গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় নির্মাণাধীন ৮২ ফুট উচ্চতার রামমূর্তি ও খোলা আকাশের নিচে স্থাপিত অন্যান্য মূর্তি অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে পলাশবাড়ী ইমাম-ওলামা পরিষদ এবং অসাম্প্রদায়িক নাগরিক সমাজ।
শুক্রবার (১২ জুন) জুমার নামাজের পর পৌর শহরের চারমাথা মোড়ে প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন পলাশবাড়ী ইমাম-ওলামা পরিষদের সভাপতি মাওলানা ছাদেকুল ইসলাম এবং সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা নুরুন্নবী। কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন হেফাজতে ইসলাম, খেলাফত মজলিস, জামায়াতসহ বিভিন্ন ইসলামী সংগঠনের নেতারা।
বক্তারা দাবি করেন, পলাশবাড়ীর শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ কালী মন্দির প্রাঙ্গণে নির্মাণাধীন রামমূর্তির প্রকৃত উদ্দেশ্য ও অর্থায়নের উৎস তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। তারা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানান এবং খোলা স্থানে নির্মিত মূর্তিগুলো অপসারণের আহ্বান জানান। দাবি বাস্তবায়নে দ্রুত পদক্ষেপ না নেওয়া হলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণারও হুঁশিয়ারি দেন তারা।
মানববন্ধন শেষে ‘অসাম্প্রদায়িক নাগরিক সমাজ’-এর ব্যানারে একটি বিক্ষোভ মিছিল পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
এদিকে, মূর্তিকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সকাল থেকেই উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে। চারমাথা মোড়, কোমরপুর চৌমাথা এবং হাসবাড়ী মন্দির এলাকাসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, ডিবি পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়।
পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে মাঠে ছিলেন রংপুর রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি শাহ মো. তাজুল ইসলাম, গাইবান্ধার পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিনসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। বিভিন্ন স্থানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরাও দায়িত্ব পালন করেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
শুক্রবার (১২ জুন) জুমার নামাজের পর পৌর শহরের চারমাথা মোড়ে প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন পলাশবাড়ী ইমাম-ওলামা পরিষদের সভাপতি মাওলানা ছাদেকুল ইসলাম এবং সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা নুরুন্নবী। কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন হেফাজতে ইসলাম, খেলাফত মজলিস, জামায়াতসহ বিভিন্ন ইসলামী সংগঠনের নেতারা।
বক্তারা দাবি করেন, পলাশবাড়ীর শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ কালী মন্দির প্রাঙ্গণে নির্মাণাধীন রামমূর্তির প্রকৃত উদ্দেশ্য ও অর্থায়নের উৎস তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। তারা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানান এবং খোলা স্থানে নির্মিত মূর্তিগুলো অপসারণের আহ্বান জানান। দাবি বাস্তবায়নে দ্রুত পদক্ষেপ না নেওয়া হলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণারও হুঁশিয়ারি দেন তারা।
মানববন্ধন শেষে ‘অসাম্প্রদায়িক নাগরিক সমাজ’-এর ব্যানারে একটি বিক্ষোভ মিছিল পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
এদিকে, মূর্তিকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সকাল থেকেই উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে। চারমাথা মোড়, কোমরপুর চৌমাথা এবং হাসবাড়ী মন্দির এলাকাসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, ডিবি পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়।
পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে মাঠে ছিলেন রংপুর রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি শাহ মো. তাজুল ইসলাম, গাইবান্ধার পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিনসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। বিভিন্ন স্থানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরাও দায়িত্ব পালন করেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে