শিক্ষা ব্যবস্থার টেকসই উন্নয়নের জন্য ৪টি মূল স্তম্ভে আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। স্তম্ভগুলোর ব্যাপারে তিনি বলেন, নতুন কারিকুলামের আধুনিকায়ন, শিক্ষকদের মানোন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো, স্ট্রিমগুলোর অ্যালাইমেন্ট, প্রযুক্তির সংযোজন গুরুত্বপূর্ণ।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাজধানীর র্যাডিসন ব্লু হোটেলে ক্যামব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন আয়োজিত ক্যামব্রিজ প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্ট বাংলাদেশ লিমিটেড লঞ্চ ইভেন্ট অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র চার মাসের মধ্যেই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি সুস্পষ্ট ও দীর্ঘমেয়াদি ভিশন নির্ধারণ করেছে। এই ভিশনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বিশ্বমানের নাগরিক তৈরি, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং শিক্ষাকে কর্মমুখী ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তোলা।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দেশে ২৭টিরও বেশি ধরনের শিক্ষা ধারা বিদ্যমান। এসব ধারার শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অভিন্ন ন্যূনতম মানদণ্ড নিশ্চিত করতে হবে, যাতে মাদরাসা, বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম কিংবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মৌলিক জ্ঞান ও দক্ষতায় সমমানের সুযোগ পায়।
এ সময় শিক্ষকদের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, চাকা ছাড়া যেমন গাড়ি চলতে পারে না, তেমনি শিক্ষক ছাড়া শিক্ষা ব্যবস্থা চলতে পারে না। দেশের বিপুলসংখ্যক শিক্ষকের জন্য বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে ক্যামব্রিজের শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে।
এ সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, ব্রিটিশ হাইকমিশন, ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাজধানীর র্যাডিসন ব্লু হোটেলে ক্যামব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন আয়োজিত ক্যামব্রিজ প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্ট বাংলাদেশ লিমিটেড লঞ্চ ইভেন্ট অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র চার মাসের মধ্যেই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি সুস্পষ্ট ও দীর্ঘমেয়াদি ভিশন নির্ধারণ করেছে। এই ভিশনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বিশ্বমানের নাগরিক তৈরি, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং শিক্ষাকে কর্মমুখী ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তোলা।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দেশে ২৭টিরও বেশি ধরনের শিক্ষা ধারা বিদ্যমান। এসব ধারার শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অভিন্ন ন্যূনতম মানদণ্ড নিশ্চিত করতে হবে, যাতে মাদরাসা, বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম কিংবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মৌলিক জ্ঞান ও দক্ষতায় সমমানের সুযোগ পায়।
এ সময় শিক্ষকদের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, চাকা ছাড়া যেমন গাড়ি চলতে পারে না, তেমনি শিক্ষক ছাড়া শিক্ষা ব্যবস্থা চলতে পারে না। দেশের বিপুলসংখ্যক শিক্ষকের জন্য বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে ক্যামব্রিজের শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে।
এ সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, ব্রিটিশ হাইকমিশন, ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন