমুখি হবে সেনেগাল। ২৪ বছর পর বিশ্বকাপে দেখা হচ্ছে দল দুটির। মাঠের লড়াই শুরুর আগে ঘুরেফিরে আসছে ২০০২ আসরের সেই ম্যাচের কথা।
কোরিয়া-জাপানের আসরে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে নামা ফ্রান্সকে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ১-০ গোলে হারায় সেনেগাল। পরে উরুগুয়ের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র এবং ডেনমার্কের বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানের হারে ১৯৯৮ সালের চ্যাম্পিয়নরা। গ্রুপের তলানিতে থেকে বিদায় নেয় তারা।
ওই ম্যাচে খেলোয়াড় হিসেবে সেনেগালের বেঞ্চে ছিলেন চাও। এবারও তিনি থাকবেন, তবে কোচ হিসেবে। ফরাসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে নানা অনুভূতি কাজ করছে তার মাঝে।
“আগামীকাল আমি ডাগআউটে থাকব এবং এটা বিশেষ এক অনুভূতি। ২০০২ সালেও আমি বেঞ্চে ছিলাম কারণ আমার খেলার সুযোগ হয়নি। আর আগামীকালও আমি বেঞ্চে থাকব তবে এবার দলের নিয়ন্ত্রণ থাকবে আমার হাতে।”
চলতি বছরের শুরুর দিকে বিতর্কিত সিদ্ধান্তে আফ্রিকার মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট ‘কেড়ে নেওয়া হয়’ সেনেগালের কাছ থেকে। আফ্রিকান কাপ অব নেশন্সের ফাইনালে মরক্কোকে হারালেও, ম্যাচের মাঝে মাঠ ছেড়ে উঠে যাওয়ায় তাদেরকে পরাজিত দল ঘোষণা করা হয়।
চার বছর আগের বিশ্বকাপে বিস্ময় জাগানো পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছিল মরক্কো। প্রথম আফ্রিকান দল হিসেবে বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে খেলার কীর্তি গড়েছিল তারা। বিশ্ব মঞ্চে সেনেগাল প্রমাণ করতে উন্মুখ যে, তারাই আফ্রিকার আসল চ্যাম্পিয়ন।
“সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আফ্রিকান ফুটবল অনেক বদলে গেছে। গত বিশ্বকাপেই আমরা সেটা দেখেছি… এটা এখন আর কোনো চমক নয়। সেনেগাল যদি ফ্রান্সকে হারায়, এটা কি চমক হবে? না, কারণ আমাদের দলে বিশ্বমানের ফুটবলার আছে।”
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে