পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণের দাবিতে অটোভ্যান চালক রাফি খানকে (১৯) অপহরণের ১২ ঘন্টা পরে পুলিশ উদ্ধার করেছে। গতকাল রবিবার রাত সাড়ে আটটায় চাকামইয়া নিশানবাড়িয়া গ্রাম থেকে কলাপাড়া থানার পুলিশ রাফিকে উদ্ধার করে। ওই রাতেই পুলিশ অভিযুক্ত মূল আসামি জাহিদ প্যাদা (২১), কোয়েল গাজী (২০) ও ইমরান গাজীকে (২২) গ্রেফতার করেছে। এ ঘটনায় কলাপাড়া থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। ভিকটিম রাফিকে আহতাবস্থায় উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গেস্খফতার আসইমদের সকলের বাড়ি চাকামইয়া ইউনিয়নে নিশানবাড়িয়া গ্রামে।
অপহৃত রাফি খানের বাবা মো. হাসান দায়ের করা মামলায় উল্লেখ করেন, গতকাল রবিবার সকালে আসামিরা তার ছেলেকে অটোভ্যানে যাওয়ার জন্য সোনাতলা নদীর সেতুর উত্তরপাড়ে হাজীপুরে মসজিদের পাশে সড়কে যেতে মোবাইল করে। অটো নিয়ে যাওয়ার পরে অটোভ্যানে উঠে ছুরির ভয় দেখিয়ে আরো চার-পাঁচ সহযোগী রাফি খানের চোখ মুখ কাপড় দিয়ে বেধে খুনের ভয় দেখিয়ে নিশানবাড়িয়া গ্রামে কোয়েল গাজীর বাড়িতে নিয়ে আটকে রাখে। সেখানে তাঁকে আটকে বেধড়ক মারধর করা হয়। এর পরে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে রাফির বাবাকে মোবাইল করা হয়। এক পর্যায়ে ধারদেনা করে ছেলেকে উদ্ধারের জন্য হাসান খান ৫০ হাজার টাকা নিয়ে কলাপাড়া শহরের বাসস্ট্যান্ডে ইমাদ বাস কাউন্টারের পেছনে আসামি জাহিদ প্যাদা ও ইমরান গাজীর কথামতো যায়। কিন্তু টাকা পাঁচ লাখ পুরোটা না পেয়ে হাসানকেও মারধর করতে থাকে। তখন হাসানের সঙ্গে থাকা স্বজনরা থানা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে প্রথমে জাহিদ ও ইমরানকে গ্রেফতার করে। তার দেয়া তথ্যমতে কোয়েল গাজীর বাড়ি থেকে রাফিকে উদ্ধার করে এবং কোয়েল গাজীকে গ্রেফতার করা হয়।
হাসান খান আরো জানান, এচক্র এর আগের দিনও (শনিবার) আসামিরা ওই অটোভ্যানে কুয়াকাটায় গিয়ে রিজার্ভ করে ঘুরেছে। তারা রাতে লাবিবা হোটেলে অবস্থান করে। কলাপাড়া থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম জানান, এই তিনজন ছাড়াও আরো যারা রয়েছে তাঁদের শণাক্ত করে আটক করা হবে। ধৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
অপহৃত রাফি খানের বাবা মো. হাসান দায়ের করা মামলায় উল্লেখ করেন, গতকাল রবিবার সকালে আসামিরা তার ছেলেকে অটোভ্যানে যাওয়ার জন্য সোনাতলা নদীর সেতুর উত্তরপাড়ে হাজীপুরে মসজিদের পাশে সড়কে যেতে মোবাইল করে। অটো নিয়ে যাওয়ার পরে অটোভ্যানে উঠে ছুরির ভয় দেখিয়ে আরো চার-পাঁচ সহযোগী রাফি খানের চোখ মুখ কাপড় দিয়ে বেধে খুনের ভয় দেখিয়ে নিশানবাড়িয়া গ্রামে কোয়েল গাজীর বাড়িতে নিয়ে আটকে রাখে। সেখানে তাঁকে আটকে বেধড়ক মারধর করা হয়। এর পরে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে রাফির বাবাকে মোবাইল করা হয়। এক পর্যায়ে ধারদেনা করে ছেলেকে উদ্ধারের জন্য হাসান খান ৫০ হাজার টাকা নিয়ে কলাপাড়া শহরের বাসস্ট্যান্ডে ইমাদ বাস কাউন্টারের পেছনে আসামি জাহিদ প্যাদা ও ইমরান গাজীর কথামতো যায়। কিন্তু টাকা পাঁচ লাখ পুরোটা না পেয়ে হাসানকেও মারধর করতে থাকে। তখন হাসানের সঙ্গে থাকা স্বজনরা থানা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে প্রথমে জাহিদ ও ইমরানকে গ্রেফতার করে। তার দেয়া তথ্যমতে কোয়েল গাজীর বাড়ি থেকে রাফিকে উদ্ধার করে এবং কোয়েল গাজীকে গ্রেফতার করা হয়।
হাসান খান আরো জানান, এচক্র এর আগের দিনও (শনিবার) আসামিরা ওই অটোভ্যানে কুয়াকাটায় গিয়ে রিজার্ভ করে ঘুরেছে। তারা রাতে লাবিবা হোটেলে অবস্থান করে। কলাপাড়া থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম জানান, এই তিনজন ছাড়াও আরো যারা রয়েছে তাঁদের শণাক্ত করে আটক করা হবে। ধৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন